প্রতিবার তোফায়রাই আর্কিমিডিসের ইউরেকার মতো জানান দিত বিড়ালের খোঁজ- জুতোর বাক্স, লোহার গাইল, আধভাঙা তবলা, পুরনো দোলনা, টব, বালতি, পেঁয়াজের টুকরি, মুড়ি ভাঁজার হাঁড়ি।
-
গল্প
চকলেট নোনতা বোনপ্রজ্ঞা মৌসুমী -
গল্প
বুক পকেটে পাওয়া চিঠিমোস্তফা হাসানঅনেক সাবধানে চলতে হয় তোমাকে। যখন তখন হুড়মুড় করে বাড়িতে তুমি ঢুকতে পারনা। যে কেউ খবর পৌছে দিতে পারে মিলিটারী ক্যাম্পে।
-
গল্প
মাতৃরূপীনী অন্নদায়ী রূপওয়াহিদ মামুন লাভলুজায়গীর থাকা বড়ই অবমাননাকর ব্যাপার। অবশ্য সবসময়ে নয়। আমি যে বাড়িতে থাকতাম তারই তিন-চার বাড়ি দক্ষিণের একটা বাড়িতে শামছুল হক নামে আমার এক সহপাঠী জায়গীর থাকতো।
-
গল্প
অমানিশামোঃ নুরেআলম সিদ্দিকীমেঘেরও নাকি অভিমান থাকে। অভিমান ধরে রাখতে না পেরে এক সময় বৃষ্টি হয়ে জড়ে। পাহাড় যেমন অঝোর শ্রাবণে নিরিবিলিতে কাঁদে। কে বুঝে পাহাড়ের কতটা কষ্ট? কে জানে মেঘের কেন এতটা অভিমান? কেউ কখনও মেঘকে প্রশ্ন করেনি, পাহাড়ের কাছ থেকে কেউ শুনতে চায়নি!
-
গল্প
অভয়া ক্লিনিকমোহন মিত্রতনয়ার মনে ভয় হল। সন্ধ্যা বেলা অচেনা শহরে। রিক্সায় ওঠার আগে একটা দোকানে জিজ্ঞেস করে নিলে ভালো হত। রিক্সা হর্ন বাজিয়ে চলছে।
‘ভাই, আর কতদূর? আধ মাইল তো পার হয়ে গেছে’। -
গল্প
অগ্নিদাহঅবাক হাওয়া prosenjitছেলেটার যেদিন জম্ম হল সেদিন ছিল মঙ্গলবার৷ তাই সবাই বলাবলি করছিল যে গরিবের ঘরে পূর্নিমার চাঁদ হয়ে আলো করতেই তার জম্ম৷ মায়ের কোলে ছেলেটা হাসি—কান্নায় যাদবপুর গ্রামের এক নিম্ম মধ্যবিত্ত পরিবারে বেড়ে ওঠছিল৷
-
গল্প
এটাও কোনো এক পাগলি'র গল্পফারহানা বহ্নি শিখাচেনা মানুষের ভিড়ে হারিয়ে গেছে সেসব ভদ্রলোক, যারা আমার মুখে ছিঃ ছিঃ করে থুঃ ফেলে। কিন্তু অন্ধকারে আদর করে, তাদের অমূল্য কিছু ফেলে যায় আমার গর্ভাশয়ে। আমিই শুধু মা হয়েছি। বাপ হয়নি তাদের কেউই....
-
গল্প
কোমল হৃদয়বিশ্বরঞ্জন দত্তগুপ্তএখান থেকে যে ডলার উপার্জন করেন তার পুরোটাই প্রতিমাসে একটি ক্যান্সার হাসপাতালে গরীব মানুষদের চিকিৎসার জন্য দান করে দেন , শুধু তাই নয় , প্রত্যেক সপ্তাহে এখানকার কাজের ছুটির দিনে হাসপাতালের বিভিন্ন কাজে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন সম্পূর্ণ বিনা পারিশ্রমিকে ।
-
গল্প
যে আমারে দেখিবারে পায়...ফাহমিদা বারীএকটানা কান্নার গুনগুন আওয়াজে মাথাটা ঝিমঝিম করতে থাকে রুবিনা বেগমের।
সম্মিলিত কান্নার আওয়াজটা ভেসে আসছে বাইরের চুলার পাড়ের ওদিকটা থেকেই। গ্রামদেশে এই চল অনেকদিনের। পাড়া প্রতিবেশি কেউ মারা গেলে সবাই দল বেঁধে তার বাড়িতে গিয়ে শোক জানিয়ে আসে। সেই শোকের তীব্র প্রকাশ এই সম্মিলিত কান্না। -
গল্প
প্রার্থিত প্রজন্মমনজুরুল ইসলামসময়টি ভরা বসন্তের। ভোরের কুয়াশা কেটে গেছে। সূর্য কেবলই উঠেছে। পাখিরা শব্দে মাতিয়ে রেখেছে প্রকৃতিকে। মাঝে মাঝে দু’একটি কাকও উড়োউড়ি করছে। মূল রাস্তায় কিছু লোককে হাঁটতে দেখা যাচ্ছে।
এপ্রিল ২০১৮ সংখ্যা
বিজ্ঞপ্তি
“ ” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ , থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।
প্রতিযোগিতার নিয়মাবলীএ যাবত
