সেই রাতটা এখনও মনে পড়ে; উনিশ দশকের শেষ দিকে, বরিশাল সদর থেকে মা আমাকে নিয়ে হেঁটেই রওনা দিল, তাঁর বাড়ির দিকে। একটা নদী পাড় হতে হবে। তারপর পাঁচ মাইল হাঁটা লাগবে। তখন আমি ক্লাস টু’তে পড়ি। আমরা যখন রওনা দিলাম তখনও বিকেলের রোদ ছিল। মাঝ বয়সি পৌষালী শীত। তেমন কোন গরম কাপড়ও মায়ের শরীরে নেই, যা একটা পাতলা চাঁদর ছিল সেটাও আমাকে জড়িয়ে দিল।
-
গল্প
“শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত শুধুই মানুষ”nani das -
গল্প
মিনুর গ্রামে প্রত্যাবর্তনশাহনাজ বেগমনিরব নিস্তব্ধ নিসর্গ । একে তো শীতের রাত তাতে আবার কুয়াশার ঘন আচ্ছাদন । যেন ঝিঝি ঝিমিনিরাও ঘুমিয়ে গেছে ।কোন সাড়া শব্দ নেই ।গাছের পাতার কাঁপুনিও শুনতে পাওয়ার কথা নয় । কেননা জানালায় লাগানো আছে থাই কাচ ।তবুও কেন যেন হঠাৎ মিনুর ঘুম ভেঙ্গে যায় ।
প্রথমে সে মনে করে সকাল হয়েছে। একটু পরেই দিনের আলো ফুটবে । আবার শুরু হবে রোবটের মত কাজ টানা। কিন্তু না অনেক ক্ষণ হয়ে গেল সকাল হচ্ছে না ।দেয়াল ঘড়িটা যদিও বা তার মাথার উপরে টাঙ্গানো আছে ঠান্ডার ভয়ে মাথা বের করে দেখার ইচ্ছা হচ্ছে না । -
গল্প
গল্পটা অন্যরকম...সাজ্জাদুর রহমানছেলেটির নাম রুবেল।
বয়স কত হবে?খুব বেশি হলে ১২ বা ১৩?
রুবেলের সাথে আমার পরিচয় স্কুলের পাশের গলিতে।একদিন স্কুল থেকে ফেরার পথে সে আমার পথ আটকে মুখ কাচুমাচু করে বলল,”স্যার,দুইটা টাকা দিবেন?আমার মা নাই স্যার...ভাত খামু?”
আমি হেসে বলি,”দুইটাকায় ভাত হয় নাকি রে ব্যাটা?”সে আমার রসিকতা ধরতে পারল বলেই মনে হয়,কেননা হাত দিয়ে সে মুখের হাসি আড়াল করল।
-চল তোকে সিংগারা খাওয়াই,ভাত তো খাওয়াতে পারব না... -
গল্প
এক পাগল ফকির এসেছিল খালমাগড়ায়Gazi Saiful Islamগুঞ্জর আলী গ্লাস হাতে কাঁপতে কাঁপতে হিজলতলা ত্যাগ করে।
কিন্তু কিছুটা দূরে এসে হঠাৎ তার মনে হলো পানিতে ফকিরের ফুঁ ঠিকমত লাগে নি। এবং অল্পক্ষণের মধ্যেই এ ধারণাটা তার মাথায় বদ্ধমূল হয়। সে আবার পেছনে ফিরে যায়...।
ফকির সাহেব...।
-আরে গুঞ্জর, পানি লইয়া তুমি গেছ না? যাও, দৌড় দেও। -
গল্প
