ঝিরি ঝিরি বৃষ্টি হচ্ছিল বিকেল থেকেই।বিকেল গড়িয়ে এখন সন্ধ্যে।কোথা থেকে যেন দমকা হাওয়া এসে ঝাপটে পড়লো বৃষ্টি ফোটার গায়ে।ফুসকে উঠলো বজ্র নাদ।নিজেকে উপুড় করে দিয়ে,মেঘ যেন তার সমস্ত জল ঢেলে দিল ধরণীর বুকে।হয়তবা আজ সারা রাত শুষ্ক মরুভুমি সম,এই প্রাণ রাজ্যে উন্মাদ নৃত্যে মেতে উঠবে,অন্ধকারে নিমজ্জিত বৃষ্টির জল।
-
গল্প
কালো ডাইরীনাজমুল হুসাইন -
গল্প
সুখের দেখারঙ পেন্সিলজারুল গাছের ডালে বসা একটা হলুদ প্রজাপতি দেখে পিউ কিছু একটা বলছিলো। আমি আচমকা ওকে থামিয়ে দিয়ে বললাম, 'জানো পিউ,আমি একজনকে খুব ভালবাসি। খুউব।'
পিউ আমার দিকে তাকিয়ে অভিমানি সুরে বললো, 'আর আমাকে? ভালবাসনা?'
'বাসি তো। তোমাকেও ভালবাসি।' -
গল্প
খাদ্যে বিষ মনেও বিষএলিজা রহমানরোজগার তো সবাই করে , সুখ কয়জনে পায় ,সুখী হতে তো বেশি পয়সা লাগে না !!
-
গল্প
উলটোরথJamal Uddin Ahmedদাঁড়া দাঁড়া…
কী, বাবা?
ঐযে, ঐ দ্যাখ… এত সুন্দর পাখি!
মাহী থামে। হুইল চেয়ারের হাতলে তার দুই হাত রাখা। বাবার দৃষ্টি অনুসরণ করেও তেমন কিছু দেখতে না পেয়ে আবার বাবার মুখের দিকে প্রশ্নবোধক চোখে তাকায় মাহী।
দেখতে পাচ্ছিস না? কী সুন্দর পাখি। ডানা মেলে উড়ছে… -
গল্প
বৃক্ষতনয়ARJUN SARMAরাজার কাছে জায়গাটা এমনিতে ভালই লাগে।শুধু মা যখন তিরিক্ষি মেজাজে থাকে তখন তার খুব ইচ্ছে করে এ জায়গা ছেড়ে যে দিকে চোখ যায় চলে যেতে।একা যেতে ভয় যে করে না তা নয়।তবে সপ্তপর্ণীর কাছে গেলে ভয়টা চলে যায়।
-
গল্প
জারজমোজাম্মেল কবিরভাবতাছি বর্ষার মৌসুম, নদীতে অনেক পানি, অনেক স্রোত... ব্রীজের উপর থেইকা লাফ দিলে লাশ অনেক দূরে ভাইসা যাইবো, কেউ চিনলো না জানলো না। মাছে ঠোকরায়া খায়া ফেলবো। মাছ গুলা পেট ভইরা দুই চাইর বেলা খাইলো এইটা মন্দ কি!
-
গল্প
সকল শিশুর জন্যকাজী প্রিয়াংকা সিলমীদিনের এই সময়টা কেজো মানুষেরা ক্লান্ত হয়ে যায়। আমার সে সমস্যা নেই- এ সময়টা আমার সবচেয়ে পছন্দ। চারিদিকে বেশ শান্তি শান্তি ভাব। দুপুরের খাবার পর আম্মা বিছানায় শুয়ে ভাতঘুম দিচ্ছেন, আপার অফিস থেকে ফেরত আসতে এখনও অনেক দেরী। টিউটর আসার আগে ফারাহ তার হোমওয়ার্ক দ্রুত শেষ করার চেষ্টা করছে -- প্রতিদিন বকা খাওয়ার পরও মেয়েটা সময়ের পড়া সময়ে করে রাখে না। মাত্র দশ বছর বয়সেই সে মহা ফাঁকিবাজ হয়ে গেছে, পড়াশুনায় মন নেই। জমিলাবুয়াও নিজ মনে নিঃশব্দে রাতের খাবারের কাটাকুটো সেরে রাখছে।
-
গল্প
বিলাপমোঃ নুরেআলম সিদ্দিকীচোখের সামনেই যেন দেখেছি আকাশ, দেখেছি চাঁদ; পূর্ণিমার আলোয় আলোকিত করে রেখেছে সব। যেন কোটি নক্ষত্র চাঁদের জমিনে রেখেছে হাত, জোছনার মতো করে বিসর্জন দিয়ে যাচ্ছে সব। ক্রমেক্রমে শুনেছি মায়ের ডাক মা, বাবার ডাক বাবা। ভাষাটা শিখেছি বেশ মজবুত।
অনেকটা পথ পেরিয়ে এসেছি, মাটিতে রাখতো না যেন ঘুণে খাবে, পাটিতে রাখতো না যেন ব্যথা পাবে!
হাটতে হাটতে একদিন হাটা শিখেছি। শিখেছি মায়ের পরিধি ছেড়ে আত্মীয় স্বজনের পরিধির চারপাশ। অতঃপর সবার চোখের ভালোবাসার উজ্জ্বল নক্ষত্র। -
গল্প
কৈশোরErin Aronnoদাড়িয়াবান্ধা, গোল্লাছুট খেলাতে কাটত সারাদিন।
স্বাধীনতা মানে হয়ত ওটাই ছিল।
এত সবের মাঝে স্কুলের পড়াটাও ঠিকই হয়ে যেত।
রাতে দ্যা সিক্স মিলিয়ন ডলার ম্যান বা নাইট্রাইডার
সিরিয়াল গুলো না দেখলেই নয়। -
গল্প
স্মৃতিকাতরতায় এক কিশোরের দীর্ঘশ্বাসShahadat Hossenকিছু গল্প হবহু জীবনেরই হয়, স্মৃতিকাতারে একটা সময় লোপ পায়...আজ থেকে প্রায় কয়েক বছর আগের একটা অবহেলিত নিংড়ে যাওয়া নিম্নমধ্যবিত্তের কিশোর বয়সের গল্প...যখন সে ২য় শ্রেণীতে পড়ুয়া একটা বাচ্চা ছেলে। ক্লাসের শেষ বেঞ্চে সময় কাটতো যার প্রতিনিয়ত। যারা শেষ বেঞ্চে বসে তারাই তার অনুভূতি বুঝে।
সেপ্টেম্বর ২০১৯ সংখ্যা
আগামী সংখ্যার বিষয়
লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৫ জুন,২০২৬
এ যাবত
