কষ্ট যা নিজেরই থাকবে বুঝবে না তো কেউ
কষ্ট দেওয়ার মানুষ আছে, নেওয়ার নেই কেউ ।
চোখের পানি কেউ দেখে ,কেউ দেখেও দেখে না
সুখ সবাইকে দেখাতে হয় ,হৃদয়ের কষ্ট না।
কবিতা
কষ্ট যা নিজেরই থাকবে বুঝবে না তো কেউ
কষ্ট দেওয়ার মানুষ আছে, নেওয়ার নেই কেউ ।
চোখের পানি কেউ দেখে ,কেউ দেখেও দেখে না
সুখ সবাইকে দেখাতে হয় ,হৃদয়ের কষ্ট না।
কবিতা
তোমার কাছে কষ্ট মানে কি জানিনা ,
সেকি বিলাসির ক্ষোভ নাকি দারিদ্রের কান্না?
তোমার কাছে কষ্ট হয়তো কাজল ধোয়া জল-
মলিন মুখের জলের দাগটি থাকে তোমার অগোচরে।
কবিতা
অনেকদিন দেখা নেই তোর সাথে।
কথা নেই,নেই চলাচল।
মহাকালের বালুচরে ঢাকা পড়েছে
সকল হারানো দিন রাত্রিগুলি।
কবিতা
খোলা আকাশ একাকী বসে আছি আমি°
শ্রাবণের মেঘ জড়ো হয়েছে আকাশে°
টিপটিপ ঝরছে বর্ষা°
আনমনা হয়ে ভাবছি তোমায়°
তুমিও কী এভাবে ভাবছো আমায়?
গল্প
সেইবার যখন ছোডো ভাইটা জন্মের সময় মইরা গেলো,সবাই মারে কইলো অলক্ষুইন্না।কেউ না দ্যাখলেও আমি দ্যাখছিলাম নয় মাইস ধইরা মায়ের কষ্টডা।দিনরাত মা আমার খাটতো
কবিতা
যখন ভলো থাকি না,
তখন কেউ পাশে নেই।
যখন একটু নিশ্বাস ফেলতে মন চায় ,
শিশিরে পা ভিজিয়ে হেঁটে যেতে,
তখন বুনো শালিকের কিচির মিচির
কানে তালা লাগে।
গল্প
আসাদ সাহেব আজকে অসময়ে বাড়ি এসেই অকারণে চিতকার চেঁচামেচি করে যাচ্ছেন। ফেরার সময় তিনি এক ভিক্ষুকের সাথে রাগারাগি করে আসলেন। পিত্তথলিতে তিনটা পাথর হওয়ার কাহীনি শুনার পর ৫ টাকার একটা ছেঁড়া নোট বের করে দিলেন। ভিক্ষুক ডাক দিয়ে বলল, স্যার, আপনোর টেকা আপনেই লইয়া যান।
গল্প
একপর্যায়ে মেয়েটি বলে ফেলে আজ থেকে তুমি আমার স্বামী।আর তুমি স্বামী হিসেবে কথা বলবে। সুমান মেয়েটির কথা শুনে রাজি হয়ে যায়। এর আগে কোন মেয়ের সাথে সুমন এভাবে কখনো কথা বলেনি।
গল্প
বেশ কয়েকমাস ধরে শাহীন ঘরে আছে।মেডিকেল লাইফে প্রবেশের পর থেকে সম্ভবত এটাই সবচেয়ে বেশিসময় ধরে বাসায় অবস্থান করা।একরকম দোটানা অবস্থা
কবিতা
চকিতে বিদ্যুৎ চমকায়
ঘনায় আধাঁর রাত্রি ,
ঘোর দূর্যোগে চলছে পথে
নিরুদ্দেশের যাত্রী ।
ছাড়ি প্রিয়জন , বিলাস- ব্যাসন
প্রিয়ার বাহুডোর