: স্যার চা দিমু?
: তিন কাপ দাও।
ঘাসের উপর ফ্লাক্স ভর্তি চা। ছেলেটা চা ঢালছে কাপে; চিপা চা, ফ্লাক্সের মাথা চিপে চিপে বের করা হচ্ছে সেই চা।
: তোমার নাম কিন্তু এখনো বল নি।
ফাঁটা ঠোঁটে হাসি-
-
গল্প
হিয়ার মাঝে তুমি রওTanvir Ahmed Rifat -
গল্প
মাখন পাগলার প্রয়াণJamal Uddin Ahmedকালীপদ ভয়ে ঠিকই শিউরে উঠেছিল, কিন্তু পরক্ষণে সাহস সঞ্চয় করে সামনে এগিয়ে যায় এটা বুঝতে যে লোকটি কি তখনও বেঁচে আছে নাকি মরে গেছে। যখন সে নিশ্চিত হল যে লোকটি আর বেঁচে নেই তখনই সে ভীষণ ভয় পেয়ে ‘রাম রাম’ বলে লাফ দিয়ে ওঠল। আশেপাশে তখন আর কোনো লোক ছিলনা।
-
গল্প
একটি শীতের রাতের গল্প ।Lubna Negarঅভিজাত এলাকার অধিকার যেমন বিত্তশালীদের, ডাস্টবিনের দখল তেমন কুকুর- বিড়ালের । কয়েকটা গালি দিয়ে জরিনা উঠে পড়ে । আর তখনই চোখে পড়ে কাপড়ে জড়ানো একটা পোটলা ধরে কয়েকটা কুকুর কামড়া কামড়ি করছে । আর সেই পোটলা থেকে ভেসে আসছে শিশুর কান্না ।
-
গল্প
আর্তনাদের হাওয়াSultanনবান্নের উৎসব শেষ হতে না হতেই উত্তরের হিমেল হাওয়া ভর করে শীত নেমে আসে বাংলা প্রকৃতির মাঝে।কুয়াশার চাদর মুড়িয়ে হাড়কাপুনি শীত পড়ে।রাতে কুয়াশা যেন বাড়তে থাকে।তখন ও রাত এগারটা বাজে নি।আামার গায়ে মোটা সুয়েটার,হাতে পায়ে মৌজা থাকার সত্বেও শীত লাগছে।আাস্তে আস্তে গ্রামের মেঠো পথ ধরে বাড়ির দিকে যাচ্ছি।চারদিক যেন কুয়াশা বেধ করে রেখেছে।গাছের পাতায় জমে থাকা কুয়াশার পানি ঝরে,গায়ের কাপড় মনে হয় ভিজে যাচ্ছে।কুয়াশার জন্য কিছুই দেখা যাচ্ছে না।রাস্তায় কোন লোকজন নেই।আমার হাতের কাছে একটি মেস লাইট ছিল। তা দিয়ে কিছুই দেখা যাচ্ছে না। শুধু সাদা ধোয়া দেখা যাচ্ছে।
-
গল্প
এক পাগল ফকির এসেছিল খালমাগড়ায়Gazi Saiful Islamগুঞ্জর আলী গ্লাস হাতে কাঁপতে কাঁপতে হিজলতলা ত্যাগ করে।
কিন্তু কিছুটা দূরে এসে হঠাৎ তার মনে হলো পানিতে ফকিরের ফুঁ ঠিকমত লাগে নি। এবং অল্পক্ষণের মধ্যেই এ ধারণাটা তার মাথায় বদ্ধমূল হয়। সে আবার পেছনে ফিরে যায়...।
ফকির সাহেব...।
-আরে গুঞ্জর, পানি লইয়া তুমি গেছ না? যাও, দৌড় দেও। -
গল্প
শীতের গল্পএলিজা রহমাননাজনীন সুলতানার মনে হলো ছেলেমেয়ে দুটো এখানে এসে কি সুন্দর খেলছে খোলামেলা জায়গায় ৷ আমরা তো ওদের খেলার জায়গা দিতে পারি নি , সুস্থ হয়ে বেড়ে উঠার জন্য তো খেলাধুলো করার দরকার ৷ কয়েকটা দিন বেশ ভালো কাটল ৷ কালকে ওরা ঢাকায় চলে যাবে , আবার শুরু হবে যান্ত্রিক জীবন ৷সকালে সে একাই কুয়াশা ভেজা মেঠো পথ দিয়ে কিছুক্ষন হেটে বেড়াল ৷
