লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ৩০ আগস্ট ১৯৮৮
গল্প/কবিতা: ৪টি

সমন্বিত স্কোর

৩.৪

বিচারক স্কোরঃ ১.৭ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ১.৭ / ৩.০

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftগল্প - স্বপ্ন (জানুয়ারী ২০১৮)

স্বপ্ন এবং অত:পর
স্বপ্ন

সংখ্যা

মোট ভোট ১৭ প্রাপ্ত পয়েন্ট ৩.৪

rafiuzzaman rafi

comment ১০  favorite ০  import_contacts ৭২৬
১.
উফ, কি কান্ডটাই ঘটে গেলো আমার মতো গোবেচারার সাথে!এও কি সম্ভব?বলিউডের শীর্ষ নায়িকা,বলিউডের গ্ল্যামার গার্ল,যার যার জন্য সারা বিশ্বের কোটি কোটি যুবকের ঘুম হারাম,যার প্রেমে ছ্যাকা খেয়ে বেচারা শহীদ কাপুর প্রায় পাগলই হয়ে গিয়েছিলো,সেই কারিনা কাপুর বলিউড গ্ল্যামার দুনিয়া,মুম্বাই,সাইফ আলী খান সব কিছু ছেড়ে ছেড়ে সোজা ঢাকায় চলে এসেছে শুধুমাত্র আমারই জন্য।প্যান পপ্যাসিফিক সোনারগাঁয়েও ওঠেনি,শেরাটনেও ওঠেনি।আমার এই কমদামী রংচটা ভাড়াবাড়িতেই এসে উঠেছে। তারপর আমাকে বিয়েটা করে ছেড়েছে।আমি কি করবো? তাকে বিয়ে না করলে সে নাকি আমার বাড়িতে বসে বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করবে। সে বাংলা ছবির মতো বিষ লিখা কাগজ লাগানো বোতল দেখিয়ে আমার বাড়ির সবাইকে ভয় দেখিয়েছে এতক্ষন। অগত্যা বিয়েতে রাজী হলাম।যাই হোক, মুম্বাইর গ্লামার গার্ল কারিনা কাপুর সব ছেড়ে ছুড়ে ঢাকার এককোণে বাস করা নিম্ন মধ্যবিত্ত এক গোবেচারাকে এসে বিয়ে করেছে খবরটা চাউর হতে পাঁচ মিনিটও লাগলো না।আমার বাসার বাইরে ভিতরে ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্টিং মিডিয়ার সাংবাদিকে ভরে গেলো।শুধু সাংবাদিক না।সাধারন মানুষেও গিজগিজ করছে সামনের রাস্তাটা।এরই মধ্যে এক টিভি রিপোর্টার আমার সামনে মাইক্রোফোন ধরে আমাকে বলছে "আপনার অনুভূতি কি?"
