হন হন করে হেটে গলিটা পার হয়ে গেলো রন। ওর চোখ দুটো ঢাকা আছে কালো রং এর আইভাইস* এ। এটি একটি ডিভাইস যা তার করোটির সাথে স্থায়ী ভাবে লাগানো আছে। মস্তিষ্কের টেম্পোরাল নামে যে হাড় রয়েছে সেটার সাথে সংযুক্ত।
বাংলা অন্ধের গল্প কি? বাংলা অন্ধের গল্প সম্পর্কে জানতে হলে, জানা প্রয়োজন অন্ধ কি? অন্ধ কে অভিধানে খুঁজতে গেলে পাওয়া যায়: দৃষ্টিহীন, গাঢ় অন্ধকারময়, অজ্ঞান। কিন্তু 'অন্ধ' অর্থ কি এর মধ্যে সীমাবদ্ধ? চোখে কিছু না দেখাকে অন্ধত্ব বলে। অনেকে চোখ থাকা পরেও মোহে অন্ধ হয়, অন্ধ হয় ভালোবাসায় কিংবা স্নেহে। বলা হয়, যার মধ্যে অন্ধকার থাকে সে কখনো আলো নিয়ে খেলতে পারে না। অন্ধ সমাজ কিংবা রাষ্ট্র ব্যবস্থায় সৃষ্টি করে নানা বঞ্চনা আর শোষণের গল্প। সমাজকে অন্ধকার থেকে আলোর পথে আনতেও লেখা হয়েছে গল্প। গল্পকবিতা ডট কমের গল্পের বিশাল সম্ভারে রয়েছে দুই বাংলার নবীন প্রবীণ লেখকদের লেখা বাংলা অন্ধের গল্প - যা, পাঠকের মন ছুঁয়ে যায়।
-
গল্প
আলো রনহাবিব রহমানঅন্ধ, মার্চ ২০১৮ -
গল্প
সহযাত্রিএস, এম, সালাহউদ্দীনঅন্ধ, মার্চ ২০১৮আমার সিট নম্বর মিলাতে গিয়ে তরুণীটিকে দেখে চমকে উঠলাম ! এত সুন্দর কোন মানুষ হতে পারে ভাবতেও পারিনি ! আমি একজন ডাক্তার। মেয়েটাকে দেখে আমি আমার আসন নম্বর দেখার কথা ভুলে গেলাম।
-
গল্প
আলোবালোক মুসাফিরঅন্ধ, মার্চ ২০১৮এইতো সেই দিনের কথা। সে দিনের সেই ছোট্ট আলো দেখতে দেখতে আজ ষোলতে পা দিয়েছে।আলো সময়ের সাথে সাথে হয়ে উঠেছে অবিশ্বাস্য পরিপূর্ণ সুঠাম দেহের অধিকারী।
-
গল্প
পরশMahbubur Rahman Heruঅন্ধ, মার্চ ২০১৮টেবিলের ওপর এক রহস্যমানবী বসে আছে। দেখতে ভালই সুন্দর। কপালে একটি টিপ আছে। লালটিপ। পরনে লাল শাড়ি। খোঁপা বেঁধেছে চুলে। চুলগুলো বেশ বড় মনে হচ্ছে। মনে হচ্ছে হাঁটু পর্যন্ত। টানা টানা বড় বড় চোখগুলোতে কাজল মেখেছে।
-
গল্প
অমানিশার অন্তরালেসেলিনা ইসলাম N/Aঅন্ধ, মার্চ ২০১৮কী কর? চমকে উঠে মিতি! কথাটা কানে আসতেই তাড়াতাড়ি কম্পিউটার বন্ধ করে দেয়। দরজা খুলে রাজু যে কখন এসেছে মিতি টেরই পায়নি! উফঃ আর একটু হলেই মিতি আজ ধরা খেয়ে যেত। ভাগ্যিস রাজু দেখেনি মিতি কম্পিউটারে কী করছিল।রাজু কিছুই বুঝে পায় না কেন মিতি চমকে গিয়ে কম্পিউটার বন্ধ করে দিয়েছে!
