অসহায় চোখের তাকানো দেখলে কলিজা শুকিয়ে যায়,
পরনির্ভরশীল আগাছা আজ!
শরীরের উপর নিয়ন্ত্রণহারা মানুষগুলোর প্রয়োজনীয়তা ফুরিয়েছে,
এবার তবে অপেক্ষা, শেষ খেয়া ধরার আশে মুহুর্ত গুনা।
কবিতা
অসহায় চোখের তাকানো দেখলে কলিজা শুকিয়ে যায়,
পরনির্ভরশীল আগাছা আজ!
শরীরের উপর নিয়ন্ত্রণহারা মানুষগুলোর প্রয়োজনীয়তা ফুরিয়েছে,
এবার তবে অপেক্ষা, শেষ খেয়া ধরার আশে মুহুর্ত গুনা।
কবিতা
ধীমান দূরদর্শী মানব সৃষ্টির
শ্রেষ্ঠত্বের বড়ই অহংকার,
ইহকাল পরকাল ব্যাপিয়া
এ মনুষের বোধের বিস্তার।
গল্প
কোভিড ১৯ বা করোনা ভাইরাস । আতঙ্কের নাম । ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে চীনের উহান প্রদেশে প্রথম এই মরণঘাতী ভাইরাসের দেখা মেলে । ধীরে ধীরে সারা দুনিয়ায় ছড়িয়ে পরে এই ভাইরাস । কোন বর্ডার মানে না; লাগে না কোন পাসপোর্ট । ধনী দেশ; গরীব দেশ এই ভাইরাসের কাছে সমান । ভয় করে না কারও চোখ রাঙানি; কোন এটম বোমা বা পারমাণবিক অস্ত্র ।
গল্প
দুই দুইটা সরকারী হাসপাতালে গিয়েও কোন লাভ হলো না। এত করে রতনের বাবা বোঝাতে চাইলো যে এটা তার ছেলের পুরনো রোগ। করোনার উপসর্গ হলেও করোনা না। কষ্ট হলেও রতন নিজে কথা বলে বোঝাতে চেয়েছে তার এটা অন্য রোগ। এমনকি পূর্বের চিকিৎসার কাগজ পত্র দেখানোর চেষ্টা করেছে।
কবিতা
যে জন ভবে অসহায় ভাবে -
ভয়ে ভয়ে চলে আজীবন,
সে জন তবে অভাগায় রবে-
কাপুরুষ চিত্তের আবরন।
কবিতা
সামনে উচু নিচু আর মধ্যবিত্ত-
নামের তিনটি শ্রেনি বিদ্যামান।
তাতে, উচু শ্রেনি নিশ্চিত নিরাপদে,
সব কিছু তাদের নাগালে।
কবিতা
ঘোমটা দিছে বিশ্ববাসি ঢাকতে নিজের দুঃখ।
কেমন করে দেখাবে সে তার পাপি মুখ।
সভ্যতাকে করতে ধারন পশুর আচরন!
আসলটাকে বন্ধিকরে নকল জাগরন।
গল্প
তোমার জন্যি আমি ঘর ছাড়ছিলাম। তোমার সাথে করি যাব বহুদুর, তোমারে কবুল কইয়া দিছিলাম অন্তর। ঠিক যতখানি আকড়াইয়া ধরছিলা তুমি আমার শরীরডারে তারচাইতেও অনেক বেশী অনুভব করছিলাম তোমারে, আমার কলিজার ভিতর।
কবিতা
যাবে?
কাশফুল দেখাব।
কয়েকটি ঘুড়ি কিনে দেব।
তুমি উড়াবে।
আর আমি! ও মুখপানে চেয়ে থাকবো।
কবিতা
এই যে সিঁড়িটা দেখছো,
থেমে আছে অন্তহীন কাল ধরে।
এখানে বসে কোন এক অলস বিকেলে
বলেছিলে, চলো কাটাই একটা জীবন
একই ছাদের তলে।
“ ” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ , থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।
প্রতিযোগিতার নিয়মাবলী