ক্যামেরা ম্যান দেখি আমার দিকে ক্যামেরা ধরে রেখেছে।এতদিন শুধু টিভিতে দেখতাম সাংবাদিকরা এভাবে সাধারন মানুষের সাক্ষাতকার নেয়।আমার কত শখ করতো।এজন্য কোথাও টিভি সাংবাদিক দেখলেই হা করে তাদের মুখের সামনে গিয়ে দাড়িয়ে থাকতাম।কিন্তু কোনোদিনই আমি তাদের নজরে পড়িনি বলে খুব আফসোস ছিলো।আর আজ তাদের কাছে আমার কদর দেখে আমি অনুভূতি ক্ষমতা হারিয়ে অনুভূতি কি বলতে পারছিনা।
এমন সময় দেখি ভিতরের রুম থেকে কারিনা বেরিয়ে আসলো সুখী সুখী হাসি দিয়ে।কি সুন্দর দেখতে ও!ওর সাথে পাশের ফ্লাটের আন্টির ছকছকানি মেয়েটাও আছে দেখছি।সারাদিন হিন্দি ফিল্ম দেখে আর হিন্দিতে কথা বলে।তার নাকি খুব বলিউডের নায়িকা হওয়ার শখ।বোধহয় সেজন্য কারিনার সাথে অত ভাব জমাচ্ছে।ও বাবা!কারিনা দেখি আম্মুর লাল সাদা শাড়ীটা পড়ে রয়েছে।কি ব্যাপার? ও কি ছাম্মাক চালো ড্যান্স দিবে নাকি?।
না। তা করলো না। ও বেরোতেই সাংবাদিকরা ওকে ঘিরে ধরলো। ও সবার উদ্দেশ্যে বললো"আসলে ও ঢাকায় আমি মুম্বাই জিনিসটা কেমননা?আমি ওকে একটুও কাছে পাবোনা।যদিও অভিনয়ই আমাকে আজকের কারিনা বানিয়েছে কিন্তু অভিনয়ের চেয়ে আমার কাছে গূরুত্বপূর্ন আমার ভালবাসা।তাইনা?তাই সব ছেড়েছুড়ে চলে এলাম। "
আমার পাশে এসে বসলো ও।সাংবাদিকরা আমাদের ছবি তোলা শুরু করলো ক্লিক ক্লিক শব্দ করে ও আমাকে জড়িয়ে ধরে পোজ দিতে লাগলো।
হঠাৎ আমি প্রচন্ড ঝাকুনি অনুভব করলাম।নিমেষেই কারিনা, সাংবাদিক সবকোথায় যেন হাওয়া হয়ে গেলো।চোখ খুলে দেখি আমি বিছানায় শুয়ে আছি।আমার চোখের সামনে দাড়িয়ে আছে আমাদের কালো কুচকুচে রঙের কাজের মেয়ে জরিনা।হরহর করে সে বলে যাচ্ছে- 'বাজার সদাই কিছুই তেমন নাই।ভাবী অফিসে যাওয়ার সময় কইয়া গেছে তর ভাই উঠলে বাজার করতে কবি। তারাতারি উডেন।বাজার কইরা আনেন।আমার আবার সময় নাই।'
আমি ঠিক বুঝতে পারছিনা।কি হচ্ছে এসব?চোখ বন্ধ করে দেখি আমার বৌ কারিনা আর চোখ খুলে দেখি কাজের বুয়া জরিনা। আমার সাথে কি হচ্ছে এসব?আমি বিবাহিত মানুষ এসব কি স্বপ্ন দেখছি!কি সব কান্ড!
