গৌধুলীর কান্না
অবশেষে সেও মৃত্যুর মিছিলে যোগ হলো
অথচ দুদিন আগেও তার এ মোহমায়ায় দূর্নিবার আকর্ষনে
জেগেছিল স্বপ্নরথের ঘুম,
গৌধুলীর কান্না
অবশেষে সেও মৃত্যুর মিছিলে যোগ হলো
অথচ দুদিন আগেও তার এ মোহমায়ায় দূর্নিবার আকর্ষনে
জেগেছিল স্বপ্নরথের ঘুম,
ভালো লাগে না কোন কিছু তার
ভালো লাগার কী আছে?
পুরো পৃথিবী স্বার্থপর যেন
অসহায়ের কাছে।
সেদিন আমার মেয়ের বিয়ের কথা পাকা হয়ে গেল ।
ওর হবু শাশুড়ি তো খুব খুশি ,
অগ্রিম বাবদ যৌতুকের এতগুলো টাকা,
বিয়ের সময় টিভি, ফ্রিজ , ফার্নিচার ।
এই যাঃ! ভুল হয়ে গেল ।
ধনী-গরিব রাজা-প্রজা
কেউ কারো নয় ভরসা
সবাই যেন বাকরুদ্ধ
সকলের একটাই প্রার্থনা
ধরুন আপনি আপৃন গতিতে রিক্সায় ছুটে চলেছেন
চারিদিকে এতোটুৃকে ঘিরে ধরে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে চড়থাপ্পড় মেরে
আপনার সব কিছু কেড়ে নিলো
আপনি শুধু চেয়ে চেয়ে দেখলেন
আপনার এ অসহায়ত্ব কাকে বলবেন?
একটি পথশিশু
হয়তোবা আমি বুঝেছি অন্যভাবে
কতটা রাত কেটে যায় নির্ঘুম অনাহারে
কতটা সবুজ বিকেল বিলীন হয় কালো ধোঁয়ায়
কতটা আকুল আবেদন মনের গহীনে অসহায়ে বন্দী হয়ে রয় ।
হঠাৎ পৃথিবী ঘুমায়।
সুনসান নিরবতা রাজপথে।
নির্জন বসে কাঁদে,
রেস্তোরা আর কফি হাউসের কফির পেয়ালা।
ডাকলেইকি আসতে পারি বল!
এখনওতো ব্যস্ত উঠোন
অবেলাতেও তীক্ষ্ণ শকুন
দিচ্ছে উড়াল..
আকাশ জুড়ে রক্তপাতের
চিহ্নটুকু চুঁইয়ে দিয়ে
ব্যস্ত শকুন করছে কোলাহল।
দু’টি চোখের পাপড়ি ভিজে গেছে আমি নিস্পলক তোমার অবনত মুখের দিকে চেয়ে।
অবাক হয়েছি সব শুনে এতোদিন পর নগরীর নিথর বুকে আজ তোমার সাথে দেখা।
সময়ের উত্তরঙ্গ তপ্ততা ছুঁয়ে নীরব বিদগ্ধ বাঁকে মৌন পুড়ে হৃদয় ডানা।
অসহায় হরিণের মতো বাঘের মুখে স্থির,
দিন-রাত যেমন ছিল তেমনি আছে অধীর
সুদিনের হাতছানি মাঝে মাঝে চোখে ভাসে
পরক্ষণেই বিদ্যুৎ ঝলকানি হৃদয় আকাশে
ভাবি, সব বুঝি স্মৃতিভ্রম; জারি নষ্ট কাব্য
মানুষের পৃথিবীতে আজ মানুষ অসহায়।
“সেপ্টেম্বর ২০২৫” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।
প্রতিযোগিতার নিয়মাবলী