চোখ খুলল সহান। ভাঙ্গা জানালার ফাঁকা দিয়ে হেঁচে ছেচে পানি এসে পড়ছে আর চোখে। চোখের উপর পানি ঘেঁচে এসে পড়ায় তার ঘুম ভাঙ্গে গেছে। উঠতে গিয়ে প্রথমে উঠতে পারলো না। তার উপর আর ছোট দুই ভাই হাত পা উঠিয়ে ঘুমাচ্ছে। একজনের খাটে তিন জন ঘুমালে এভাবেই ঘুমাতে হয়।
-
গল্প
স্বপ্ন কেদারামাসুম বিল্লাহ -
গল্প
একটি ঝড় ও কয়েকটি কবুতরসৌবর্ণ বাঁধন
বয়সের ভারে কিনা কে জানে! বউয়ের প্রতি ব্যবহারে পাটোয়ারীর দার্শনিক সুলভ নিস্পৃহতা চলে এসেছে। আগে যখন বয়স কম ছিল, তখন প্রায়ই বউয়ের প্রতি কথায় তুলকালাম পাকাতেন। কিন্তু এখন দীর্ঘ সংসার জীবনের অভিজ্ঞতায় বুঝে গেছেন, এসব করে লাভ নাই কোন! মেয়েদের কথার ঝড় একাই উঠবে আবার একাই কমবে! -
গল্প
রোদের ক্যানভাসে আঁকা ঝড়রঙ পেন্সিলগরমের দিন। আকাশ মেঘলা বলেই হয়তো বিকেলটা ভারী সুন্দর। ভেজা ভেজা নরম আলোতে মাখামাখি চারদিক। শেষ বিকেলের এই ঘোলাটে মেঘের ছায়া গায়ে মেখে লীনা, লীনার মা সুমনা আর বাবা জাভেদ হোসেন হাসিমুখে পাশাপাশি হাটছেন। লীনা আড়চোখে একবার মা'র দিকে তাকিয়ে দেখে। কি সুন্দর নিষ্পাপ হাসি!
-
গল্প
যে জীবন ঝড়েরAhad Adnanবৈশাখের একেকটা রাতে চারদিক আঁধার করে ঝড় নামে। দরজা জানালা বন্ধ করে সবাই প্রমাদ গুনে। একেকটা বজ্রপাতের শব্দে মনে হয় আকাশটা ছিঁড়ে যায় যায়। রাস্তার কুকুরটা পর্যন্ত ঘাপটি মেরে থাকে বস্তির গলিতে। আর তখনই কিনা মেয়েটা একলা ছাদে চলে যায়। অন্ধকার ভেদ করে যখন বজ্রপাত হয়, আর সেকেন্ডের ভগ্নাংশ সময়ের জন্য দৃশ্যমান হয়ে উঠে এই শহর,
-
গল্প
'ঝড়কে পেলেম সাথি'ARJUN SARMAভ্রূণের ভবিষ্যত ভ্রষ্টের ভাবনায় ব্যতিব্যস্ত ভামিনি । ভিতরে ভিতরে ভয়।বাইরের ব্যক্তিবিশেষেও বিষয়টা ব্যক্ত । বাড়ীর বড়ো বউ বিমলাও ভীষণ ভীত । বাতিকগ্রস্ত বিক্রমের ব্যবহারে ভামিনি বাক্যহারা, বজ্রাহত । বুকে ব্যথা বাজলেও বাইরে বলতে বাধা । বুকের বিপুল ব্যথা ভামিনিকে বাণবৎ বিদ্ধকরণে ব্রত । বুকে বর্ধমান বহ্নিসিখাসম বাতি । ভারাক্রান্ত ভামিনি ভারিবর্ষণের বলাহকসম বুক বয়ে বহমান । ভামিনি বিনিদ্র ।
-
গল্প
ফুতুমিয়ার জীবন ঝড়বাসু দেব নাথঈশ্বরের এই সৃষ্টি বড়ই অদ্ভুত। তার অদ্ভুত সৃষ্টি ঋতু বদল। ভাবা যায় প্রচন্ড ঠান্ডা হতে হঠাৎ প্রখর গরমে উতপ্ত হয়ে উঠে এই প্রকৃতি। আবার কখনও মৃদু হাওয়ায় দোলায়িত করে সকলের হৃদয়। এভাবে আসে একের পর এক ঋতু।
-
গল্প
সত্য ঘটনা অবলম্বনেরিনিয়া সুলতানাআমরা যখন দাদু বাড়ি পৌছালাম তখন বিকাল ছুয়ে সন্ধ্যা। দাদিও তাই বাবাকে ফিরতে দিল না।কারণ আকাশে অনেক মেঘ ছিল।যেকোন সময় নাকি ঝড় হতে পারে।রাতে খাবার পরে মেজ চাচার ২ ছেলে আর আমি এক সাথে ঘুমাতে গেলাম।হঠাৎ বাইরে ঝড়ো হাওয়া শুরু হল।চাচাতো ভাই আমাকে বলল আমাদের বাগানের গাছে অনেক আম ধরেছে আম কুড়াতে যাব।
-
গল্প
নিবারণ মাঝিধুতরাফুল .নিবারণ মাঝি নৌকার গলুইয়ের শেষ মাথায় বসে আছে। সে তাকিয়ে আছে মাথাভাঙ্গা নদীর স্বচ্ছ জলে। সবুজ শ্যাওলার ভেতর ছোট ছোট মাছের খেলা চলছে । শরতের নীল আকাশের ছায়া পড়েছে মাথাভাঙ্গা নদীর জলে। শেষ বিকেলের কনে দেখা সূর্যরশ্মি প্রতিফলিত হচ্ছে নদীর দু পাশের কাশ বনে।
-
গল্প
আমাকে স্মরণ করিয়ে দেয়Ms Ahmadমা! যাকে আমি পছন্দ করতাম না? সে একদিন আমার সাথে দেখা করার জন্য বাগান বাড়ির পাশের রাস্তায় আসল। আমরা দু‘জনে অনেক আলাপ করলাম। হঠাৎ লক্ষ্য করলাম আকাশ উত্তর পশ্চিম দিকে আমাবস্যার ন্যায় অন্ধকার করে ফেলেছে। দেখতে দেখতে বাতাসও শুরু হয়ে গেল।
-
গল্প
কিংকর্তব্যবিমূঢ়শরীফ মুহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামানসহসা মাঝরাতে মেয়ে কন্ঠের চিৎকার শুনতে পেল ইমরান।তার সন্দেহ সঠিক হলো। সে বুঝতে পারলো হারাধনের মেয়েকে আবারো সর্বনাশ করার চেষ্টা করছে হয়তো পাপিষ্ট কোরবান আলী।ইমরান মনে মনে সন্দেহ করেছিল তাই সে তৈরি হয়েই ছিল।জানালা বেয়ে উপরে উঠে গেল সে।ছাদের নড়বড়ে দরজা ভেঙ্গে ফেলল সে।দ্রুত ভিতরে ঢুকে গেষ্ট রুমে গিয়ে হাজির হলো সে।
এপ্রিল ২০১৯ সংখ্যা
বিজ্ঞপ্তি
“ ” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ , থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।
প্রতিযোগিতার নিয়মাবলীএ যাবত
