মুহুর্তের শেষে

ভূমিকম্প (জানুয়ারী ২০২৬)

মেহেদী মারুফ
  • ১২১
১.
স্ট্যাটিসটিকস এর ক্লাস চলছে। পেছন থেকে রবিন আর মোহাইব দুজনে ছোট ছোট চিরকুট লিখে চালাচালি করছে মেয়েদের দিকে। ওইদিকে বসা তমা আর প্রিয়তা। তমা ওদের চিরকুটগুলো নিয়ে খুলে পড়ছে আর প্রিয়তাকে দেখাচ্ছে। প্রিয়তা কেমন যেন বিরক্তিভাব নিয়ে তমাকে এসব করতে না করছে। স্যার এগুলো খেয়াল করছেন কিনা জানিনা। তবে আমি খুব ভালোভাবেই দেখছি।

মোহাইব লিখছে। রবিন ভাঁজ করে ছুড়ে দিচ্ছে প্রিয়তার দিকে। আর তমা সেটা পড়ছে। প্রিয়তা বিরক্ত হওয়ার পরেও ওদেরকে কিছু বলতে পারছে না। আমি দাঁড়িয়ে স্যারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বললাম, "স্যার, কাইন্ডলি এইদিকে একটু লক্ষ্য করুন। রবিন আর মোহাইবের জন্য ক্লাসে ডিস্টার্ব হচ্ছে।" ওই মুহুর্তে তমা চিরকুট পড়ে বত্রিশপাটি দাঁত বের করে হাসছিলো। স্যারের চোখের নজরে চারজনই ক্যাপচারড হয়ে গেলো। স্যার ওদের চারজনকে ধমক দিয়ে ক্লাস থেকে বের করে দিলেন।

বের হওয়ার সময় প্রিয়তা আমার দিকে প্রচন্ড রাগ নিয়ে এক নজর তাকিয়ে চলে গেলো। আমি তো পুরো হতভম্ব, যাহ শালা! যাকে বিরক্তির হাত থেকে বাঁচাতে গেলাম। অবশেষে তারই বিরক্তির কারণ হয়ে দাড়ালাম। প্রিয়তা আগে থেকেই আমাকে খুব একটা পছন্দ করতো না। কেন করতো না, সেটা আমি আজ অবধি আবিষ্কার করতে পারিনি। ওর জন্য ভালো কিছু করতে গেলেই ওর চোখে ভিলেন যাই।

এই তো কিছুদিন আগেও একবার লাইব্রেরিতে, প্রিয়তা বেঞ্চ থেকে উঠে বের হতে গিয়ে নিজের স্যান্ডেলে পায়ের ব্যালেন্স রাখতে না পেরে পড়ে যাচ্ছিলো। ঠিক সেই মুহুর্তেই আমি ওই পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম। ব্যস! সুযোগটা কাজে লেগে গেলো। ওর পড়ে যাওয়া ঠেকাতে ওর কোমর জড়িয়ে ধরতে হয়েছিলো। আর তাতেই অগ্নিমূর্তি চোখে আমাকে বেশ কয়েকটা কথা শুনিয়ে দিলো কয়েকজনের ভেতরে। সবাই আমার দিকে সার্কাস দেখার মত তাকিয়ে ছিলো।

২.
যাই হোক, স্ট্যাটিসটিকস ক্লাস শেষে বের হচ্ছি.. ঠিক তখন মোহাইব আমার কলার টেনে পাশের ফাঁকা ক্লাসরুমে ঢুকে গেলো। সেখানে রবিনসহ আরও দুই তিনজন ছিলো। যারা আমার জুনিয়র। কিছু বলার আগেই ওরা সবাই আমার ওপর ঝাপিয়ে পড়ে কিল-ঘুষি-লাথি মারতে শুরু করে দিলো। আমি নিজেকে রক্ষার চেষ্টা করলেও কোনভাবেই ওদের সাথে পেরে উঠলাম না। রবিন বললো, "থাক হয়েছে। এবার ছাড়, চল।"
সবাই রুম থেকে প্রস্থান করলো।

