ঘোমটা দিছে বিশ্ববাসি ঢাকতে নিজের দুঃখ।
কেমন করে দেখাবে সে তার পাপি মুখ।
সভ্যতাকে করতে ধারন পশুর আচরন!
আসলটাকে বন্ধিকরে নকল জাগরন।
কবিতা
ঘোমটা দিছে বিশ্ববাসি ঢাকতে নিজের দুঃখ।
কেমন করে দেখাবে সে তার পাপি মুখ।
সভ্যতাকে করতে ধারন পশুর আচরন!
আসলটাকে বন্ধিকরে নকল জাগরন।
কবিতা
সামনে উচু নিচু আর মধ্যবিত্ত-
নামের তিনটি শ্রেনি বিদ্যামান।
তাতে, উচু শ্রেনি নিশ্চিত নিরাপদে,
সব কিছু তাদের নাগালে।
কবিতা
এই যে সিঁড়িটা দেখছো,
থেমে আছে অন্তহীন কাল ধরে।
এখানে বসে কোন এক অলস বিকেলে
বলেছিলে, চলো কাটাই একটা জীবন
একই ছাদের তলে।
কবিতা
ডাকলেইকি আসতে পারি বল!
এখনওতো ব্যস্ত উঠোন
অবেলাতেও তীক্ষ্ণ শকুন
দিচ্ছে উড়াল..
আকাশ জুড়ে রক্তপাতের
চিহ্নটুকু চুঁইয়ে দিয়ে
ব্যস্ত শকুন করছে কোলাহল।
কবিতা
সেই দিনের ছোট্ট শিশুটি আজ কারো পিতা ,
যার কাঁধে ঝুলিয়ে রাখে হাজারে ও দায়িত্ব ।
যে কিনা দাপিয়ে বেড়াত দিগ -দিগন্তে ,
যার নামে নালিশের কমতি নেই ,
আজ সেই অন্যকে শাসন করতেছে ,
সেই দিনের ছোট্ট শিশুটি কারো পিতা ।
কবিতা
কে বলে এই করোনার যুগে অকবি লেখালেখি ভুলে গেছে?
গতকাল পৃথিবীর পিঠে অজস্র ধারায় যে জল আকাশ থেকে
ঝরে ঝরে পড়েছে; শরীরে তার লুকিয়েছিল ভীষণ উত্তাপ
নিপুণ রাঁধুনীর রন্ধনকৌশলে মিশে থাকা সৃজনশীলতা যত
কবিতা
অসহায় চোখের তাকানো দেখলে কলিজা শুকিয়ে যায়,
পরনির্ভরশীল আগাছা আজ!
শরীরের উপর নিয়ন্ত্রণহারা মানুষগুলোর প্রয়োজনীয়তা ফুরিয়েছে,
এবার তবে অপেক্ষা, শেষ খেয়া ধরার আশে মুহুর্ত গুনা।
কবিতা
একটি পথশিশু
হয়তোবা আমি বুঝেছি অন্যভাবে
কতটা রাত কেটে যায় নির্ঘুম অনাহারে
কতটা সবুজ বিকেল বিলীন হয় কালো ধোঁয়ায়
কতটা আকুল আবেদন মনের গহীনে অসহায়ে বন্দী হয়ে রয় ।
কবিতা
ভালো লাগে না কোন কিছু তার
ভালো লাগার কী আছে?
পুরো পৃথিবী স্বার্থপর যেন
অসহায়ের কাছে।
কবিতা
যেখানে দাঁড়িয়ে আছি এ যে শেষ সীমারেখা
এরপর যাওয়া নেই, এর থেকে ফেরা নেই
এখানে দাঁড়িয়ে থাকা, এখানেই গড়িয়ে পড়া
এখানেই অব্যর্থ লয় - বেওয়ারিশ।
“ ” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ , থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।
প্রতিযোগিতার নিয়মাবলী