প্রথম আলোর ‘ছুটির দিনে’ কোন এক নারী কর্মকর্তার সাফল্যের জীবনী পড়েছিলেন একজন মা। এরপর নিজের মাঝেও একটা স্বপ্ন বুনতে শুরু করেন তিনি। গার্মেন্টসের চাকুরী ছেড়ে একটু বাড়তি উপার্জনের জন্য নিজেই বসেন চায়ের দোকান দিয়ে।
-
গল্প
একজন অদম্য মায়ের স্বপ্ননূরনবী -
গল্প
কৃতজ্ঞতাপাশবিনায়ক চক্রবর্তীমোড়ের মাথায় রামুর চা-দোকানের একপাশে যে আবছা সাদাটে ধুলোমাখা চতুস্পদটিকে মাঝেসাঝে কুন্ডলী পাকিয়ে শুয়ে থাকতে দেখা যায়; পরিচিত মহলে তারই নাম ভুলু। ডাকনাম। হয়তো পোশাকিও। ভুলু জন্মসূত্রে নেড়ি।
-
গল্প
রক্তের ঋনতারিফুল ইসলামকেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পাশ দিয়ে হাটতে হাটতে, আমি আর রাহাত দু বন্ধু একসাথে হলে ফিরছিলাম।ফজলুল হক হল।রাত প্রায় ১০.৩০ মিনিট।রাহাত বললো,চল শহীদ মিনারের পাশে বসে একটু গল্প করি।গল্প করতে করতে অনেকটা সময় পেরিয়ে গেছে টেরই পাই নি।
-
গল্প
রূপান্তরআহা রুবনইলিয়ট ব্রিজ পার হয়ে মৃদু পায়ে হেঁটে আসছিল এক পাদুকা মেরামতকারী—যার কিনা ব্রিজের গোড়ায় এতক্ষণে ছালা বিছিয়ে বসার কথা। কাঁধে জুতোর কালি, ব্রাশ ও যন্ত্রপাতি সজ্জিত জীর্ণ বাক্স।
-
গল্প
ভাগ্যবাননাজমুল হুসাইনকত্ত কইরে কলাম ব্যবসাডা ধরো,কিডা শোনে কার কথা,চাইল,নাই চুলো নাই,নিধিরাম সরদার।সুইদে কামাই ওনার হজম হবি না।সৎ! লাত্থি মারি সতের কপালে আমি।মাইয়েডা আমার ভাত ভাত কইরে শুয়ে পড়েছে,ঘুম থেইকে উইঠলে কি কবানে!
-
গল্প
স্বল্পদৈর্ঘ্যফেরদৌস আলমচুল দাঁড়ি পাকলেই যে বয়স হয়ে যায়, তা আজকালকার যুগে হর-হামেশায় মিথ্যে হয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে বছর চারেক বয়সের বালকের মাথায়ও যখন চুল পেকে যায়, আর নিজে বাহাত্তর বছরেএসে কোটরস্থ চোখের ক্ষীণ দৃষ্টি দিয়ে তা দেখতে হয় -
-
গল্প
লালসাঅমিতাভ সাহাতিন বছর প্রেম করার পর গার্লফ্রেন্ড একদিন ল্যাং মেরে চলে গেল। কি কারণ জানি না। বলল, কাস্ট প্রবলেম। বাড়িতে নাকি বিয়েতে রাজি হচ্ছে না।
-
গল্প
আজ নাবিলার বিয়েনূরনবী সোহাগগানের আওয়াজে সকাল ১০ টার দিকে অভ্রর ঘুম ভাঙলো। খুব সম্ভবত গানের আওয়াজটা নাবিলাদের পাড়া থেকে আসছে।
অভ্র মাকে জিজ্ঞেস করলো, ‘কোন অনুষ্ঠান নাকি ও পাড়ায়?’
মা কোন উত্তর করলো না। হাত মুখ ধুয়ে নাস্তা খেতে বললো অভ্র’কে। -
গল্প
নীরব কান্নাআওসাফ অগ্নীগ্রামের ছেলে আলমাস। তার পরনে থাকে হাফশার্ট আর বানানো প্যান্ট। সে কোথাও গেলে এগুলি বেশির ভাগ সময় পরে। একদা সে ভর্তি হল মহাবিদ্যালয়ে।
-
গল্প
সে আর এক ঝাঁক জোনাকিমৌরি হক দোলাউপজেলা থেকে কিছুটা দুরে, একপাশে।চারপাশ শান্ত, নিরিবিলি। লোকসমাগম নেই বললেই চলে।তবে কখনও কখনও কলেজ পড়ুয়া ছেলেমেয়েদের এ পথে হেঁটে যেতে দেখা যায়।কখনও আবার বিচ্ছিন্নভাবে চলা পথচারীও চোখে পড়ে। কিন্তু তাতে কখনও এই সুন্দর প্রকৃতির নীরবতা ক্ষুণ্ণ হয় না। বরং চারপাশটাকে বড় বেশি সুন্দর লাগে।অন্যরকম, ছবির মত লাগে।
জুলাই ২০১৭ সংখ্যা
বিজ্ঞপ্তি
“ ” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ , থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।
প্রতিযোগিতার নিয়মাবলীএ যাবত