আমি রক্তাক্ত অবস্থায় বাইরে এসে দাড়ালাম। দেখলাম প্রিয়তা আর তমা কি যেন কথা বলছে। আমি ওদের কাছে গিয়ে দাড়াতেই প্রিয়তা আমার আভাস পেয়ে চলে গেলো। যাওয়ার সময়, "কিরে তমা? চল।" ও আমার দিকে তাকায়নি। তমা তখন আমাকে লক্ষ্য করে বললো, "ইশ! এ কি অবস্থা তোমার? কিভাবে হলো?
--" রবিনদের প্লান তুমি জানতে না?"
--"ওরা কিসের প্লান করেছে?"
--"আমাকে মারার।"
--"শোনো, কথা না বাড়িয়ে মেডিকেলে চলো।"
তমা আমাকে সাথে করে মেডিকেলে নিয়ে গেলো।

এরপর শরীরের ব্যথায় কয়েকদিন ভার্সিটিতে যাওয়া বন্ধ ছিলো আমার। ফাইনাল সেমিস্টারের এক্সামও আর কয়েকদিন বাকি। এই সময়ে পড়াশোনা একেবারেই গোল্লায় চলে গেলো। আমি জানি, রবিন প্রিয়তাকে পছন্দ করে। কিন্তু প্রিয়তার খুব সম্ভবত অন্য কোথাও সম্পর্ক আছে অথবা প্রেমের ব্যাপারে এলার্জি আছে। কিন্তু তমা আবার গা-ঘেষা টাইপের মেয়ে। ওর সাথে যে কেউ মুহুর্তেই প্রেমে জমে যেতে পারে। তবে প্রিয়তার আমাকে অপছন্দ করার ব্যাপারটা আমি এখন বেশ উপভোগ করি। আমি ওর কাছে অটোমেটিক ভিলেন। যদিও ও আমার কাছে হেরোইন। কেন যেন বেশ ভাল্লাগে ওকে!!

৩.
বেশ কিছুটা সুস্থ হওয়ার পর ভার্সিটিতে গেলাম। কেমন যেন অচেনা লাগছিলো সবকিছু। ক্লাসের দেরি দেখে লাইব্রেরিতে গিয়ে বসলাম। আমি পড়াশোনায় বরাবরই টপ টেন স্টুডেন্ট। ক্লাসে মনোযোগী। মাঝে মাঝে লাইব্রেরিতে সময় দিই। আর সুযোগ পেলে প্রিয়তাকে নজরবন্দি করি। আমার ঠিক তিন টেবিল সামনেই প্রিয়তাকে দেখলাম কি যেন একটা বই নিয়ে বেশ মনোযোগ দিয়ে পড়ছে। এই বিশাল লাইব্রেরির মধ্যে এতগুলো স্টুডেন্ট। অথচ ওর সৌন্দর্যের ধারের কাছেও নেই কেউ।

আমি রবার্ট হ্যারিসের লেখা একটা বই নিয়ে পাতা উল্টাচ্ছি। ঠিক ওই মুহুর্তে মাথার মধ্যে ঘুরপাক খেতে লাগলো। আমি নিজেকে কোনভাবেই যেন ব্যালেন্স করতে পারছি না। এমন সময় সবাই দেখি ছুটে লাইব্রেরি থেকে বের হয়ে যাচ্ছে। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে সবাই হাওয়া হয়ে গেলো। ফ্লোরে প্রিয়তা পড়ে আছে। আমি দৌড়ে ওকে তুলতে গেলে ও বললো, "আমাকে ধরতে হবে না। তুমি যাও।"
ওই মুহুর্তে আবার ঝাঁকুনি। আমি ওর হাত জোর করে টেনে একটা টেবিলের নিচে গিয়ে আশ্রয় নিলাম৷ আর ঠিক তখন বিকট একটা আওয়াজ হলো।

লাইব্রেরির দোতলা ভবনটা ভেঙ্গে পড়েছে। আমি আর প্রিয়তা টেবিলের নিচে। চারপাশ অন্ধকার! আমি ফোনের টর্চটা জ্বালিয়ে দিলাম। প্রিয়তা ভয়ে কাঁপছে। ওর হাটুর নিচের বেশ কিছুটা অংশ দিয়ে রক্ত পড়ছে। আমি হাত দিয়ে ওর কাটা জায়গাটা চেপে ধরলাম। ও কিছু বললো না। আমার আরেকটু কাছে সরে আসলো। বাইরে কি হচ্ছে কে জানে! ফোনে নেটওয়ার্ক নেই। এখন মনোবল ধরে রাখা ছাড়া আর কোন উপায় নেই।