-
গল্প
পাতাশরীফ মুহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামানএরপরে দুজনে কিছুক্ষণ নিশ্চুপ হয়ে রইল।তাদের হারানো ভালোবাসার কষ্টে দুজনেই নিথর নিশ্চুপ হয়ে আপনার মনে আপনি কষ্ট উপভোগ করল।এত বছর পরে অজান্তেই দেখা হয়ে গেল তুহিনের পাতার সাথে এই ওয়েটিং রুমে।যা তারা দুজনে জীবনে কখনো আশাও করেনি।কিন্তু ভাগ্যচক্রে তাদের দেখা হয়ে গেল।
-
গল্প
মনের উঠোনে রোদপুলক আরাফাতবিল্লাল ছোটবেলা থেকেই ভালো ছাত্র ছিল। খুব ভালো আঁকাআঁকিও করতে পারতো। বিল্লালের বাবা ছিলেন জেলা প্রশাসনে কর্মরত। নটরডেম কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করে বিল্লাল ভর্তি হয় একটি বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজে। ওর বাবা-মা’র ইচ্ছেই ছিল ডাক্তারি পড়াবে। সরকারি মেডিক্যালে অল্পের জন্য সুযোগ পায়নি। ডাক্তারি পড়ার সময় থেকেই বিল্লাল কিছু কিছু বিষয় নিয়ে ভাবতে শুরু করে।
-
গল্প
টানমোঃ মোখলেছুর রহমানএকদিন হঠাৎ গ্রামে নতুন হট্টোগোল শুরু হলো। আইজুদের বাড়ির সম্মুখ রাস্তা দিয়ে একদল নতুন মানুষকে যেতে দেখা গেল, সুন্দর পা তুলে পা মিলিয়ে যাচ্ছে তারা। গায়ে ফিটফাট পোষাক ; দেখতে ভালই লাগল আইজুর।কাঁধে নাকি ওটা বন্দুক পরে বাবার কাছে জেনেছিল আইজু। মাঝে মাঝে ওদের গাড়ীতে গরু ছাগল দেখে অবাক হয়েছিল,তারও উঠতে মন চাইতো।
-
গল্প
প্রহরীMD. MOHIDUR RAHMANশীতের আয়োজন চলছে চারে দিকে। রাস্তার মোরে ছোট চুলা নিয়ে ভাপা পিঠার দোকান বসেছে। বাজারে খেজুরের গুড় আসতে শুরু করেছে, খেজুর গুড়ের পিঠার নানান রেসিপি অনলাইনে, সাথে ভেজাল খেজুরের গুড়ের খবরও আছে । খেজুরের গাছ নাই, রস নাই, কিন্তু বাজারে গুড়ের অভাব নাই।
জানুয়ারী ২০২০ সংখ্যা
আগামী সংখ্যার বিষয়
গল্পের বিষয় "মাতৃভাষা”
কবিতার বিষয় "মাতৃভাষা”
লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৫ জানুয়ারী,২০২৬
এ যাবত
প্রতি মাসেই পুরস্কার
লেখা প্রতিযোগিতায় আপনিও লিখুন
-
প্রথম পুরস্কার ১৫০০ টাকার প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র। -
দ্বিতীয় পুরস্কার ১০০০ টাকার প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র। -
তৃতীয় পুরস্কার সনদপত্র।
