‘ব্যাকিং’ শব্দটা একেবারেই বরদাস্ত করতে পারে না শাহেদ। বাংলাতে যেন কী বলে শব্দটাকে...ঐ যে পৃষ্ঠপোষকতা! নিজের পিঠকে অন্য কেউ পোষণ করে দেবে, তারপরে একজন সোজা হয়ে দাঁড়াবে...হাহ! এটা একটা কথা হলো?
-
গল্প
‘ব্যাকিংফাহমিদা বারী -
গল্প
উৎসর্গপারভেজ রাকসান্দ কামালদরজা ঠেলে হঠাৎ রমেন মাষ্টার ডঃ মাহফুজুর রহমানের কক্ষে ঢুকলেন। হাত-পা কাঁপছে তাঁর থর থর করে। শান্ত ভাবে মাহফুজুর রহমানের দিকে তাকিয়ে মৃদু হেসে বললেন, “তুমি আজ ডক্টোরেট ডিগ্রীধারী। তোমার ডক্টোরেট ডিগ্রী বা সচিবালয়ের গুরুত্বপূর্ণ পদের রেপুটেশন তোমার থাক বাবা। আমার পেনশন আর প্রভিডেন্ট ফান্ড তোমাদের মত দরিদ্র মানুষ কে আমি উৎসর্গ করলাম। তুমি শুধু আমার শেখানো বর্ণমালা আর অক্ষরজ্ঞানটুকু ফেরত দাও।”
-
গল্প
মানিব্যাগশরীফ মুহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামানরোমেল একা একা পার্কের ভেতরে পায়চারি করছিল।লেখাপড়া শেষ করে কর্মজীবনের খোঁজে তার সময় কেটে যাচ্ছে ।নানাবিধ চিন্তা তার মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছিল। হাঁটতে হাঁটতে সে পার্কের প্রায় শেষ প্রান্তে এসে পৌঁছল। সহসা তার দৃষ্টিগোচর হলো একটু দূরে একটা মানিব্যাগ পরে আছে।
-
গল্প
আমার দাদাজিJamal Uddin Ahmedমানে অইল গিয়া, ওইদিন রাইতে আমার সমুন্দির বউ আমার মাথার পিছন দিকে খাড়াইল। ফন্দি কইরা। খাড়াইয়া আমার মাথার দিকে চউখ রাইখ্যা একটা চিক্কর দিল, এ্যাঁই.... কইয়া। মনে অইল আমার মাথার মাইদ্যে আজব কিছু দেখছে। হাঃ হাঃ হাঃ ......
-
গল্প
শরমARJUN SARMAপদে পদে প্রভুনারায়ণ প্রহেলিকার প্রাকারে পরিবৃত ।ভুলো মনের কারণে কতবার যে প্রভুনারায়ণকে হেনস্থা হতে হয়েছে তার হিসেব নেই।অথচ ছাত্রাবস্থায় বাড়ির অন্যদের মতো না হলেও সেও মেধাবীই ছিল।পাল চৌধুরীবাড়ির ছেলেদের নামডাক ছিল স্কুল কলেজে।
-
গল্প
সেদিনের স্বপ্নপিপাসু ছেলেajoy dasবনের পথ কোন এক রকম হয়ে চলছে। ঔযে তখনকার পুরােনাে মডেলের বেবি টেক্সির মত। সবে মাত্র উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেছে।কী করবে কী করবে ভেবেও কিছু করতে পারলনা। পারলনা স্নাতক/ডিগ্রি তে ভর্তি হতে।
-
গল্প
লাজহীন অন্তর্দহননুরুন নাহার লিলিয়ানআমি তখন অসুস্থতার কারনে বাসায় ছিলাম ।আমার স্বামী সাহিলের কানে তখন ও খবরটা পৌঁছায়নি । চিরকুটটা ভাগ্যিস দেখেছিলাম । কি অদ্ভুত অসহায়ত্ব আমাকে অসাড় আর নিস্তেজ করে দিল ।
-
গল্প
অকার্যকর মৃত্যুদণ্ডসেলিনা ইসলাম N/Aআজ আমাদের ঊনত্রিশতম বিবাহ বার্ষিকী। আজকে খুব সুন্দর করে একটা খোঁপা বেঁধেছি। বিয়ের প্রথম দিকের সময়ে মিহির আমার খোঁপায় গোলাপ গুঁজে দিত। মুগ্ধ হয়ে বলত-
-মিঠি,খোঁপা বাঁধলে তোমাকে নায়িকা কবরীর মত লাগে। সব সময় এভাবে চুল বেঁধে রাখতে পারো না? -
গল্প
গ্রীষ্মে দখিনা হাওয়াআসাদুজ্জামান খানস্যারেরা আর তার মা চাইছিলেন সে বিজ্ঞান নিয়েই পড়ুক। বাবাও তাই হয়ত চাইছিলেন, কিন্তু কিছু বলতে পারেন না। শুধু গোঁ গোঁ শব্দ করেন আর চোখের পানি ফেলেন।
-
গল্প
নির্লজ্জ%3C%21-- %3C%21--ভোরে সূর্যোদয়ের সাথে অবনীর জীবনেও সূচনা হতে চলেছে এক নতুন অধ্যায়ের। কলেজের প্রথম দিন আজ। কত শত দিনের রেকর্ড ভেঙ্গে গত রাতে ১০টা না বাজতেই ঘুমিয়ে পড়েছিল সে।
চোখ খুলল অবনী। পর্দার ফাঁক দিয়ে ঢোকা মৃদু আলোয় চোখ পড়তেই ফোনটা হাতে নিলো সে। ৬টাও বাজেনি এখনো। এখন উঠে পড়ার কোন মানেই হয়না। অতঃপর কাথা মুড়ি দিয়ে আবার ঘুমানোর চেষ্টা করে মেয়েটি। বৃথা চেষ্টা।
জুন ২০১৮ সংখ্যা
আগামী সংখ্যার বিষয়
লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৫ মার্চ,২০২৬
এ যাবত
