বয়সের ভারে কিনা কে জানে! বউয়ের প্রতি ব্যবহারে পাটোয়ারীর দার্শনিক সুলভ নিস্পৃহতা চলে এসেছে। আগে যখন বয়স কম ছিল, তখন প্রায়ই বউয়ের প্রতি কথায় তুলকালাম পাকাতেন। কিন্তু এখন দীর্ঘ সংসার জীবনের অভিজ্ঞতায় বুঝে গেছেন, এসব করে লাভ নাই কোন! মেয়েদের কথার ঝড় একাই উঠবে আবার একাই কমবে!
-
গল্প
একটি ঝড় ও কয়েকটি কবুতরসৌবর্ণ বাঁধন -
গল্প
সাক্ষাৎকারসালাহ উদ্দিন শুভমনটা ভীষণ ভারাক্রান্ত। কেন যেন মনে হচ্ছে মনের মধ্যে একটা অনেক বড় পাথর আটকে আছে। পদ্মার পাড়ে আসতে আসতে মুশল ধরে বৃষ্টি শুরু হয়ে গেছে। বাতাশের বেগে দোকান-বাড়ির টিনগুলো উড়ে যেতে চাইছে। গাছেরা যেন একদিকে হেলে চলছে লম্বা সময় ধরে। পদ্মার স্রোত বারবার ধাক্কা খাচ্ছে তীরে।
-
গল্প
ফুতুমিয়ার জীবন ঝড়বাসু দেব নাথঈশ্বরের এই সৃষ্টি বড়ই অদ্ভুত। তার অদ্ভুত সৃষ্টি ঋতু বদল। ভাবা যায় প্রচন্ড ঠান্ডা হতে হঠাৎ প্রখর গরমে উতপ্ত হয়ে উঠে এই প্রকৃতি। আবার কখনও মৃদু হাওয়ায় দোলায়িত করে সকলের হৃদয়। এভাবে আসে একের পর এক ঋতু।
-
গল্প
ঝড় পরবর্তী ভাগফলপ্রজ্ঞা মৌসুমীএকান্ন, বাহান্ন, তেপান্ন... আহসানের চিরকুট পড়া গুনতে, গুনতে, গুনতে কেমন এক ঝিম আসে চোখে, যেমন ঝিম লাগে পাটিতে স্থবির শুয়ে কৃষ্ণপক্ষের নক্ষত্ৰ গুনার কালে। সেই যে তখন থেকে চিরকুট হাতে বসে আছে মানুষটা, ঝড়ে পড়া একটা ন্যাতানো গাছ যেন।
-
গল্প
প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়সেলিনা ইসলাম N/Aবুবু বলেছে আমি তোমার পেটে থাকতেই আব্বা নাকি আমাকে মেরে ফেলতে চেয়েছিল। কারণ আমি তোমাকে মেরে ফেলতে ছিলাম! বড় বুবু বলেছে আমি মরে গেলেই ভালো হত! এইটুকু কথা বলতেই হাঁপিয়ে উঠেছে মেয়েটা! কথা বলতে বলতে বিনু ঠোঁট ফুলায়! ব্যস্ত হয়ে রিজিয়া বলে-
-
গল্প
রোদের ক্যানভাসে আঁকা ঝড়রঙ পেন্সিলগরমের দিন। আকাশ মেঘলা বলেই হয়তো বিকেলটা ভারী সুন্দর। ভেজা ভেজা নরম আলোতে মাখামাখি চারদিক। শেষ বিকেলের এই ঘোলাটে মেঘের ছায়া গায়ে মেখে লীনা, লীনার মা সুমনা আর বাবা জাভেদ হোসেন হাসিমুখে পাশাপাশি হাটছেন। লীনা আড়চোখে একবার মা'র দিকে তাকিয়ে দেখে। কি সুন্দর নিষ্পাপ হাসি!
-
গল্প
নিবারণ মাঝিধুতরাফুল .নিবারণ মাঝি নৌকার গলুইয়ের শেষ মাথায় বসে আছে। সে তাকিয়ে আছে মাথাভাঙ্গা নদীর স্বচ্ছ জলে। সবুজ শ্যাওলার ভেতর ছোট ছোট মাছের খেলা চলছে । শরতের নীল আকাশের ছায়া পড়েছে মাথাভাঙ্গা নদীর জলে। শেষ বিকেলের কনে দেখা সূর্যরশ্মি প্রতিফলিত হচ্ছে নদীর দু পাশের কাশ বনে।
-
গল্প
সত্য ঘটনা অবলম্বনেরিনিয়া সুলতানাআমরা যখন দাদু বাড়ি পৌছালাম তখন বিকাল ছুয়ে সন্ধ্যা। দাদিও তাই বাবাকে ফিরতে দিল না।কারণ আকাশে অনেক মেঘ ছিল।যেকোন সময় নাকি ঝড় হতে পারে।রাতে খাবার পরে মেজ চাচার ২ ছেলে আর আমি এক সাথে ঘুমাতে গেলাম।হঠাৎ বাইরে ঝড়ো হাওয়া শুরু হল।চাচাতো ভাই আমাকে বলল আমাদের বাগানের গাছে অনেক আম ধরেছে আম কুড়াতে যাব।
-
গল্প
স্বপ্ন কেদারামাসুম বিল্লাহচোখ খুলল সহান। ভাঙ্গা জানালার ফাঁকা দিয়ে হেঁচে ছেচে পানি এসে পড়ছে আর চোখে। চোখের উপর পানি ঘেঁচে এসে পড়ায় তার ঘুম ভাঙ্গে গেছে। উঠতে গিয়ে প্রথমে উঠতে পারলো না। তার উপর আর ছোট দুই ভাই হাত পা উঠিয়ে ঘুমাচ্ছে। একজনের খাটে তিন জন ঘুমালে এভাবেই ঘুমাতে হয়।
-
গল্প
পান পাতার বাঁশিজাহাঙ্গীর মাসুদহায় হায় হায়! আমার একি হয়ে গেল? হায় ভগবান ! তুমি আমাকে এভাবে নিঃস্ব করে দিলে। আমার কপালে এই লিখে রেখেছিলে? আমার কি অপরাধ ছিলো? আমি কি দোষ করেছিলাম? এরকম শত কথা বলতে আর কাঁদতে কাঁদতে একজন মহিলাকে মাঠের দিকে যেতে দেখলাম। গলার আওয়াজটা পরিচিত বলে মনে হলো।
এপ্রিল ২০১৯ সংখ্যা
আগামী সংখ্যার বিষয়
গল্পের বিষয় "মাতৃভাষা”
কবিতার বিষয় "মাতৃভাষা”
লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৫ জানুয়ারী,২০২৬
এ যাবত
প্রতি মাসেই পুরস্কার
লেখা প্রতিযোগিতায় আপনিও লিখুন
-
প্রথম পুরস্কার ১৫০০ টাকার প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র। -
দ্বিতীয় পুরস্কার ১০০০ টাকার প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র। -
তৃতীয় পুরস্কার সনদপত্র।
