আক্ষেপ বার বার মুছে দেয়
স্বপ্নের স্মারক স্মৃতি-
জীবনের রঙিন প্রচ্ছদে মোড়া
হরেক শব্দের কষ্টের উৎস,
যার প্রতিটি মুহূর্ত অনবরত-
পদদলিত করে জমানো সুখ।
কবিতা
আক্ষেপ বার বার মুছে দেয়
স্বপ্নের স্মারক স্মৃতি-
জীবনের রঙিন প্রচ্ছদে মোড়া
হরেক শব্দের কষ্টের উৎস,
যার প্রতিটি মুহূর্ত অনবরত-
পদদলিত করে জমানো সুখ।
আমার শরীরটা ভীষণ খারাপ। কাশিটা ভীষণ জ্বালাচ্ছে! সেই সাথে হাঁচি! কিছুটা জ্বর জ্বরও লাগছে। চুপচাপ বসে ছিলাম। আমার থেকে কিছুটা দূরত্বে বসে নয়ন পেপার মুখস্ত করছে! হ্যাঁ মুখস্তই তো করছে! একেবারে পেপারের ভীতর যেন ঢুকে গেছে! মনে হচ্ছে ভ্যানিস হতে বাকি!
কবিতা
পাপের এ শহরে জীবাণুর মিছিল চলে প্রতিনিয়ত___
হাতে গ্লাভস, মুখে মাস্ক, চোখে সানগ্লাস তবুও মিত্রুর ঢেউ এ তৃষ্ণার্ত দেয়ালে!
বাহিরে কারফিউ
আমি কতবার বলেছি তুমি আমার গায়ে হাত দিয়ে কথা বলবেনা। কিন্তু সাজ্জাদ আমার কথা কিছুতেই শুনেনি। বরঞ্চ সে আমাকে বলেছে, টিনেজার বয়সের ছেলে মেয়েরা একটু এমনি হয়। বিপরীদ লিঙ্গের প্রতি আকর্ষণ থাকে। হয়তো তোমার সেটা এখনো হয়ে উঠেনি।
মা শুনলে রাগ করবে তো।
কবিতা
যে দিন গেছে আমাদের অশ্লীলতায়,
কিছুটা ছিল পরিচিত, কিছুটা অজানায়
ভেসে গেছে কালকের কোনঠাসা মর্মরে,
বুঝি আনমনে, কি করে আমায় রেখেছো ধরে?
কবিতা
এ ভোরে সুর্য নেই কোনো
তাহলে আমার কথা শোনো
আমি বাঁচি কার তাতে ব্যথা?
আমরা পোড়াই শালীনতা।
গল্প
হাবাগোবা ধরণের বাবুলই বিদ্যে-বিচারে চারজনের শীর্ষে। শুধু তাই নয়, গোবেচারা হলেও সে কিন্তু সুদর্শন। ফকিরাপুলের ফালুমিয়ার মেস বাড়ির এক রুমের চার বাসিন্দা – বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া বাবুল; দ্বিতীয় সারির দৈনিক পত্রিকার কম্পিউটার অপারেটর দুজন: বিল্লাল ও হাসমত; আদম ব্যবসায়ী অফিসের কেরানি মুহিব।
কবিতা
মনলোভী মানুষ গুলো,
পায় কি মনের দেখা !
অতি লোভে মন কষ্ট,
জীবন টা হয় ফাঁকা।
কবিতা
আমি ভালোবাসি না,
প্রেমে পড়ি।
প্রেম ভালোবাসার ছোঁয়াচে আগুনে
জ্বলি পুড়ি।
গল্প
বিমানে উঠতে গিয়ে তিনি দেখেন তাঁর পরনের লুঙ্গিটি নেই শুধু টাওজারটি রয়েছে, হয়তো ভীড়ের চাপে কখন খুলে পড়েছে। দু একজনকে জিজ্ঞেস করতেই তারা জানায় গেইটে ওটি পরেই তাঁকে ঢুকতে দেখেছে সবাই। অবশেষে খোঁজ নিয়ে দেখেন লুঙ্গি ভর্তি তাঁর ব্যাগটিও নেই। বিমানে উঠে তিনি স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেন- “যাক সব লুঙ্গিই লুঙ্গির দেশে রয়ে গেল”।