বৌতো এমনিতে সারাক্ষন আমাকে নানারকম অপবাদ দিয়ে বেড়ায়।এই স্বপ্নের কথা তাকে শোনালে সেতে বুদ্ধিজীবীদের মত বড় মগে করে চা খেতে খেতে বলবে "সারাদিন যা ভাবো তাই স্বপ্নে দেখো"।
আমার চোখ দেয়ালে টাঙানো একটি ছবির ওপর গিয়ে থামলো।
আমি আর লাল শাড়ি পড়ে আমার পাশে বসা আমার বৌ। আমার ছোট ভাই ওর বন্ধুর আইফোন ফাইভ দিয়ে তুলেছিলো ছবিটি।
আমি জরিনাকে বললাম তোর ভাবী অফিসে চলে গেছে?জরিনা হু বললো।আমি বজারের ব্যাগ হাতে বাজার করতে বেরিয়ে পড়লাম।
আপনারা বোধহয় নিশ্চই ভাবছেন আমি একটা পুরুষ নামের মহিলা।আমার বৌ চাকরী করে আর আমি বসে বসে খাই?
মোটেও না।আমার বংশে এরকম ঘটনা নাই।শুনেছি আমার দাদার বাপকে দেখে নাকি তার বৌ ঠকঠকিয়ে কাপতো।আমাকে দেখে আমার বৌ কাপেনা অবশ্য।তবে আমিও বসে খাইনা। আমিও একটা চাকরী করি।আসলে হয়েছে কি,আমি অফিসে মিথ্যা কথা বলে কয়েকদিনের ছুটি নিয়েছিলাম।ছুটিটা নিয়েছিলাম অবশ্য বৌকে সারপ্রাইজ দেয়ার জন্যই।কিন্তু বৌয়ের ব্যাবহারে নিজেই সারপ্রইজড হয়ে কুচো মুরগীর মতো পুতিয়ে গেছি।ভেবেছিলাম চুপি চুপি ছুটি নিয়ে এসে বৌকে অবাক করে তাকেও একই ভাবে ছুটি নেওয়াবো।তারপর দুজনে লাকী আখন্দ'র 'চলো না ঘুরে অসি অজানাতে' গানটা গাইতে গাইতে কোথাও থেকে ঘুরে আসবো।ও বাবা!এইসব প্ল্যান প্রোগ্রাম তার সামনে উপস্থাপন করা মাত্রই দেখি তার চেহারাই চেন্জ!সে আমাকে দেখছে না ভূত দেখছে!আমি তারপরও সাহস করে হেসে বললাম দারুন হবেনা ব্যাপারটা?সে আমাকে বলে কিনা আমার নাকি ভীমরতি ধরেছে। অফিসে তার অনেক কাজ।সে আমার মত দ্বায়িত্ব জ্ঞানহীন নয় এবং মিথ্যুক নয় বলে সে ছুটি নিতে পারবেনা।আরো কত কি শোনালো, তা বলা যাবে না।শেষে বললো তার এই সব রোমান্স টোমান্স করার মত সময় নাই।আমি তখন তাকে টাকার পিছনে ঘোড়ার বেগে দৌড়ানো স্বামীদেরকে তাদের ঘরে বসে থাকা বৌরা যেমন অনুযোগের সুরে বলে

