চোখ খুলতেই হয়তো দেখি
যা দেখতে'ই রুচিতে বাঁধে
রাস্তায় চলতে'ই যা ভেসে আসে কানে,
এমন'ই কিছু দৃশ্য-কিছু শব্দ
কবিতা
চোখ খুলতেই হয়তো দেখি
যা দেখতে'ই রুচিতে বাঁধে
রাস্তায় চলতে'ই যা ভেসে আসে কানে,
এমন'ই কিছু দৃশ্য-কিছু শব্দ
গল্প
বিছানায় আর থাকতে না পেরে মাথার কাছ থেকে টর্চটা তুলে খিলটা খুলে বাহিরে বেরিয়ে এলো শফিক। বাড়ির পাশের জংলা থেকে অসংখ্য ঝিঝি পোকা ডাকছে। ঝিঝির ডাক ছাড়া আর কোথাও কোনো শব্দ নেই। কী অদ্ভুত! আজ রাত জাগা কোনো পাখির ডাক শোনা যাচ্ছে না।
গল্প
সায়দাবাদ বাসস্ট্যান্ড, মধ্যাহ্নের সূর্যটা ঠিক মাথার উপরে। লিলি বাস কাউন্টার খুঁজে নিয়ে বসে—কত বাস আসে চলে যায়। কত মানুষ আসে যায়। মানুষগুলোর চোখ যেন ওকে গিলে খাচ্ছে। দৃষ্টিতেও যেন অশ্লীলতা! বাসের ড্রাইভার হেল্পাররা ওর মাথা থেকে পা পর্যন্ত দৃষ্টি লেহন করে চলেছে। কখন যে এর অবসান ঘটবে?
গল্প
আমারা যারা সমাজে বসাবাস করি তারাই সামাজিক জীব। এখানে পশু-পক্ষীর কোন স্থান নেই, ভোলারও নেই। ভোলাকে কুকুর হিসেবে দেখি না, অথচ আমারা সমাজের কতটুকুই বা দায়িত্ব পালন করি, ও করে।
কবিতা
নাতি বলে দাদা চলো বাজারেতে যাই।
দরকারি কিছু জিনিষ কিনে আনি ভাই।।
দাদা বলে নাতি তবে সাবধানী হও।
চোখের হেফাজত ছাড়া তুমি নিরাপদ নও।
কবিতা
নগ্নতায় আলিঙ্গন করেছে গোটা সমাজ ব্যবস্থা
স্কুল কলেজ শপিংমল বিনোদন পার্ক সিনেমায়
হুহু করে বাড়ছে নগ্নতার প্রতিযোগীতা
সভ্যতার আড়ালে চারদিকে চলছে অশ্লীলতা
প্রতিবাদ প্রতিরোধ করার কেউ নেই সমাজে ।
কবিতা
মানব রূপে জন্ম তোমার
পশু মনে হয়
অত্যাচারীর উপর আল্লাহর গজব
করো তুমি ভয়।
কবিতা
নিজ প্রণয় ভ্রান্তি মানুষ
ছুটছে অর্থ-বণিকের পাশে।
মানুষ মানুষকে নাহি চিনে
দৃষ্টি লাকানো ধনের অন্তরালে,
ধন যার ভুরি ভুরি সাধু সে।
কবিতা
এ ভোরে সুর্য নেই কোনো
তাহলে আমার কথা শোনো
আমি বাঁচি কার তাতে ব্যথা?
আমরা পোড়াই শালীনতা।
কবিতা
পাপের এ শহরে জীবাণুর মিছিল চলে প্রতিনিয়ত___
হাতে গ্লাভস, মুখে মাস্ক, চোখে সানগ্লাস তবুও মিত্রুর ঢেউ এ তৃষ্ণার্ত দেয়ালে!
বাহিরে কারফিউ
“ ” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ , থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।
প্রতিযোগিতার নিয়মাবলী