-
গল্প
বঞ্চিতমোঃ মইদুল ইসলামঅন্ধ, মার্চ ২০১৮টমেটোর জমিতে নিড়ানী দিচ্ছিল জিল্লু মিয়া। বাড়ির পেছনেই তার কাঠা পাঁচেক জমিতে এবার খুব ভালো টমেটো হয়েছে। হঠাৎ পাড়ার দিক থেকে একটা ছেলে দৌড়ে এসে খবর দিল জিল্লু মিয়াকে।
-“চাচা তাড়াতাড়ি বাড়িতে যান- দ্যাখেনগা কি হয়েছে বাড়িতে।” -
গল্প
অন্ধ জনে দেহ আলোএস জামান হুসাইনঅন্ধ, মার্চ ২০১৮ছায়া ঢাকা, পাখি ডাকা মায়াবী এক গ্রাম ঢাকেরকান্দা। কিচিরমিচির পাখির ডাকে ঘুম ভেঙে যায় গ্রামবাসীর। সকালের ঝিলিমিলি সূর্যের আলো স্নান করিয়ে দেয় সকলকে। এই গ্রামে শিক্ষার আলো বলতে তেমন কোন আলো পরে নাই। বিদ্যুতের আলোতো আরও অনেক পরের কথা।
-
গল্প
“অন্ধত্ব প্রেম”নয়ন আহমেদঅন্ধ, মার্চ ২০১৮আজ শেষ বিকেলের চৈতের হাওয়াটা আমার কাছে বিলাসিতা লাগছে কেন? শুধু না পাওয়া ব্যাথা যন্ত্রনা কষ্টে ভরা এ জিবন আমার ধুধু মরুভূমি। আচ্ছা তোমার জন্য এই আমিটা হয়তো কিছুই করতে পারিনি?
-
গল্প
বিশ্বাসসুস্মিতা সরকার মৈত্রঅন্ধ, মার্চ ২০১৮আমি মনে হয় সবথেকে বেশি অবাক হয়েছিলাম যেদিন সৌমিদের নতুন ফ্ল্যাটে গৃহপ্রবেশে সত্যনারায়ণ পুজো ছিল। কয়েকজন বন্ধু মিলে গিয়েছিলাম। সবাই প্রণাম করে প্রসাদ খেলাম। তুলনা কপালে হাত ঠেকিয়ে প্রণামও করল না, প্রসাদও খেল না। বলল সিন্নি খেতে ওর নাকি কেমন যেন লাগে। ঠিক সেই সময়ই লাগল সুমিতের সঙ্গে জয়শ্রীর এক ধাক্কা।
-
গল্প
হিজিবিজি খাতাJamal Uddin Ahmedঅন্ধ, মার্চ ২০১৮দোকানের শাটার ফেলে তালা লাগিয়ে চাবির গোছা জব্বার চাচার হাতে তুলে দিল লিটু। তারপর ‘তাইলে যাই’ কথাটা সে অভ্যাসমত বললো ঠিকই, কিন্তু হাঁটা ধরলো না।
-
গল্প
অনু।Gazi Hayder Samiঅন্ধ, মার্চ ২০১৮দুহাত দিয়ে মুখটা ঢেকে ফেললাম। এরপর যখন আবার তাকালাম তারপর যা দেখলাম তার জন্য একে বারেই প্রস্তুত ছিলাম না।
চলে যাচ্ছে আমার অনু, -
গল্প
কানার হাট-বাজারসুমন আফ্রীঅন্ধ, মার্চ ২০১৮ওসি সাহেব হুঙ্কার মেরে আমাকে বললেন, কোনো প্রমাণ আছে আপনার কাছে? কি সব দুই নাম্বারি কথা বলছেন?? যথেষ্ট হয়েছে!
-
গল্প
হারানো চিঠিকারিমুল ইসলামঅন্ধ, মার্চ ২০১৮রিমি আর সিমি। দুইবোন। রোমাঞ্চটা যেখানে সেটা হল তারা যমজ, চেহারার সাথে এমন মিল যে খুব সহজে ধরা যায়না কে রিমি
আর কে সিমি। নিখিলের কেউ নেই চাচা চাচি ছাড়া। নিখিল আর রিমির প্রেমটা হয়েছিল অদ্ভুতভাবে। -
গল্প
চোখের আলোয় দেখেছিলেম!রীতা রায় মিঠুঅন্ধ, মার্চ ২০১৮আজ কলিং বেল একবার টিপতেই শরিফা খালা দরজা খুলে দিল। অবাক হওয়ার ভঙ্গি করে অরুণা বলল, কী ব্যাপার খালা, আজ যে বেল টিপতেই দরজা খুলে দিলেন! আপনি কি দরজার পাশেই ছিলেন!
-
গল্প
দৃষ্টিকাননমৌরি হক দোলাঅন্ধ, মার্চ ২০১৮অসম্ভব সুন্দরভাবে নেচে চলেছে ‘দৃষ্টিকানন’ এর একাংশ। অসাধারণ বললেও কম বলা হয়ে যাবে। দর্শক সারির সবাই বিমোহিত হয়ে তাদের নাচ দেখছেন। মোটামুটি সবার চোখেমুখেই সন্তুষ্টির উপস্থিতি সুস্পষ্ট। একটু বেশি সন্তুষ্টি যার চোখেমুখে স্পষ্ট ছাপ ফেলেছে, সে প্রীতম।
আগামী সংখ্যার বিষয়
লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৫ মার্চ,২০২৬
এ যাবত
