দিনরাত কাজের মেলায় নাই অবসর,
বেতন ভাতা ক্যারিয়ার এই শুধু দোসর।
বিশ্ব চলে সুইচ টিপে বড় এক চমক,
প্রাচীন যত রোগ খায় ডাক্তারের ধমক।
কবিতা
দিনরাত কাজের মেলায় নাই অবসর,
বেতন ভাতা ক্যারিয়ার এই শুধু দোসর।
বিশ্ব চলে সুইচ টিপে বড় এক চমক,
প্রাচীন যত রোগ খায় ডাক্তারের ধমক।
পৃথিবীর সর্বোচ্চ চূড়ায় দাঁড়ানোর এক ব্যর্থ স্বপ্ন চোখে
রাতের পর রাত রক্তচক্ষু হয়ে পেরিয়ে যায়
তবুও মনের তৃষ্ণা বিশ্বে কোন জলেই মেটে না,
অহায়ত্ব গ্রাস করে গুটিয়ে ফেলে অন্তরকে
কবিতা
হঠাৎ পৃথিবী ঘুমায়।
সুনসান নিরবতা রাজপথে।
নির্জন বসে কাঁদে,
রেস্তোরা আর কফি হাউসের কফির পেয়ালা।
কবিতা
ডাকলেইকি আসতে পারি বল!
এখনওতো ব্যস্ত উঠোন
অবেলাতেও তীক্ষ্ণ শকুন
দিচ্ছে উড়াল..
আকাশ জুড়ে রক্তপাতের
চিহ্নটুকু চুঁইয়ে দিয়ে
ব্যস্ত শকুন করছে কোলাহল।
কবিতা
আমারই হাত ধরে একদিন গঙ্গা হয়েছে পদ্মা
আমারই স্পর্শে সবুজ মাঠে ফুটেছে রক্ত জবা
আমারই চোখের পলকে ঢোলকলমির ফুল
কবিতা
সেদিন আমার মেয়ের বিয়ের কথা পাকা হয়ে গেল ।
ওর হবু শাশুড়ি তো খুব খুশি ,
অগ্রিম বাবদ যৌতুকের এতগুলো টাকা,
বিয়ের সময় টিভি, ফ্রিজ , ফার্নিচার ।
এই যাঃ! ভুল হয়ে গেল ।
কবিতা
গৌধুলীর কান্না
অবশেষে সেও মৃত্যুর মিছিলে যোগ হলো
অথচ দুদিন আগেও তার এ মোহমায়ায় দূর্নিবার আকর্ষনে
জেগেছিল স্বপ্নরথের ঘুম,
কবিতা
ছোট্ট করোনা ভাইরাস বিশ্বে দিল হানা,
অসহায়! কেউ ডাকে বাবা, কেউ ডাকে নানা!
পূর্ব- পশ্চিম সবখানে সমভাবে তার বিস্তার,
ধনী - গরিব, সাদা - কালো নেই কারও নিস্তার।
কারফিউ, হোম কোয়ারান্টাইন চলছে সমান তালে ,
কবিতা
ধরুন আপনি আপৃন গতিতে রিক্সায় ছুটে চলেছেন
চারিদিকে এতোটুৃকে ঘিরে ধরে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে চড়থাপ্পড় মেরে
আপনার সব কিছু কেড়ে নিলো
আপনি শুধু চেয়ে চেয়ে দেখলেন
আপনার এ অসহায়ত্ব কাকে বলবেন?
কবিতা
শোন শোন একদিন
যাবে থেমে এইদিন
আসবে ভোরের আলো,
হৃদয় জানালা খোলে
বিপ্লবের পথে চলে
আসুক ইসলামের আলো।
“ ” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ , থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।
প্রতিযোগিতার নিয়মাবলী