প্রিয়তাকে প্রশ্ন করলাম, "খুব বেশি ভয় পেয়েছো?"
ওর ঠোঁট তখনও কাঁপছে।
--"বের হবো কিভাবে এখান থেকে?" ও আমাকে পাল্টা প্রশ্ন করলো।
--"বুঝতে পারছি না বাইরে সবাই কি করছে? ফোনে নেটওয়ার্ক নেই।"
--"তাহলে এভাবে কতক্ষণ থাকতে হবে?"
--"কি জানি? হয়তো আজীবন! নয়তো কয়েক মুহূর্ত!"
--"কি সব বলছো এসব?"
--"তুমি তো আমাকে মোটেই পছন্দ করো না।"
--"পছন্দ করার মত কি করেছো তুমি? তবে ভূমিকম্পের সময় তো তুমি চাইলেও লাইব্রেরির বাইরে বেরিয়ে যেতে পারতে। আমার জন্য যেতে পারলে না। আমি তোমাকে বলেছিলাম তো চলে যেতে।"
--"সে তুমি আমাকে মেরে ফেললেও আমি তোমাকে রেখে যেতাম না।"
--"মোহাইব আর রবিনও ছিলো লাইব্রেরিতে। ওরা ভূমিকম্পের সময়ই পালিয়ে গেছে। আমি ভেবেছিলাম তুমিও..!"
--"আচ্ছা শোনো, লাইব্রেরির ছাদ ভেঙে পড়েছে। এই টেবিলের নিচের এতটুকু জায়গা ছাড়া আমাদের আপাতত কোন উপায় নেই। রেস্কিউ টিম এসেছে কিনা..! তবে ভয় পেয়ো না। যতক্ষণ বেঁচে আছি। তোমার সাথেই থাকবো, কথা দিলাম।"

৪.
কখন ঘুমিয়ে পড়েছি টের পাইনি। ঘুম ভেঙে বুঝতে পারলাম প্রিয়তাও আমার বুকের ওপর মাথা রেখে ঘুমিয়ে গেছে। একহাতে ফোনটা বের করে আলো জ্বালিয়ে দেখলাম, কি আশ্চর্য! সন্ধ্যা সাতটা বাজে। এদিকে চার্জ আছে মাত্র ১০%। কি করবো ভেবে পাচ্ছি না। প্রিয়তা একটু নড়েচড়ে উঠলো। আমার বুকের ওপর শুয়ে আছে বুঝতে পেরে তাড়াতাড়ি উঠে বললো, "সরি আশিক! কখন ঘুমিয়ে পড়েছি বুঝতে পারিনি। তুমিও তো আমাকে ডাকতে পারতে।
--" সন্ধ্যা সাতটা বেজে গেছে।"
--"কি বলো??"
--"হ্যাঁ, তোমার ফোনে দেখো চার্জ আছে কিনা।"
--"আমার ফোনতো তখনই লাইব্রেরির ভেতরে পড়ে গিয়েছিলো। শোনো, এখন প্রচন্ড ক্ষিদে পেয়েছে আমার।"
ওর ক্ষিদের কথা শুনে আমার পকেট হাতড়িয়ে একটা ক্যান্ডি আর কয়েকটা পুরোনো বাদাম পেলাম। ওগুলো বের করে প্রিয়তার হাতে দিয়ে বললাম, "আপাতত এগুলো খাও। ম্যান ভার্সেস ওয়াইল্ডের মত পরিস্থিতি হবে কে জানতো!"
--"তুমি না খেয়ে..।"
--"আমার ক্ষিদে নেই।"
--"মিথ্যা বলছো।"
--"সত্য মিথ্যা বিবেচনা করে লাভ নেই এখন। আর ওই জিনিস দুজন ভাগ করে খেলেও কোন কাজ হবে না। তার চেয়ে ভালো তুমি খাও।"

