বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।
Photo
জন্মদিন: ৩০ জানুয়ারী ১৯৮৫

বিশ্বক্ষমতায় নতুন সমীকরণে চীন-রাশিয়া

  • advertisement

    বিস্ময়করভাবে গত দশকজুড়ে রাশিয়া আর চীনকে পরস্পর পরস্পরের কাছে আসতে দেখা যাচ্ছে। এককালের 'সাপ-নেউলে' এখন 'মানিকজোড়'। সমাজতন্ত্রকে আদর্শ মানলেও সোভিয়েত যুগে বেইজিং থেকে মস্কোর দূরত্ব যত বেশি ছিল, পুঁজিবাদের দাপটের এই কালে এসে দুই প্রতিবেশীর ঘনিষ্ঠতা ঠিক ততখানিই বেড়েছে। এই আঞ্চলিক রাজনীতিরই অনিবার্য প্রভাব পড়েছে বিশ্ব রাজনীতিতে। সোভিয়েত ইউনিয়ন-পরবর্তী সময়ে প্রায় সবাই যখন এক মেরুর বিশ্বতে মার্কিন স্বেচ্ছাচারিতায় হতাশ, চীন ও রাশিয়া তখন বহুপক্ষীয় বিশ্বের প্রবক্তা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। জাতিসংঘ সংস্কার, উত্তর কোরিয়া, ইরান, ফিলিস্তিন, বিশ্ববাণিজ্য সংস্থা, ন্যাটো, কিয়োটো প্রভৃতি ইস্যুতে চীন-রাশিয়ার যৌথ ভূমিকা মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের কপালে ভাঁজ ফেলেছে।

     

    তবে এই দুই ক্ষমতাধর দেশের ঘনিষ্ঠতা নিয়েও প্রশ্ন কম নয়। আরব বসন্তে সিরিয়ায় যে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের জোয়ার উঠেছিল, তা চীন-রাশিয়ার বিরোধিতার কারণে অন্তর্বর্তী সমর্থন তো হারাচ্ছেই, উল্টো দামেস্কের ক্ষমতাসীন বর্বর নেতৃত্বকে নিষ্ঠুর কর্মকাণ্ড চালাতে পর্যাপ্ত সুযোগ করে দিচ্ছে। অথচ আজ মধ্যপ্রাচ্যের একমাত্র দেশ সিরিয়া ছাড়া কারো সঙ্গে রাশিয়ার মিত্রতা নেই। চীন-রাশিয়ার জন্য এটা নতুন কিছু নয়। তারাই ২০০৮ সালে জিম্বাবুয়ের ক্ষমতাসীনদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আপত্তি জানিয়েছিল। শুধু তা-ই নয়, ওই দুই দেশ নিজেরা সিদ্ধান্ত নিয়ে ২০০৭ সালে মিয়ানমারের জান্তাদের সেই দেশের সব রাজনৈতিক বন্দিকে মুক্তি দিতে বাধ্য করেছিল।

     

    গত ১০ বছরে অভ্যন্তরীণ, আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতির ক্ষেত্রে চীন ও রাশিয়া পরস্পরের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও স্বার্থের বিষয়ে সমর্থন দিয়ে, যৌথ প্রচেষ্টার একটা বহু-স্তর ও উচ্চমানের সহযোগিতা কাঠামো প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছে। দুই দেশের মধ্যে ঘন ঘন উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকের ফলে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক স্থিতিশীল এবং দৃঢ় সুসম্পর্কে রূপ নিয়েছে। এমনকি দেশ দুটি তাদের বিবদমান ৪ হাজার ৩৭০ কিলোমিটার সীমান্তের প্রায় ৯৭ শতাংশ চিহ্নিত করে এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। পশ্চিমা সমালোচনাকে থোরাই কেয়ার না করে নিজেদের মধ্যে ঐতিহাসিক জ্বালানি চুক্তি সম্পন্ন করেছে। আর্থ-বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০১০ সালে চীন ও রাশিয়ার বাণিজ্যের পরিমাণ দাঁড়ায় ৬০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা ২০০০ সালের পরিমাণের তুলনায় ৬ গুণ। বর্তমানে চীন রাশিয়ার বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদারে পরিণত হয়েছে। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক বিষয়ে চীন ও রাশিয়ার মধ্যকার সমন্বয় অনেকের কাছে ঈর্ষনীয় ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।

