দুঃখে মোদের জীবন গড়া কষ্টে মোরা চলিসুখের লাগিয়া মোরা, সুখীদের কথা বলি।মনের মধ্যেই সুখ আছে বুঝতে যারা পারেতারাই প্রকৃত সুখী, কষ্ট তাদের নাইরে।
খোকা বিশ্বাস কর তোকে এত সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে দিতে পেরে আমি খুবই গর্বিত। খোকা আজ আমার অন্ধকারে ভয় করে না,ভয় করে না আর রক্ত দেখে। আজ আমি সব কিছুতেই মানিয়ে নিতে পারি। জানি তোর বাড়িতে আলোর কোনও অভাব নেই।
ধ্রুব ধীরলয়ে হাঁটছে। একা । রাত এগারটা। ধানমণ্ডি লেকের পাড়। কারণ অকারণ কিছু একটা অবশ্যই আছে, তবুও বুঝতে পারছে না কেন সে নির্বোধের মত হাঁটছে। এপার্টমেন্ট বিল্ডিং-এর সিকিউরিটি গার্ড নিষেধ করেছিল, ‘ভাইয়া, পুলিশ আছে রাস্তায়। ঝামেলা হইতে পারে।’
রতন মিয়ার সংসারের অবস্থা বেহাল। তার সব স্বপ্ন এক ঝড়েই শেষ। কি করবে এখন রতন মিয়া? কীভাবে বেঁচে থাকবে সমাজে? তার চোখেমুখে অসহায়ত্বের প্রতিচ্ছবি।
দুই দুইটা সরকারী হাসপাতালে গিয়েও কোন লাভ হলো না। এত করে রতনের বাবা বোঝাতে চাইলো যে এটা তার ছেলের পুরনো রোগ। করোনার উপসর্গ হলেও করোনা না। কষ্ট হলেও রতন নিজে কথা বলে বোঝাতে চেয়েছে তার এটা অন্য রোগ। এমনকি পূর্বের চিকিৎসার কাগজ পত্র দেখানোর চেষ্টা করেছে।
ঘোমটা দিছে বিশ্ববাসি ঢাকতে নিজের দুঃখ।কেমন করে দেখাবে সে তার পাপি মুখ।সভ্যতাকে করতে ধারন পশুর আচরন!আসলটাকে বন্ধিকরে নকল জাগরন।
অসহায় চোখের তাকানো দেখলে কলিজা শুকিয়ে যায়,পরনির্ভরশীল আগাছা আজ!শরীরের উপর নিয়ন্ত্রণহারা মানুষগুলোর প্রয়োজনীয়তা ফুরিয়েছে,এবার তবে অপেক্ষা, শেষ খেয়া ধরার আশে মুহুর্ত গুনা।
অসহায় হরিণের মতো বাঘের মুখে স্থির, দিন-রাত যেমন ছিল তেমনি আছে অধীর সুদিনের হাতছানি মাঝে মাঝে চোখে ভাসেপরক্ষণেই বিদ্যুৎ ঝলকানি হৃদয় আকাশেভাবি, সব বুঝি স্মৃতিভ্রম; জারি নষ্ট কাব্যমানুষের পৃথিবীতে আজ মানুষ অসহায়।
Allowed types: jpg, jpeg, png