মনের উঠোনে রোদপুলক আরাফাতবিল্লাল ছোটবেলা থেকেই ভালো ছাত্র ছিল। খুব ভালো আঁকাআঁকিও করতে পারতো। বিল্লালের বাবা ছিলেন জেলা প্রশাসনে কর্মরত। নটরডেম কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করে বিল্লাল ভর্তি হয় একটি বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজে। ওর বাবা-মা’র ইচ্ছেই ছিল ডাক্তারি পড়াবে। সরকারি মেডিক্যালে অল্পের জন্য সুযোগ পায়নি। ডাক্তারি পড়ার সময় থেকেই বিল্লাল কিছু কিছু বিষয় নিয়ে ভাবতে শুরু করে।
-
গল্প
শীত চলে যায়ইউসুফ মানসুরশীত শীত অনুভবে আনন্দ জাগে
মায়ের হাতের পিঠা খুব ভালো লাগে।
সকালে ফজর পরে চাদর গায়ে
মাঝি করে পারাপার ডিঙ্গি নায়ে। -
গল্প
শীত ও শূন্যতাঅনিক আহমেদকনকনে ঠান্ডা বাতাসে যেন আমার আত্মা কেঁপে উঠলো। জ্যাকেটের চেইন গলা পর্যন্ত টেনে। আবার হাঁটতে লাগলাম। সূর্য হয়ত আর কিছুক্ষন পরই ডুব দিবে, শীত আরো তীব্রভাবে চেপে বসবে এই নিথর-নিঃসঙ্গ করবস্থানে।
লালচে ইট বিছানো রাস্তা দিয়ে তার দিকে আমি হেঁটে চলেছি একটু একটু করে। -
গল্প
পাতাশরীফ মুহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামানএরপরে দুজনে কিছুক্ষণ নিশ্চুপ হয়ে রইল।তাদের হারানো ভালোবাসার কষ্টে দুজনেই নিথর নিশ্চুপ হয়ে আপনার মনে আপনি কষ্ট উপভোগ করল।এত বছর পরে অজান্তেই দেখা হয়ে গেল তুহিনের পাতার সাথে এই ওয়েটিং রুমে।যা তারা দুজনে জীবনে কখনো আশাও করেনি।কিন্তু ভাগ্যচক্রে তাদের দেখা হয়ে গেল।
-
গল্প
শীতের ঋতু নয় আমার ঋতুহারুন-অর-রশিদঋতুর চিঠি পরে আমি সত্যি সত্যি চমকে গেলাম। আমি কত চিঠি ছাড়তাম কোনটি উত্তর পাইনা বলে আমার আর গ্রামে যাওয়া হয়না। চিঠিটি সত্যি আমাকে চমকে দিল, অভিমানি ঋতু আমার জন্যও লিখে।
খেজুরের গুরদ্বারা তৈরী ভাপা পিঠা গরম গরম সন্ধ্যা রাতে চুলার পাশে বসে খেতে ভারি মজাই লাগে। সেই সাথে আগুনের লেলিহা পাশে বসে আছে ঋতু। ঋতুকে দেখতে ভালই লাগে। ঋতু মা বলে, বাবা তুমি আসাতে আমি খুব খুশি হয়েছি। তুমি আগের ঋতুতে আসনি বলে ঋতুও কোন শীতের খাবার খায়নি। -
গল্প
কুয়াশার দেয়ালমোঃ আব্দুল মুক্তাদিরবিস্ময়ে চারিদিক দেখতে লাগলো। 'শুধু সাদা আর সাদা! এ যেন এক মায়াময়, রহস্যময় জগত। মাটিতে বসে আছি নাকি মেঘের ভিতর ঢুকে গেছি!। কাছের কোন জিনিসই দেখা যাচ্ছেনা। আমি কি কোন মায়াপুরীতে ঢুকে গেলাম!'
ছুপ...ছুপ...ছুপ...ছুপ--শুভর দিবাস্বপ্ন ভেঙে গেল। তার পাশে কে একজন এসে দাঁড়িয়েছে!। তার হার্টবিট বেড়ে গেল। ব্যাপার কি!
জানুয়ারী ২০২০ সংখ্যা
আগামী সংখ্যার বিষয়
লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৫ জুন,২০২৬
এ যাবত
