সেদিন ছেলের বন্ধু ও বন্ধুর বৌ এলো তাকে দেখতে। তারাই বলল হঠাৎ ,বন্ধুর বৌটি একটি প্রবীণ নিবাস বানিয়েছে। সেখানে আজমল সাহেবের মতো অসমর্থ লোকেদের অনেক সুবিধা। বন্ধুটা বললো যাবেন নাকি চাচা সেখানে ?
-
গল্প
আমার যাবার বেলাbidhan chakraborty -
গল্প
জীবনের পরাজয়Dipok Kumar Bhadraআমাদের সংসারে যেমন অনেকেই ছিল, এখন সবাইকে হারিয়ে আমি নি:স্ব ।বুকের মধ্যে হা হা কার করে ।তেমনি রাজবাড়ীতেও জনশূন্য । শূন্যতা বিরাজ করছে।
-
গল্প
অমর শূন্যতাobaidul haque suhanবৃষ্টিতে সব সময় একা ভিজা যাইনা, মাঝে মাঝে দুজন লাগে। তার সাথে বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে পুকুর পাড়ে যাবো সে বায়না করবে পদ্ম এনে দিবার। আমি এনে দিবো বলে এনে দিবো না। সেই অভিমানে তার চোখে পানি আসবে।
-
গল্প
নগরের শেষ নাগরিকমোজাম্মেল কবিরচোরের গায়ে কষে একটা লাথি মেরে লোকটা সকালে বউয়ের সাথে ঝগড়ায় হেরে যাওয়ার ক্ষোভ থেকে খানিকটা নিষ্কৃতি পায়। মনের মধ্যে সারা দিনের জমে থাকা ক্ষোভটা এখানেই ঝেড়ে ফেলে যায় অফিস ফেরত...
-
গল্প
সাদা গোলাপPriankaএই নিয়ে ওর সাথে ঝগড়াই হতো শুধু । কিন্তু সরাসরি না, রাকিব আর তনুর মাধ্যমে । ওরা ছিল আমাদের বার্তাবাহক । আমি আর রুদ্রই তো ওদের রিলেশনটা করিয়ে দিয়েছিলাম ।
-
গল্প
জীবন শূন্যতাবিশ্বরঞ্জন দত্তগুপ্তবলছি - আমার কথাগুলি কি তোমার কানে যাচ্ছে ? বলি , এই সংসারে যত কাজ , যত দায়িত্ব সবই কি আমার ? সকাল হতে হতেই রান্নাঘরে ঢুকে চা করা , সকালের জলখাবার তৈরি করা , ঘরদোর পরিষ্কার করা এরপর রান্নার যোগার করা ।
-
গল্প
নীলাভ শূন্যতাJamal Uddin Ahmedমানুষ বিপদে পড়লি মাথায় কত দুশ্চিন্তা আসে।’ আব্দুস সাত্তার উৎকণ্ঠার সাথে বলে, ‘ঐদিককার আমার এক ব্যবসায়ী বন্ধু একটু আগে ফোন করছিল; বলল পুলিশ নাকি বর্ডারের পাশে একটা লোকরে করসফায়ার দিছে – সাথে নাকি অনেক ফেন্সিডিল…।’
-
গল্প
লুকানো শূন্যতাMir An-Nazmus Sakibপ্রিয়াংকা চোখ বন্ধ করলো। কল্পনার ঘোরে কাউকে যেন দেখতে পেলো সে। সামনে ভাসছে এক সুদর্শন, সাদামাটা, গো-বেচারা যুবকের মুখ। চোখে যেন তার শত বছরের মায়াগুলো জমাট বেঁধে রয়েছে। শরীরের চারদিক দিয়ে যেন তার কয়েকশ ভালোবাসার মৌমাছি উড়ে উড়ে বেড়াচ্ছে
-
গল্প
তের ঝগরীমোঃ মাইদুল সরকারহেমন্তের এক সোনালী সন্ধ্যায় পারুল যখন নতুন বউ হয়ে পরের বাড়ি গেল। তখন তার মা তাকে পই পই করে বুঝিয়ে দিয়েছে সাত চরেও রা করবি না। তুই রা করতে গেলেই সবাই বুঝে যাবে-‘তুই কতটা ঝগরী মেয়ে’।
-
গল্প
উত্তুরেদীপঙ্কর বেরাক্কেবারে পুকুরের ধারে বাড়ি । উত্তুরে হাওয়ার অবাধ যাতায়াত । দখিনা এ বাড়ির দরজা ভুলেই গেছে । প্রতিবারের মত এবারও ছিটে বেড়ায় আরও কিছু মাটি লেপে খড় ত্রিপল দিয়ে একেবারে টান টান করে দিয়েছে । কিন্তু মাটি ফুঁড়েও যে যাতায়াত আছে । একটামাত্র নড়বড়ে খাট । বুড়ো পাতুলাল শোয় ।
অক্টোবর ২০২০ সংখ্যা
আগামী সংখ্যার বিষয়
লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৫ মার্চ,২০২৬
এ যাবত
