এ ভোরে সুর্য নেই কোনো
তাহলে আমার কথা শোনো
আমি বাঁচি কার তাতে ব্যথা?
আমরা পোড়াই শালীনতা।
কবিতা
এ ভোরে সুর্য নেই কোনো
তাহলে আমার কথা শোনো
আমি বাঁচি কার তাতে ব্যথা?
আমরা পোড়াই শালীনতা।
গল্প
বিমানে উঠতে গিয়ে তিনি দেখেন তাঁর পরনের লুঙ্গিটি নেই শুধু টাওজারটি রয়েছে, হয়তো ভীড়ের চাপে কখন খুলে পড়েছে। দু একজনকে জিজ্ঞেস করতেই তারা জানায় গেইটে ওটি পরেই তাঁকে ঢুকতে দেখেছে সবাই। অবশেষে খোঁজ নিয়ে দেখেন লুঙ্গি ভর্তি তাঁর ব্যাগটিও নেই। বিমানে উঠে তিনি স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেন- “যাক সব লুঙ্গিই লুঙ্গির দেশে রয়ে গেল”।
কবিতা
চারদিকে অশ্লীলতার ছুরিকাঘাত অথবা
কিছু নিষিদ্ধ অলাতচক্র;
দিন-রাত্রির সন্ধিক্ষণে নিমগ্ন বাহুপাশ
ফোঁটায় রক্তজবা শিরায়-উপশিরায়।
আমার শরীরটা ভীষণ খারাপ। কাশিটা ভীষণ জ্বালাচ্ছে! সেই সাথে হাঁচি! কিছুটা জ্বর জ্বরও লাগছে। চুপচাপ বসে ছিলাম। আমার থেকে কিছুটা দূরত্বে বসে নয়ন পেপার মুখস্ত করছে! হ্যাঁ মুখস্তই তো করছে! একেবারে পেপারের ভীতর যেন ঢুকে গেছে! মনে হচ্ছে ভ্যানিস হতে বাকি!
কবিতা
আমি চাই
বসন্তের মাতাল হাওয়া
উড়িয়ে দিক তোমার আঁচল
চাই, তোমার চোখের তারা হয়ে উঠুক
ফাগুন পূর্ণিমার চাঁদ,
সোনালী সূর্য লুকোচুরি খেলুক
তোমার যুগল বলয়ে
তাও আমি চাই।
গল্প
ধর্ষনের মামলা গুলো বছরকে বছর চলতে থাকে এক সময় ফাইল গুলো কোথায় হারিয়ে যায় কেউ বলতে পারে না ।
আজ আমার মেয়ে কাল আপনার মেয়ে, আজ আমার বোন কালকে আপনার বোন কেউ না ,কেউ ধর্ষনের শিকার হচ্ছে ।
এর জন্য ধর্ষণকারী শুধু একা দায়ী নয় , দায়ী আমরা আপনারা আমাদের সমাজ ।
গল্প
আল্লাহ ইনসাফ, ইহসান ও আত্মীয়-স্বজনকে দান করার নির্দেশ দেন এবং তিনি অশ্লীলতা, অসৎ কাজ ও সীমা লঙ্ঘন করতে নিষেধ করেন। তিনি তোমাদের উপদেশ দেন, যেন তোমরা শিক্ষা গ্রহণ করো।
কবিতা
মনলোভী মানুষ গুলো,
পায় কি মনের দেখা !
অতি লোভে মন কষ্ট,
জীবন টা হয় ফাঁকা।
কবিতা
আক্ষেপ বার বার মুছে দেয়
স্বপ্নের স্মারক স্মৃতি-
জীবনের রঙিন প্রচ্ছদে মোড়া
হরেক শব্দের কষ্টের উৎস,
যার প্রতিটি মুহূর্ত অনবরত-
পদদলিত করে জমানো সুখ।
কবিতা
আপনার চারপাশ ঘেরা পতিত পুরুষের আস্তানা
দিন-রাত চলে পণ্য বিপণন রাখঢাক নগ্নতায়
পেটের দায়ে দেহব্যবসায়ী গণিকার উন্মোচন নয়
একটা একটা ঘুষখোর ধরুন
উলঙ্গ করে প্রকাশ করুন, হাতকড়া পড়িয়ে দিন
জনসম্মুখে করুন বলৎকার।