"তুমি আমাকে একটুও সময় দাও না।আমার জন্য একটুও সময় হয় না"তেমন করে এই কথাগুলো বললাম।প্রতিউত্তরে ঐ স্বামীগুলো যেমন অনুতপ্ত অনুতপ্ত চেহারায় রাজ্জাক যেমন কবরী জড়িয়ে ধরতো, সেভাবে বৌকে জড়িয়ে ধরে বলে -"সোনা আমি যা করছি তাতো তোমার জন্যই করছি।প্লীজ লক্ষীটি। রাগ কোরোনা প্লীজ। "
আশায় ছিলাম আমার বৌও এমন একটা কিছু করবে।ও বাবা!সে তো তা করলোই না বরং যা করলো তা হলো,সে বাংলা ছবির মহিলা ভিলেন রীনা খানের মতো দাত মুখ খিচিয়ে আমার দিকে এমনভাবে তাকালো, তাতে আমার ঐসব আশাগুলো মূহুর্তে দিশেহারা হয়ে দ্বিগবিদ্বিগ দৌড়ে পালালো আমাকে একলা ফেলে।আমি তখন ভয়ে কাচু মাচু হয়ে আসন্ন সুনামির আগেই 'আল্লাহ ডান বাও দিয়া নেও,ডান বাও দিয়া নেও' বলতে বলতে পা চালিয়ে অন্য গিয়ে দরজা বন্ধ করে বসে রইলাম আর ছুটিগুলো রুমে বসেই কাটানোর সিদ্ধান্ত নিলাম।
২.
নাহ, আজ অফিস করতে ইচ্ছে করছে না।একটুও মন বসছে না কাজে।হাতেওতো বেশ কাজ রয়েছে।এগুলোতো সারতে হবে।উফ কি যে করি?সব ঐ পাগলটার জন্য। কি একটা পাগলামী করলো কালকে।অফিস থেকে অসুখের ভান করে ছুটি নিয়েছে আমাকেও বলে কিনা আমিও যেন ছুটি নেই।তারপর ওর সাথে যেন কয়েক দিনের জন্য কোথাও ঘুরতে যাই।দিয়েছি এক ঝামটা।ঝামটা খেয়ে দেখি চুপ করে বসে আছে। হাহাহা।আসলে ও একটা পাগল।ওর সব পাগলামী আমাকে ঘিরে।ও আমাকে এত ভালবাসে যে মাঝে মাঝে আমিই অবাক হয়ে যাই।একটা মানুষ একটা মানুষকে এত ভালবাসতে পারে!আমার খুব ভয় হয়।এত ভালবাসা যদি ভাগ্যে না সয়।যদি কিছু হয়।
সেজন্য ওর ভালবাসার পাগলামীতে আমার ভেসে যাওয়াটা ওকে বুঝতে না দিয়ে উল্টো ওকে ঝারির ওপর রাখি।যেন কম ভালবাসে।যেন সবসময় এই ভয়টা আমাকে তাড়া করে না বেড়ায়।কিন্তু কে শোনে কার কথা?আমার ঝামটায় একটু চুপ করে থেকে আবার বেহায়ার মতো আমার সাথে পাগলামো শুরু করে।পাগল একটা।দেখিতো একটু ফোন দেই।পাগলটা কি করছে তার খোজ নেই। নাহ,থাক।লাই পেয়ে যাবে আবার।
ইস আজ অফিসে আসার সময় পাগলটাকে ছেড়ে আসতেই মন চাচ্ছিলো না।ওর বাচ্চাদের মতো গুটিসুটি মেরে শুয়ে থাকা দেখে ইচ্ছে হচ্ছিলো পাগলটাকে ভীষন করে জড়িয়ে ধরিয়ে শুয়ে থাকি।
বুঝেছি আজ কোন কাজ হবে না।যাই আমিও তিন চার দিনের ছুটি নিয়ে আসি।এবার পাগলটার সাথে পাগলামী করবো।
৩.
সুসংবাদ আছে।ট্রেনের টিকিট কেটে আনলাম।আমার বৌটা রাজি হয়েছে আমার সাথে চলোনা ঘুরে আসি অজানাতে গাইতে গাইতে কক্সবাজার থেকে ঘুরে আসতে।তবে একটা শর্ত আছে তার।ঐ সব কারিনা টারিনাকে স্বপ্নে দেখা যাবেনা।দেখলে আমাকে গলা টিপে মেরে ফেলবে সে।সব শর্ত মেনে নিয়ে আমি তাকে জড়িয়ে ধরে বলতে গোছিলাম- 'কি যে বলোনা জানটা!তুমিইতো কারিনা।না না,তুমি কারিনা হতে যাবে কেনো।কারিনা ক্যাটরিনা তোমার কাছে কিছু?'
তা দেখি বৌ চোখ গরম করে বলছে-থাক,হয়েছে হয়েছে।'
আমিও আর এগোই নি।সে যদি ট্যুরটাই পন্ড হয়ে যায়।
ওকে,বা বাই।কক্সবাজারের ছবিগুলো ফেইসবুকে দিয়ে দিবো।
লাইক দিয়ে একটিভ থাকুন।

