গতকাল আমার কলেজে প্রথম পর্ব সমাপনী পরীক্ষার গার্ড দিতে গিয়ে নতুন অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হই। ইংরেজি ১ম পত্র পরীক্ষা (আবশ্যিক)পরীক্ষা। কোন ছাত্র যাতে ফেল না করে সেজন্য গার্ড একটু ঢিলেঢালাভাবে দেওয়ার জন্য আগে থেকেই প্রিন্সিপালের পরামর্শ ছিল। কিন্তু হলের পরিবেশ বিঘ্নিত যাতে না হয় সে ব্যাপারেও কড়া নির্দেশ ছিল। তো হলো কি, সামনের চেয়ারে বসে বসে একটা ছেলেকে খুব মার্কিং করছিলাম। মনে হচ্ছিল পায়ের ফাঁকে কাগজের নকল থেকে টুকছে। এই সময় প্রিন্সিপালও উপস্থিত। আমি প্রিন্সিপাল স্যারকে বিষয়টা জানালাম এবং নকল ধরার অনুমতি চাইলাম। উনি সম্মতি দিলেন। আমি ছাত্রটিকে দাঁড়াতে বললেই সে দাঁড়ালো, কিন্তু তার কাছে কোন কাগজ পেলাম না, পেলাম একটি মোবাইল সেট। জিজ্ঞাসা করতেই বললো, স্যার ভুল হয়ে গেছে, একটা কল এসেছিল, ওটা দেখছিলাম। ভাবলাম সত্যিই হবে। মোবাইল বাজেয়াপ্ত করে চেক করা শুরু করলাম। ওরে সব্বনাশ, তখনই দেখি মেসেজের ড্রাফট ফোল্ডারে Traffic Jam রচনা টাইপ করা। প্রিন্সিপাল স্যারকে দেখালাম। উনি সেটা দেখে ছেলেটির খাতা নিয়ে নিলেন এবং সংশ্লিষ্ট অংশ বাজেয়াপ্ত করলেন। ছেলেটি এই যাত্রা রক্ষা পেল।

এবার ভাবুন তো, মোবাইলের এমন ব্যবহার আমাদেরকে কোথায় নিয়ে যাবে??? পরীক্ষার হলে মোবাইল নিষিদ্ধের যৌক্তিকতা এখানেই।