আল্লার দুইন্নাডা অনেক বুইত্তামর, লইন উডি। একটা উপায় এক বা না এক বা অইবই অনব।
ঃ কমলা, দ্যাখ দ্যাখ বান্দরগুলি কি সুন্দর কইরা যার যার ঘরঅ যাইতাছেগা। আমি যদি বান্দর অইতামরে কমলা...তঅ ভালা আছিন! চিড়িখানাত আশ্রয় পাইতাম!
-
গল্প
একটি লাশ ও প্রত্যাশা...রুহুল আমীন রাজু N/A -
গল্প
প্রত্যাশার সিঁড়ি ভাঙা অঙ্কদীপঙ্কর বেরাঅনিন্দ্য রেজাল্ট নিতে স্কুলে যাছে। রাস্তায় গ্রামের মৃদুল ডাক্তারের সঙ্গে দেখা। বলল - তোর রেজাল্ট নিতে গিয়ে কাজ নেই। তুই তো ফার্স্ট হবি সবাই জানে। লাজুক হেসেছিল অষ্টম শ্রেণিতে পড়া অনিন্দ্য।
তারপর বাদবাকী রাস্তা শুধু মনে দূরু দুরু ভাব। যদি ফার্স্ট না হই। যদি মোহন ফার্স্ট হয়ে যায়। অর বাবা স্কুলের প্রেসিডেণ্ট। যদি অধীর ফার্স্ট হয়। ওর বাবা মৃণালবাবু আমাদের শিক্ষক। -
গল্প
বৃষ্টির দিনবিষ্টির মা! বিষ্টি নামছে– ও কাজলি! নাম্, আইজ থাক– আইজ থাক রে বু!”
“কী লো? কী হইছে? মরণ আমার। বিষ্টিরে ভয় করি ক্যামনে? ক!”
আকাশের কালো মেঘগুলোর দিকে তাকায় কাজলি। খুব শীঘ্রই হয়তো বৃষ্টি নামবে। সন্ধ্যা হয়ে এলো বলে। আজকে মহাজনকে বলেছে কাজটা একটু বেশি করে করবে। সবাই বিকেলের দিকেই চলে গেছে। মালতি আছে শুধু। একটু পর সেও চলে যাবে। -
গল্প
প্রত্যাশাSamia Ahmedপ্রতিদিনের মতো আজও রাত শেষে একটি জ্বলজ্বলে সূর্য উঠেছে পূর্ব দিগন্তে। পাখিরা গাইছে প্রভাত সংগীত। সুবাস বিলিয়ে ঝরে পড়েছে তাজা বকুলেরা।
এভাবে বেড়ে উঠেছে আজকের নতুন বছরের নতুন দিনটির বয়স। পুরাতন একটি পৃথিবী। সূর্যটাও পুরাতন। কিন্তু আজকের দিনটি নতুন। -
গল্প
ফেরাকাজী প্রিয়াংকা সিলমী“টুং” করে শব্দ হল মোবাইল ফোনে। দেখবে না দেখবে না চিন্তা করেও কম্পিউটারের কীবোর্ড থেকে আঙ্গুল সরিয়ে মোবাইলটা হাতে নিল নাফিসা। সাধারণত কাজ করার সময় মনোযোগ বিঘ্নকারী সব কিছু বন্ধ করে রাখে সে, মোবাইল, ইন্টারনেট, ফেসবুক, টুইটার। টাইম ম্যানেজমেন্ট ওয়ার্কশপে শেখা টেকনিক। কিন্তু আজ কি ভাবে যেন ফোন বন্ধ করতে ভুলে গিয়েছে।
-
গল্প
প্রত্যাশাdeepআমি। একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে আকাশের দিকে তাকাতেই পেঁজা তুলোর মতো মেঘগুলো চোখে পড়লো। মেঘগুলো কি সুন্দর আকাশের গায়ে একটা নকশা এঁকেছে। দেখে মনে হচ্ছে যেন কোনো আর্টিস্ট তার ক্যানভাসে নিজের খেয়ালে তার সৃষ্টি ফুটিয়ে তুলেছে।
-
গল্প
ঠাঁইজাহাঙ্গীর মাসুদচোখদুটো লাল। অশ্রু-শিশিরের টলমল। চোখ বেয়ে বেয়ে গড়াগড়ি করছে অশ্রুসজল। দেহাঙ্গেও প্রত্যাশার হাউমাউ কান্না। যে কান্নার ভিড়ে প্রকৃত ভালোবাসার ঠাঁই নেই। আছে শুধু আহামরি আহাজারি পায়চারি সমবেদনা।
জিজ্ঞেস করলাম - কেউ দেখতে আসে না? -
গল্প
ওই মহামানব আসেএশরার লতিফকেন যেন আমার মনের ভেতর গেঁথে গিয়েছিল সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাব থাকবে কোন পুরনো ভবনের নীচতলার স্যাঁতস্যাঁতে ক্লান্তিকর কামরায়। সেখানে দিনের আলো কষ্টেসৃষ্টে পৌঁছায়, ভেতরের আসবাবপত্র বহু ব্যবহার আর অবহেলায় অবসন্ন।
-
গল্প
প্রত্যাশাশরীফ মুহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামানবাবা মা চিরকাল সন্তানের মঙ্গল কামনা করে আর কোনো কিছু তাদের সন্তানের কাছে চাওয়ার নেই।তাদের প্রত্যাশায় শুধু সন্তানের মঙ্গল।এই কথা পরশ কিছুতেই তার বউ নাজিফাকে বোঝাতে পারে না।সবসময় সব ব্যাপারে ই সে তার সাথে তার বাবা মা নিয়ে নানান কথা বলে থাকে কিন্তু পরশ তাকে বোঝাতে পারে না যে তার বাবা মা তাদের কাছে টাকা চায় না।তাদের কাছে তারা শুধু ভালোবাসা প্রত্যাশা করে।
-
গল্প
প্রত্যাশার মরীচিকাMs Ahmadসূর্য পশ্চিমাকাশে দোদুল্যমান। ঘন্টা দুয়ের মধ্যে অদৃশ্য হয়ে যাবে। খুবই সুন্দর মনোমুগ্ধকর পরিবেশে বসে আছি। পরিবেশটির বিবরণ এরকম; পিছনে মৎস চাষের দীঘি। সামনে জলধর হাওড়। বাতাসের ঝাপটার সাথে দৃষ্টির শেষ সিমানা থেকে ভেসে আসা ঢেউ খেলতে খেলতে কলকল স্বরবে কিনারায় আছড়ে পড়ছে। মাঝে মাঝে বাতাসের সাথে জলের কনা গায়েমুখে লাগছে। বাতাসও অনেক ¯ স্নিগ্ধ। শরিরের কাপড়গুলো একদিকে লেপটে ধরে অপরদিকে পতপত করে পতাকার ন্যায় উড়ছে।
আগষ্ট ২০২০ সংখ্যা
আগামী সংখ্যার বিষয়
গল্পের বিষয় "তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ”
কবিতার বিষয় "তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ”
লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৫ এপ্রিল,২০২৬
এ যাবত