৫.
একটা সময় আমার ফোনের সুইচ অফ হয়ে গেলো। প্রিয়তা শক্ত করে আমার হাত ধরে বললো, "এখন কি করবো?"
--"সত্যিই মনে হচ্ছে আমরা দুজন এর মধ্যেই মারা পড়বো।"
--"তুমি তখন চলে গেলেই ভালো করতে। আমার জন্য মরতে হতো না।"
--"না মরলেও কি খুব একটা ভালো থাকতাম? আর তুমি একা এখানে কি করতে? তার চেয়ে বরং তোমার সাথে এই কঠিন মুহুর্তে আছি, এটা আমার কাছে অনেক বড় কিছু। যদি বেঁচে ফিরি। তবে এই সময়টা আমার জন্য জীবনের শ্রেষ্ঠ সময় হবে!"
--"ভালোবাসো আমাকে?"
--"সেটা তুমি আরও আগেই বুঝেছো আমি জানি। আর ভালোবাসি বলেই তো এই মৃত্যুদুয়ারে দাঁড়িয়েও আমি ভয়হীন।"
প্রিয়তা সেই নিরব অন্ধকারকে সাক্ষী রেখে আমাকে জড়িয়ে ধরলো। আর আমি তার কপালে ঠোঁট স্পর্শ করলাম।

আমাদের সময় যেন ধীরে ধীরে ফুরিয়ে আসছে। চোখে তীব্র ক্লান্তি। শরীরে কোন শক্তি নেই। প্রিয়তা অসাড় দেহে আমার ওপরে পড়ে আছে। কারও কোন অনুভূতি নেই। কিছুক্ষণ আগের ভালোবাসাটাও যেন আমাদের ছেড়ে পালিয়ে গেছে। আমি প্রিয়তার চুলের মধ্যে হাত দিয়ে ওকে আস্তে করে তোলার চেষ্টা করে ব্যর্থ হলাম। কোন সাড়াশব্দ নেই। আমারও এদিকে হাত পা অচল হয়ে আসছে।

একটা সময় পুরো অন্ধকারে আমার চোখের পাতা ছেয়ে গেলো। হয়তো এখানেই শেষ। হয়তো আমাদের আর এই জনমে দেখা হবে না। তবে আমি জীবনের শেষ সময়ে ওর ভালোবাসা পেয়েছি। এমনকি খুব কাছাকাছি থেকে জীবনের শেষ মুহুর্ত কাটিয়ে দিতে পেরেছি..


৬.
ধীরে ধীরে আবার যেন চোখে আলো ফিরে এলো। কানের মধ্যে ধুপধাপ আওয়াজ। মাথা প্রচন্ড ভারি, মনে হচ্ছে কে যেন ৫০০ লিটার পানি ভরে দিয়েছে মাথার ভেতরে। আমি পুরোপুরি জ্ঞান ফেরার পরে বুঝতে পারলাম এটা হাসপাতাল। এক ন্যানো সেকেন্ডে সবকিছু মনে পড়তেই বলে উঠলাম, "প্রিয়তা কোথায়?"
নার্স বললো, "উনি পাশের কেবিনেই আছেন। এখন কিছুটা সুস্থ। স্যালাইন চলছে। আর আপনি এখন পুরোপুরি আশঙ্কামুক্ত। চাইলে উনাকে দেখে আসতে পারেন।"

আমি উঠেই দ্রুত ছুটে গেলাম প্রিয়তার কেবিনে। ভেতরে ঢুকতে দাঁড়িয়ে গেলাম দরজায়। ওর পাশে ওর বাবা-মা। প্রিয়তার পাশে তমাও বসে আছে। আমি সরে আসতে গেলে প্রিয়তা আমাকে ডাকলো। আমি ভেতরে ঢুকে ওর বাবা মাকে সালাম জানালাম। তারপর তমার থেকে জানতে পারলাম সেদিন ভার্সিটির একটা ভবন ভূমিকম্পে পুরো ধ্বসে পড়েছে, লাইব্রেরির সামনে যেই ভবনটা ছিলো। যারা লাইব্রেরি থেকে বের হয়ে গিয়েছিলো, তারা সবাই সেই ভবনের নিচে চাপা পড়ে মারা গেছে। এমনকি মোহাইব আর রবিনও। শুধুমাত্র আমি আর প্রিয়তা ভাগ্যজোরে মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে ফিরেছি। আর তমা সেদিন ভার্সিটিতে যায়নি বলে ওরও ভাগ্য সহায় ছিলো। প্রিয়তার বাবা মা জানালো, আমরা ধ্বসে যাওয়া লাইব্রেরির নিচে নাকি ৪৫ ঘন্টার মত আটকে ছিলাম! সবাই ভেবেছিলো, আমরাও ধ্বসে যাওয়া ভবনে চাপা পড়ে মারা গেছি। এরপর রেস্কিউ টিম আমাদেরকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে।

