কুমিল্লার এক প্রত্যন্ত অঞ্চলে চন্দনপুর একটি গ্রাম । গত কয়দিন ধরে নাকি সেখানে ভুতের উপদ্রব শুরু হয়েছে । আমি কিছু দিনের জন্য একটি এন.জি.ও এর কাজ নিয়ে এই গ্রামে আসি । এখানে এসে দেখি,
-
গল্প
ভূতুবুদ্দিননিরব নিশাচর -
গল্প
গ্রাম-বাংলার একটি গল্প আর একটি আক্ষেপের কথাTahasin Chowdhuryএকটা গল্প বলি, শুনুন। কোন একসময় গ্রামে একটা পরিবার ছিলো যাদের সবাই কানে কম শুনে , মা-বাবা , ভাই-বোন এই চার জন । তো ভাইটাকে বিয়ে দেয়া হল , মজার ব্যাপার হল তার বউটাও কানে কম
-
গল্প
পরাজয়রিনতিআউটডোরে প্রচণ্ড ভীড় ।মেজাজ বিগড়ে আছে ।সকাল থেকে রোগীদের অবিরাম প্রশ্ন এবং নার্সদের বিরতিহীন উত্তর । যথারীতি একঘেয়ে ক্লাস চলছে ।স্যার হার্নিয়া পরাচ্ছিলেন । মগজে কিছুই ঢোকাতে
-
গল্প
বুঁইচা গ্রামের বোঁচাদাধীমান বসাকবুঁইচা গ্রাম চেনতো ? ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের নদীয়া জেলার শান্তিপুর থানার অন্তর্গত এই গ্রাম । আগে অনেক বঁইচি ফলের গাছ ছিল বলে এই নাম । এখন আর বঁইচি গাছ দেখা যায়না । তবে নামটি রয়ে গেছে
-
গল্প
গ্রাম বাংলার জেলেদের সুখ-দুঃখআশিক বিন রহিমএক.
তেজোদীপ্ত রবির তেজস্ক্রিয়তা এখনো ম্লান হয়নি, সবেমাত্র হলদে বরণ। খানিক পরেই সে পূর্ণ গোলাকার -
গল্প
আমার গ্রাম আমার প্রাণম্যারিনা নাসরিন সীমাবহুক্ষণ যাবত বিলের ধারে দাঁড়িয়ে আছে সোহান। দৃষ্টিতে নিরাশার ছাপ স্পষ্ট। মনের গহীনে নানা ভাবনার তান্ডব চলছে। সামনে যতদূর দেখা যায় পানি আর পানি। শরতের নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলা ।
-
গল্প
সংক্রমণআদিব নাবিলহাসপাতালের শয্যায় রোগীটি কাতরাচ্ছে। ডাক্তাররা সরাসরি বলে দিয়েছে, এখন অব্দি এ রোগের চিকিৎসা পৃথিবীর কোথাও নেই। এক চেনা ভাইরাস অজানা চেহারা ও কায়দায় মানবশরীরে ঢোকে। শরীরের
-
গল্প
গ্রাম-বাংলার আত্ম-কথাM.A.HALIMআমি একটি 'গ্রাম,। ১৯৭১ সালে অজস্র গোলা বারুদ ও কামানের আঘাতে আমার বুকটা একেবারে ঝাঁঝরা হয়ে গিয়েছিল। আমার এই ছোট্ট বুকের উপর দিয়ে বয়ে গিয়েছিল অগনিত মানুষের বুকের তাজা রক্ত,
-
গল্প
পথের পরিচয়Azaha Sultanসেদিন স্নেহবাংলা আমার মাধুর্য জন্মভূমিরে ত্যাগ করি যখন উঠলেম আকাশযানে উপসাগরের উদ্দেশে, তখন দেখি আমার পার্শ্বাসনে বসা উনিশ-বিশ বছরের এক অতি সুন্দরী ললনা! বেশ কিছু খবরের কাগজ
-
গল্প
একাত্তরের গ্রাম-বাংলাআশাবর্ষার মাঝামাঝি। খাল-বিল, বাড়ির আঙ্গিনা আর নিম্নভূমি অঞ্চলের রাস্তা-ঘাট সব বর্ষাজলের দখলে। এর মধ্যে দিনকয়েক দিবা-রাত্রি কোনো সময়ই বৃষ্টির কামাই নেই। এ টানা বৃষ্টিকে ধরে নেয়া যায় অসহায়
নভেম্বর ২০১১ সংখ্যা
আগামী সংখ্যার বিষয়
লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৫ মার্চ,২০২৬
এ যাবত
