চারদিকে হৈ-হুলোড়, ছোট ছোট বাচ্চাদের আনন্দঘন চেঁচামেচি। বড়রাও ব্যস্ত নানা কাজে। বাড়ীর উঠোনে প্যান্ডেল সাজাতে ব্যস্ত ডেকোরেশনের কর্মীরা। তারা রাত-দিন কাজ করছে। ডেকোরেশনের এক কর্মী সাবরিনের আব্বাকে বলে, আঙ্কেল পিয়ারা গাছের বড় ঢালডা কাইটা ফেলতে হইব-নইলে প্যান্ডেলটা ডক হইব না।
-
গল্প
উপলব্ধিSayed Iquram Shafi -
গল্প
স্মৃতি কথাসিকদার মোঃ শরিফুল ইসলামআমরা আমাদের দিকে..
রাস্তার বাঁকে বাঁকে..
বন্ধুত্বের ফাঁকে ফাঁকে..
হাজারো গল্প থাকে...
-
গল্প
নারীতীব আহমাদপৃথিবির সবচে বড় সমুদ্র সৈকত। গতকাল সারাটা দিন জার্নি করে সন্ধ্যায় এসে পৌঁছেছি এখানে। নতুন জায়গা হেতু ভাল ঘুম হয়নি রাতে। তবুও আলো আধারির এই মিশেল ভোরে বেরোতে হবে প্রভাত-সমুদ্র আর কাঙখিত সূর্যোদয়ের উদ্দেশ্যে।
-
গল্প
মনপড়াসেলিনা ইসলাম N/Axh3probe9আমি যখন রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাই? অনিচ্ছাকৃত ভাবে হলেও প্রতিটি মানুষের মুখের দিকে তাকিয়ে তাঁদের মনটাকে পড়ার চেষ্টা করি। এটা যেন একটা বদাভ্যাসে পরিণত হয়েছে! মাঝে মাঝেই কপাল কুঁচকে শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ বয়সী সবার চোখে চোখ রাখি।
-
গল্প
আমার গল্প চাঁদপুরনাহিদ সাজ্জাদসন্ধ্যা পেরিয়ে গেছে। নবীনগরের এদিকটায় ঝিঁঝিঁ পোকারা ডাক শুরু করে দিয়েছে। বাইরে অন্ধকার। দুজন বেরিয়ে পড়লাম বাস ধরার জন্য। নবীনগর পৌঁছাতেই বাস পেয়ে গেলাম।
-
গল্প
ঐশ্বরিক এক পাপের ইন্দ্রজালেধ্রুবক দ্রোহআমি মানুষ। আমার চারদিকে এক ঐশ্বরিক ইন্দ্রজালের চোরাবালি যাতে আটকে পড়েছি আমি। লোভ, কাম, মোহ, মদ কত কিছু।
-
গল্প
হারপিকজসীম উদ্দীন মুহম্মদবাজিতপুর রেলস্টেশন থেকে কয়েক কিলোমিটার পূর্বদিকে গেলেই ভাগলপুর গ্রাম। অবশ্য এখন আর গ্রাম নয়। আধা শহর। কিছুটা গ্রাম আর কিছুটা শহর।
-
গল্প
হৃদয়হীন এবং একজন ফুলবউআল মামুন খানএক হৃদয়হীনার কাছে হৃদয়ের দাম কি আছে?’... এ রকম একটি গান শুনেছিলাম। সুবীর নন্দীর গাওয়া। তবে গানটি খুব ভালো লেগেছিল কথা ও সুরের কারনে।
কথা ও সুর...একে অপরের পরিপুরক।
সব কিছুরই দুই আছে। শুধুমাত্র এই সৃস্টিকর্তা এক।
সব জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি হয়েছে। -
গল্প
প্রাপ্তিশাহ আজিজবুঝছস কিছু জীবনের??
কোনদিন একটু সিরিয়াস হইয়া ভাবছস জীবনটা কি ? কেন ? কেন এই ধরায়?
শুধু খরায় দাঁড়াইয়া কাটাইছি কখন বারান্দায় আইসা ভেজা এলো চুলে রেলিঙে শাড়ি নাড়ব । কোন মাইয়া কোনদিন কয়নাই ‘মফিজ , তোমারে ভালবাসি’।
দুইবার মাইর খাইছি হাতে হাতে চিঠি দেবার অপরাধে । -
গল্প
অবশেষে লাশআমিনুল ইসলামশীতের সকালে স্কুলে পড়তে যেতো ধানের আইল ধরে ধরে।
সে আইলের উপরে দুর্বা ঘাঁসের উপরে শিশির পরে থাকতো।
সে শিশির দেখতে হিরোর মত লাগতো।সেই দুর্বা ঘাসের শিতল শিশির আফজালের পায়ে এসে পরতো।আর আফজাল তখন শিউরে উঠতো।দৌড়ে দৌড়ে স্কুলে চলে যেত।এভাবেই তার শিক্ষাজীবন পাড়ি দেয় আফজাল সাহেব।ছিল না কোন সঙ্গী।১৯৯০ সালে
মার্চ ২০১৭ সংখ্যা
বিজ্ঞপ্তি
“ ” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ , থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।
প্রতিযোগিতার নিয়মাবলীএ যাবত
