সপ্ন দেখেফেলেছিলাম, একটা লাল শাড়ী, খোলা চুলে তুই মাথাটা নিচু করে তাকিয়ে আছিস মাটির দিকে, বৃষ্টির ফোটাগুলো অদ্ভুত ভাবে গড়িয়ে পড়ছিল তোর নাক, চুল আর শাড়ীর আচল বেয়ে।
-
গল্প
উড়োচিঠিশৈলেন রায় -
গল্প
নীরব প্রস্থানআসাদুজ্জামান খানটিটিং। টিটিং । তীক্ষ্ণ শব্দে ধরমর করে উঠলাম। মুঠোফোনে আলো জ্বলছে। একটু ধাতস্ত হতে বুঝলাম, বার্তা / ‘মেসেজ’ এসেছে। রাত তিনটা বাজে। বিরক্ত লাগে। এই গভীর রাতে সাধারনত ‘মেসেজ’ আসেনা।
-
গল্প
ইব্রাহিমমাইনুল ইসলাম -1" OR 5*5=25 or "N7OdHqQO"="শত আদর আর শাসনের মাঝেও ইব্রাহিমের দুরন্ত মন কখনো কখনো কোথায় যেন হারিয়ে যায়। হঠাৎ সে হাসে আবার হঠাৎ সে চিৎকার করে কেঁদে উঠে। তার চঞ্চল মন যেন স্থির হতে চায় না, এটা নাড়, ওটা নাড়, এটা খাও, ওটা খাও, এই কর, সেই কর করে করে মাতিয়ে রাখে সারাটা প্রহর।
-
গল্প
অরণিকামেহেদী সম্রাটঅনেক্ষণ চুপচাপ থাকলো দু'জনই। নিরবতা ভেঙে অরণিকা বললো, 'ডাক্তার বললো আমার ক্যান্সার টা নাকি গ্রেড থ্রীতে পৌঁছে গেছে'। বলে একটু থামলো। বিস্ফোরিত চোখে অরণিকার দিকে তাকিয়ে আছে শিশির। অস্ফুটে শুধু একটা শব্দ বেরিয়ে এলো তার মুখ থেকে, 'তোমার ক্যান্সার!!'।
-
গল্প
আজব প্রফেসরফেরদৌস আলমতিনি খরিদ্দার নিয়ে মহাব্যস্ত। দু টাকা বেশি বিক্রি হলে সেটাই তো লাভ। তার অবশ্য নয়। আবছার মণ্ডলের। যিনি দোকানটার মালিক। প্রফেসর সাহেব এই যে তার দোকানে কপালের ঘাম মুছে ফরমায়েশ খাটছেন, তার লাভ কী?
-
গল্প
সংসারীমালিহা নামলাহজামিলা হ্যা সূচক মাথা নাড়লো। তার মুখ অসম্ভব গম্ভীর হয়ে গিয়েছে। এশা তাকে এক হাত দিয়ে বুকে টেনে নিলো। সে অঝোরে কাঁদলো। এতো কষ্ট ঐ ছোট্ট বুকটার ভেতরে কিভাবে জমে ছিলো কে জানে! একটু পর সচেতনভাবে চোখ মুছে উঠে দাঁড়ায়, বলে,
– আমি যাই, ভাই দুইডা না খাইয়া আছে। -
গল্প
মৃত্যুর আগের দিনপুলক আরাফাতমাঝারি গড়নের নুয়াফা চলে দুলে দুলে, যেন মঙ্গল গ্রহে হাঁটছে। ইনফর্মেশন এন্ড কমিউনিকেশন সায়েন্স নিয়ে স্নাতক পড়ছে ইস্ট ওয়েস্ট এ। খুব কৌতূহলী স্বভাবের দেখলেই বুঝা যায়। প্রচণ্ড আমুদে আর অনেক মেধাবী। তবে ভেতরে যে একটা চাপা দুঃখ আছে কাউকেই বুঝতে দেয় না।
-
গল্প
জীবনবিলাসমিলন বনিকইমরান গর্বের সাথে বলে, জীবনে বিয়েটা মুখ্য নয়। সংসার নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হতে পারাটায় বড় কথা। ইমরানের বয়ান থেকে সেটাই স্পষ্ট।
-
গল্প
পার্থিবনয়ন আহমেদশায়লার ঠোঁটে মিষ্টি হাসির আনাগোনা; নাহিদের চোঁখ তখনো এড়ায়নি ওর। শায়লা ফিসফিস করে বলেছিলো, আজ একটা আমার জিনিস কিনবো। তবুও নাহিদের মাথার মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছিলো, কি নিতে চায়.... শায়লা ভাবছে কি গিফ্ট দেওয়া যায়।
-
গল্প
নসিববিশ্বরঞ্জন দত্তগুপ্তমা হারানো মেয়েটা ছিল হানিফের বড় আদরের । মেয়ের উপর শ্বশুর বাড়ির এই অত্যাচার সে সহ্য করতে পারে না । নিভৃতে বসে চোখের জল ফেলে আর মদ খাওয়ার মাত্রাটাও যেন দিন দিন বেড়েই চলেছে । মনে মনে ভাবে কবে টাকাটা জোগাড় করে সোনার দুলটা কিনে মেয়ের শ্বশুর বাড়িতে গিয়ে দিয়ে আসবে তাহলে হয়ত মেয়েটা অত্যাচারের হাত থেকে কিছুটা রেহাই পাবে ।
আগষ্ট ২০১৮ সংখ্যা
আগামী সংখ্যার বিষয়
গল্পের বিষয় "স্বাধীনতা”
কবিতার বিষয় "স্বাধীনতা”
লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৫ ফেব্রুয়ারী,২০২৬
এ যাবত
প্রতি মাসেই পুরস্কার
লেখা প্রতিযোগিতায় আপনিও লিখুন
-
প্রথম পুরস্কার ১৫০০ টাকার প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র। -
দ্বিতীয় পুরস্কার ১০০০ টাকার প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র। -
তৃতীয় পুরস্কার সনদপত্র।
