এখন সে রেললাইনে ট্রেনের সামনে দাড়িয়ে ভাবে আমার জন্ম এমন দেশে এখানে কেউ পড়ে গেলে তাকে সাহায্য করার হাত নেই বরং তাকে দেখে উপহাস করার মানুষের অভাব নেই।
তোমার জন্যি আমি ঘর ছাড়ছিলাম। তোমার সাথে করি যাব বহুদুর, তোমারে কবুল কইয়া দিছিলাম অন্তর। ঠিক যতখানি আকড়াইয়া ধরছিলা তুমি আমার শরীরডারে তারচাইতেও অনেক বেশী অনুভব করছিলাম তোমারে, আমার কলিজার ভিতর।
আমার শরীরটা ভীষণ খারাপ। কাশিটা ভীষণ জ্বালাচ্ছে! সেই সাথে হাঁচি! কিছুটা জ্বর জ্বরও লাগছে। চুপচাপ বসে ছিলাম। আমার থেকে কিছুটা দূরত্বে বসে নয়ন পেপার মুখস্ত করছে! হ্যাঁ মুখস্তই তো করছে! একেবারে পেপারের ভীতর যেন ঢুকে গেছে! মনে হচ্ছে ভ্যানিস হতে বাকি!
প্রাচীনকালে এক যোগী ছিলেন । তিনি এক গভীর বনে আশ্রম বানিয়ে ঈশ্বরের আরাধনা করতেন। সেই যোগী যখন ভগবানের মহিমা কীর্তন করতেন সে সময় একটি ইঁদুর চুপটি করে বসে অত্যন্ত ভক্তিসহকারে সেই কথা শুনত। সেই যোগী ইঁদুরটির উপর অত্যন্ত প্রসন্ন ছিলেন ও নিজের আনা ফলমূল, ছোলা ইত্যাদি ইঁদুরটিকে দিতেন।
ধ্রুব ধীরলয়ে হাঁটছে। একা । রাত এগারটা। ধানমণ্ডি লেকের পাড়। কারণ অকারণ কিছু একটা অবশ্যই আছে, তবুও বুঝতে পারছে না কেন সে নির্বোধের মত হাঁটছে। এপার্টমেন্ট বিল্ডিং-এর সিকিউরিটি গার্ড নিষেধ করেছিল, ‘ভাইয়া, পুলিশ আছে রাস্তায়। ঝামেলা হইতে পারে।’
আসাদ সাহেব আজকে অসময়ে বাড়ি এসেই অকারণে চিতকার চেঁচামেচি করে যাচ্ছেন। ফেরার সময় তিনি এক ভিক্ষুকের সাথে রাগারাগি করে আসলেন। পিত্তথলিতে তিনটা পাথর হওয়ার কাহীনি শুনার পর ৫ টাকার একটা ছেঁড়া নোট বের করে দিলেন। ভিক্ষুক ডাক দিয়ে বলল, স্যার, আপনোর টেকা আপনেই লইয়া যান।
Allowed types: jpg, jpeg, png