advertisement

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
  • মামুনুর রশীদ ভূঁইয়া
    মামুনুর রশীদ ভূঁইয়া আজন্ম এক নারী প্রেমিক, কষ্ট আছে দারুন কবিতাগুলোর পর এ গল্পটি বেশ ভালো লাগল। অামার গল্পের পাতায় আমন্ত্রন। শুভ হোক নতুন বছর।
    প্রত্যুত্তর . ১ জানুয়ারী
  • মোঃ ইকবাল হাসান
    মোঃ ইকবাল হাসান ভাল লেগেছে, শুভকামনা, নতুন বছরের শুভেচ্ছা রইলো..
    আমার পাতায় আমন্ত্রণ..
    প্রত্যুত্তর . ২ জানুয়ারী
  • মোঃ মোশফিকুর রহমান
    মোঃ মোশফিকুর রহমান দারুণ লাগলো, ভোটটা তাই আপনার কাম্য ই! তাই ভোট করলাম, আমার পেজে আপনাকে স্বাগতম
    প্রত্যুত্তর . ২ জানুয়ারী
  • এ. আর.  সিলভার
    এ. আর. সিলভার Moja laglo pore. Vote rekhe gelam :)
    প্রত্যুত্তর . ৩ জানুয়ারী
  • সালসাবিলা নকি
    সালসাবিলা নকি গল্পটা এতো ভালো লেগেছে যে বলে বোঝানো সম্ভব নয়। বিয়ের আগের প্রেম ভালোবাসার গল্পের চেয়ে বিয়ের পরের বৈধ ভালোবাসার গল্পই ভালো লাগে। কনসেপ্ট ভালো লেগেছে। তবে বর্ণনায় 'আমি' ব্যবহার না করে তৃতীয় পুরুষে মানে কোন নাম ব্যবহার করলে আরও ভালো লাগতো। কি/কী এর ব্যবহারটা...  আরও দেখুন
    প্রত্যুত্তর . ৬ জানুয়ারী
  • মৌরি হক দোলা
    মৌরি হক দোলা খুব মজার একটি গল্প... ভালো লেগেছে...শুভকামনা রইল...
    প্রত্যুত্তর . ১২ জানুয়ারী
  •  মাইনুল ইসলাম  আলিফ
    মাইনুল ইসলাম আলিফ কি হচ্ছে এসব?চোখ বন্ধ করে দেখি আমার বৌ কারিনা আর চোখ খুলে দেখি কাজের বুয়া জরিনা। ভাই ভীষণ মজা পেলাম।একা একাই হাসলাম। শুভ কামনা আর ভোট রইল।আমার পাতায় আমন্ত্রণ।
    প্রত্যুত্তর . ১৬ জানুয়ারী
  • প্রজ্ঞা  মৌসুমী
    প্রজ্ঞা মৌসুমী ছিমছাম মিষ্টি-সুখী গল্প পড়তে তো বেশ লাগে। এ গল্পটাও বেশ। "একটা মানুষ একটা মানুষকে এত ভালবাসতে পারে!" আর স্বপ্নে কী না দেখলো পরের বউকে! তার থেকে ঘুম হারাম হওয়াই ভালো।
    প্রত্যুত্তর . ২০ জানুয়ারী
  • মোঃ নুরেআলম সিদ্দিকী
    মোঃ নুরেআলম সিদ্দিকী আপনার গল্প তো বেশ রসাত্মক, জানিনা আপনি কতটা রসাত্মক....? চমৎকার কাহিনী বিন্যাস, খুব ভালো লেগেছে। তবে ১ম পার্টে আপনার স্ত্রীকে নিয়ে যতটা লিখেছেন, বাকি পার্ট গুলোতে তেমন সামঞ্জস্য মিল নাই....! যাক গে, গল্প বেশ দারুণ, আবারও পড়ার আকাঙ্খা রেখে গেলাম..... শুভ ক...  আরও দেখুন
    প্রত্যুত্তর . ২৩ জানুয়ারী
  • ওয়াহিদ  মামুন লাভলু
    ওয়াহিদ মামুন লাভলু গল্পের প্রথমে চমৎকার রসালো চমক আছে। পরে বোঝা গেল এটা একটা স্বপ্ন। বৌয়ের, চাকরির এসব বিষয়ের মধ্যে বাস্তবতা আছে। বৌকে নিয়ে কক্সবাজার ঘুরতে যাওয়া খুব সুন্দর! অনেক মানসম্পন্ন একটি গল্প। আমার শ্রদ্ধা গ্রহণ করবেন। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইলো। আমার জন্য দ...  আরও দেখুন
    প্রত্যুত্তর . ২৯ জানুয়ারী

advertisement