প্রস্ফুটিত হয়নি কোনো চেনা অথবা অচেনা ফুল
কী করে ফুটবে ,কীভাবে গজাবে নতুন কুঁড়ি
কেউ যে বোঝেনি আমায়।
কবিতা
প্রস্ফুটিত হয়নি কোনো চেনা অথবা অচেনা ফুল
কী করে ফুটবে ,কীভাবে গজাবে নতুন কুঁড়ি
কেউ যে বোঝেনি আমায়।
গল্প
“নাহ। যাব না। যাব কী করে? আম্মু বকবে।” তুতুন খাতার পাতা ছিড়ে কথাগুলো লিখে ঘুড়ির সুতোয় বেঁধে দিল।
কবিতা
ঠাৎ একটা ঝড় আসে, একটা গর্জন সৃষ্টি হয়; পুরোটা আকাশ কালো মেঘে ঢেকে যায়, খুব বৃষ্টি হয়
চমকে উঠি, অবাক দৃষ্টিতে জানালার পাশে দাঁড়িয়ে তাকিয়ে থাকি___
আহা কি আশ্চর্য এই পৃথিবী!
কবিতা
খোলা আকাশ একাকী বসে আছি আমি°
শ্রাবণের মেঘ জড়ো হয়েছে আকাশে°
টিপটিপ ঝরছে বর্ষা°
আনমনা হয়ে ভাবছি তোমায়°
তুমিও কী এভাবে ভাবছো আমায়?
গল্প
একপর্যায়ে মেয়েটি বলে ফেলে আজ থেকে তুমি আমার স্বামী।আর তুমি স্বামী হিসেবে কথা বলবে। সুমান মেয়েটির কথা শুনে রাজি হয়ে যায়। এর আগে কোন মেয়ের সাথে সুমন এভাবে কখনো কথা বলেনি।
গল্প
মেয়েটির আসল নাম সৌর কখনো জানতে পারবে, এরূপ আসা সে ছেড়েই দিয়েছিলো। অথচ এই মেয়েটির সাথে সে টিকিট বাড়ির এক ঘরে শুধু ঐ এক রাত না, মাঝে মাঝেই থাকতো। তার মাঝে মাঝে মনে হয়, সে কোনো নরকে নয়; এক স্বর্গে বসে কোনো স্বর্গের পরীকে দেখছে। মেয়েটিকে দেখে সে করুনা অনুভব করল। মনে মনে সে তাকে একটা নামও দিল। মেঘা।
কবিতা
কষ্ট যা নিজেরই থাকবে বুঝবে না তো কেউ
কষ্ট দেওয়ার মানুষ আছে, নেওয়ার নেই কেউ ।
চোখের পানি কেউ দেখে ,কেউ দেখেও দেখে না
সুখ সবাইকে দেখাতে হয় ,হৃদয়ের কষ্ট না।
গল্প
এমন বৃষ্টিতে জহিরুদ্দিন আনমনে বড় মেয়েটার বিয়ের কথা ভাবছে, ভাবছে নতুন একটা বড় নৌকা কিনবে । ইঞ্জিন লাগাবে । সেই নৌকা নিয়ে গঞ্জে গঞ্জে মালসামান নিবে । তার আয় বাড়বে। মেয়ে দুটি বড় হচ্ছে ।
কবিতা
মেঘের কোন কষ্ট নেই
সে বৃষ্টি হতে জানে
আকাশের গায়ে রঙধনু
হয়ে রঙ ছাড়াতে জানে।
গল্প
বেশ কয়েকমাস ধরে শাহীন ঘরে আছে।মেডিকেল লাইফে প্রবেশের পর থেকে সম্ভবত এটাই সবচেয়ে বেশিসময় ধরে বাসায় অবস্থান করা।একরকম দোটানা অবস্থা