সাক্ষাৎ শেষে আমি বের হয়ে আসছিলাম। প্রিয়তা আমাকে বললো, "আশিক, তুমি না কথা দিয়েছিলে?"
আমি ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে প্রিয়তার বাবা মায়ের দিকে একবার তাকিয়ে তারপর বললাম, " কি কথা?"
--"এর মধ্যেই ভুলে গেলে? যতক্ষণ বেঁচে আছো, আমার সাথেই থাকবে! তাহলে এখন চলে যাচ্ছো কেন?"
আমি মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছি। প্রিয়তা আবার বললো, "বাবা মা সবকিছু জানে। এই ব্যাপারে উনাদের কোন আপত্তি নেই!
আমি মনে মনে বললাম, "শুধুমাত্র একটা ভূমিকম্প আমার ভাঙা জীবনটাকে এত সুন্দরভাবে জুড়ে দিয়েছে।"
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
মোঃ মাইদুল সরকার হ্যাপি এন্ডিং। গত মাসে লম্বা ছুটি পেয়ে ফেমিলি নিয়ে গ্রামে গিয়েছিলাম। তাই গল্প আর লিখতে পারিনি এ সংখ্যার জন্য শুধু কোনমতে মোবাইলে একটা কবিতা লিখেছি। আপনার গল্প পড়ে বেশ ভালোলাগলো।
বরাবরই আমার লেখায় আপনার মূল্যবান মন্তব্য পাই। বেশ ভালোই লাগে। এবার আপনার লেখা গল্পও আমিও খুঁজেছিলাম। না পাওয়ার কারণ তাহলে এটাই ছিলো?? যাই হোক, আগামী সংখ্যা থেকে আপনার লেখা গল্প পাবো আশাকরি।
ফয়জুল মহী অসাধারণ অনুভূতির অনন্য , মনোমুগ্ধকর উপস্থাপন। চমৎকার লিখন শৈলী পাঠে একরাশ মুগ্ধতা। অনিন্দ্য সুন্দর শব্দ চয়নে নান্দনিক বহিঃপ্রকাশ। অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল। অভিনন্দন ও শুভ কামনা নিরন্তর।
অসংখ্য ধন্যবাদ প্রিয় কবি ভাই। ভালোবাসা গ্রহণ করবেন। ❤️
মাহাবুব হাসান ভবন-ভাঙা জীবন-গড়া ভূমিকম্প। দুজনের বেঁচে ফেরাতেই স্বস্তি। সুন্দর গল্প!
দীর্ঘ সময় নিয়ে গল্পটা পড়ে মুল্যবান মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ মাহাবুব ভাই। আমি বরাবই আপনার লেখার ফ্যান।
সাদিয়া আক্তার রিমি এক কথায় অসাধারণ, অপূর্ব। গল্পটা পড়ে একমুহূর্তের জন্য মনে হলো এমনি করে যদি আল্লাহ আমার ভাঙা জীবনটাকেও সুন্দরভাবে জুড়ে দিতো কারও সাথে তাহলে কতই না ভালো হতো!!
আশা রাখুন, আর আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করুন। তিনি চাইলে সবকিছু সম্ভব। আপনার মূল্যবান সময় নষ্ট করে গল্পটা পড়ার জন্য অশেষ ধন্যবাদ। ????

লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

একটা ভূমিকম্পে আশিকের জীবনটা বদলে যায়। যেই মানুষটা তাকে একদমই পছন্দ করতো না। সে এই ভূমিকম্পের পরে তাকে প্রচন্ড ভালোবেসে ফেলে।

১১ মে - ২০২৫ গল্প/কবিতা: ১২ টি

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।

প্রতি মাসেই পুরস্কার

বিচারক ও পাঠকদের ভোটে সেরা ৩টি গল্প ও ৩টি কবিতা পুরস্কার পাবে।

লেখা প্রতিযোগিতায় আপনিও লিখুন

  • প্রথম পুরস্কার ১৫০০ টাকার প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র।
  • দ্বিতীয় পুরস্কার ১০০০ টাকার প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র।
  • তৃতীয় পুরস্কার সনদপত্র।

আগামী সংখ্যার বিষয়

গল্পের বিষয় "মাতৃভাষা”
কবিতার বিষয় "মাতৃভাষা”
লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৫ জানুয়ারী,২০২৬