রতন মিয়ার সংসারের অবস্থা বেহাল। তার সব স্বপ্ন এক ঝড়েই শেষ। কি করবে এখন রতন মিয়া? কীভাবে বেঁচে থাকবে সমাজে? তার চোখেমুখে অসহায়ত্বের প্রতিচ্ছবি।
গল্প
রতন মিয়ার সংসারের অবস্থা বেহাল। তার সব স্বপ্ন এক ঝড়েই শেষ। কি করবে এখন রতন মিয়া? কীভাবে বেঁচে থাকবে সমাজে? তার চোখেমুখে অসহায়ত্বের প্রতিচ্ছবি।
কবিতা
আমাদের মাষ্টার মশাই নাম তার তাহের আলম
জাতি গঠনের উদ্দেশ্য নিয়ে হাতে তুলে নিল বই-খাতা-কলম
আজীবন সে শিক্ষার্থী শিক্ষাও দিতে চায় সবাইকে
বেছে নিলো মহৎ পেশা ছুটি দিলো আর সব চাকুরীকে
শিক্ষকতার চেয়ে মহৎ আর কিছু নেই এই দুনিয়াতে
কবিতা
একটি পথশিশু
হয়তোবা আমি বুঝেছি অন্যভাবে
কতটা রাত কেটে যায় নির্ঘুম অনাহারে
কতটা সবুজ বিকেল বিলীন হয় কালো ধোঁয়ায়
কতটা আকুল আবেদন মনের গহীনে অসহায়ে বন্দী হয়ে রয় ।
গল্প
দুই দুইটা সরকারী হাসপাতালে গিয়েও কোন লাভ হলো না। এত করে রতনের বাবা বোঝাতে চাইলো যে এটা তার ছেলের পুরনো রোগ। করোনার উপসর্গ হলেও করোনা না। কষ্ট হলেও রতন নিজে কথা বলে বোঝাতে চেয়েছে তার এটা অন্য রোগ। এমনকি পূর্বের চিকিৎসার কাগজ পত্র দেখানোর চেষ্টা করেছে।
কবিতা
যে জন ভবে অসহায় ভাবে -
ভয়ে ভয়ে চলে আজীবন,
সে জন তবে অভাগায় রবে-
কাপুরুষ চিত্তের আবরন।
কবিতা
দু’টি চোখের পাপড়ি ভিজে গেছে আমি নিস্পলক তোমার অবনত মুখের দিকে চেয়ে।
অবাক হয়েছি সব শুনে এতোদিন পর নগরীর নিথর বুকে আজ তোমার সাথে দেখা।
সময়ের উত্তরঙ্গ তপ্ততা ছুঁয়ে নীরব বিদগ্ধ বাঁকে মৌন পুড়ে হৃদয় ডানা।
কবিতা
যে দিন সিরাজ-উদ- দৌলা হয়েছিলেন পরাজিত
বাংগালীর জন জীবনে নেমে এসেছিলো অসহায়ত্ব
দেশ গিয়েছিল বিদেশিদের হাতে
লেখা আছে তা ইতিহাসের পাতাতে ।
কবিতা
এই যে সিঁড়িটা দেখছো,
থেমে আছে অন্তহীন কাল ধরে।
এখানে বসে কোন এক অলস বিকেলে
বলেছিলে, চলো কাটাই একটা জীবন
একই ছাদের তলে।
গল্প
ধ্রুব ধীরলয়ে হাঁটছে। একা । রাত এগারটা। ধানমণ্ডি লেকের পাড়। কারণ অকারণ কিছু একটা অবশ্যই আছে, তবুও বুঝতে পারছে না কেন সে নির্বোধের মত হাঁটছে।
এপার্টমেন্ট বিল্ডিং-এর সিকিউরিটি গার্ড নিষেধ করেছিল, ‘ভাইয়া, পুলিশ আছে রাস্তায়। ঝামেলা হইতে পারে।’
কবিতা
ছোট্ট করোনা ভাইরাস বিশ্বে দিল হানা,
অসহায়! কেউ ডাকে বাবা, কেউ ডাকে নানা!
পূর্ব- পশ্চিম সবখানে সমভাবে তার বিস্তার,
ধনী - গরিব, সাদা - কালো নেই কারও নিস্তার।
কারফিউ, হোম কোয়ারান্টাইন চলছে সমান তালে ,