বেশ কয়েকমাস ধরে শাহীন ঘরে আছে।মেডিকেল লাইফে প্রবেশের পর থেকে সম্ভবত এটাই সবচেয়ে বেশিসময় ধরে বাসায় অবস্থান করা।একরকম দোটানা অবস্থা
গল্প
বেশ কয়েকমাস ধরে শাহীন ঘরে আছে।মেডিকেল লাইফে প্রবেশের পর থেকে সম্ভবত এটাই সবচেয়ে বেশিসময় ধরে বাসায় অবস্থান করা।একরকম দোটানা অবস্থা
কবিতা
যে ভালোবাসায় ঠকে কেঁদে বালিশ ভিজিয়েছে,
কাঁদো কাঁদো চোখে ঘুমিয়ে পড়ে প্রতিরাতে,
চুপসে বিবর্ণমুখী হয় প্রতিক্ষণে,
আমার এমনই নিষ্প্রাণ আত্মার দরকার।
গল্প
ডাক্তার বলল, ‘নো মোর টেনশন।’
‘কোথায় তুমি দেখলে টেনশন আর হাবিজাবি…?’ মহসিন তালুকদার খেপে যান ডাক্তারের উপর; ডাক্তার জাফর, ছেলে তানভীরের বন্ধু, হাতযশ আছে হৃদরোগ চিকিৎসায়।
কবিতা
উপত্যকার অজ্ঞাত অর্কিড-মালঞ্চ থেকে
দুঃখ গুলো নেমেএল জঙ্গলে জঙ্গলে দৃশ্য আর অদৃশ্যের
মাঝামাঝি গিরিপথ ধরে -
কাল কাল পিপীলিকার অদম্য মিছিল।
হায়, কেমন বেমক্কা বিভীষিকা!
গঙ্গা ফড়িঙের ডানায় আর্দ্র নিশ্বাস ফেলে
বিষন্ন বিস্তৃত শুয়ে থাকে যাতনার নীল।
গল্প
এমন বৃষ্টিতে জহিরুদ্দিন আনমনে বড় মেয়েটার বিয়ের কথা ভাবছে, ভাবছে নতুন একটা বড় নৌকা কিনবে । ইঞ্জিন লাগাবে । সেই নৌকা নিয়ে গঞ্জে গঞ্জে মালসামান নিবে । তার আয় বাড়বে। মেয়ে দুটি বড় হচ্ছে ।
গল্প
“নাহ। যাব না। যাব কী করে? আম্মু বকবে।” তুতুন খাতার পাতা ছিড়ে কথাগুলো লিখে ঘুড়ির সুতোয় বেঁধে দিল।
জরাজীর্ণ হয়ে গুটিয়ে নেই মনের ভুলকে,
বোঝাতে চাই যেটা ভুলের পরিসীমায় আবদ্ধ,
সেটাকে ক্ষেত্রফলের অস্তিত্বে-
ধারণ করাটা কষ্ট ছাড়া কিছু নয়,
বাবা আমার ভীষণ ভয় করছে।
-না রে মা ভয়ের কিছু নেই।
-বাবা আমি বাঁচবো তো?
-কী যে বলিস মা। এই করোনা ভাইরাস আমার মাকে কিছুই করতে পারবে না।
-বাবা কত মানুষ মারা যাচ্ছে।
গল্প
সৌমিনী ঘুরে এসেই ভাত চাইতে লাগলো। মা পাতিল থেকে দুমুঠো ভাত প্লেটে দিতেই রেগেমেগে সৌমিনী বলতে লাগলো তরকারি কই। হুদা ভাত আমি খামু না। প্রত্তিবার খালি হুদা ভাত আর ভাত।
লতা কোন কথা না বলে চৌকাঠে বসে দরজার সাথে মাথা রেখে আকাশের দিকে তাকিয়ে রয়েছে। কোন কথা বলছে না। চিন্তায় চিন্তায় শুকিয়ে যাচ্ছে সে।
মা! ও মা! তরকারি দিয়া যাও। হুদা ভাত ক্যামনে খামু?
গল্প
একপর্যায়ে মেয়েটি বলে ফেলে আজ থেকে তুমি আমার স্বামী।আর তুমি স্বামী হিসেবে কথা বলবে। সুমান মেয়েটির কথা শুনে রাজি হয়ে যায়। এর আগে কোন মেয়ের সাথে সুমন এভাবে কখনো কথা বলেনি।