     

    রাশিয়া আর চীন 'ব্রিক' (BRIC)-এর অত্যন্ত প্রভাবশালী সদস্য। এই অর্থনৈতিক সংঘের সংক্ষিপ্ত শব্দরূপ পাওয়া গেছে ইংরেজিতে সদস্য চারটি দেশ ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত ও চীনের নামের আদ্যক্ষর যোগ করে। এসব দেশের ভালো অবস্থান বিশ্বের অর্থনীতির জন্য বহুল পরিমাণে গুরুত্বপূর্ণ উৎস সরবরাহের জায়গা হয়েছে। ব্রিক দেশগুলোর মধ্যে বিশ্বের ২৬ শতাংশ এলাকা, ৪২ শতাংশ জনসংখ্যা (২০৮৩ বিলিয়ন মানুষ) থাকে। ব্রাজিল, রাশিয়া, চীন ও ভারত প্রায় শতকরা ৪০ শতাংশ গম (২৬০ মিলিয়ন টনের বেশি), ৩০ শতাংশ হাঁস-মুরগির মাংস (৩০ মিলিয়ন টনের বেশি) এবং ৩০ শতাংশ গরুর মাংস (প্রায় ২০ মিলিয়ন টন) উৎপাদন করে থাকে। ব্রিক দেশগুলোতে ৩২ শতাংশ (০.৫ বিলিয়ন হেক্টর) চাষযোগ্য জমি রয়েছে। ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত ও চীনের সমকালীন প্রযুক্তির যথেষ্ট ক্ষমতা আছে, যা বাস্তবায়িত হলে বিশ্বের সামগ্রিক রূপ নির্ণয়ে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করা যাবে। পৃথিবীর মোট জিডিপির ১৪.৬ শতাংশ আসে এই ব্রিক থেকে। বিশ্বব্যাপী মন্দার ফলে আর্থিক প্রবৃদ্ধিতে যে ধাক্কা এসেছে, তার ৫০ শতাংশ এসেছে এসব দেশ থেকে। এসব দেশের প্রভাব-প্রতিপত্তি এবং রাজনৈতিক পট পরিবর্তন বিশ্বক্ষমতার সমীকরণে নতুন সংজ্ঞা যোগ করতে চলেছে, অর্থনীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিম ইউরোপের প্রভাব সুইচ টু হতে চলেছে চীন-রাশিয়ার সুপার পাওয়ারে।

     

    ব্রিক দেশগুলোর নিজেদের ভেতর সম্পর্কোন্নয়নের আগেই মার্কিন বিশ্লেষকরা তাদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ব্রিক দেশগুলো বিপদজনক হতে পারে বলে ধরে নিচ্ছে। ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত ও চীন সন্ত্রাসবাদ, সাইবার আক্রমণ, ইরান ও উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক পরিকল্পনার বিপদের সঙ্গে একই তালিকায় এবার জায়গা পেয়েছে। এই নতুন তালিকাঘোষণা করে পেন্টাগনের প্রধান লিওন প্যানেত্তা যেমন বলেছেন, আগামী ১০ বছরে ওয়াশিংটনকে এসব দেশের তরফ থেকে বিশ্বের স্থিতিশীলতা নষ্ট করার প্রচেষ্টা থেকে বাঁচাতে হবে।

     

    গত আগস্টে পেন্টাগন নিজেদের রিপোর্ট দিয়ে মার্কিন কংগ্রেসকে সাবধান করে দিয়েছে যে, আগামী ৯ বছর পর চীন নিজেদের সেনাবাহিনীর অস্ত্রসজ্জা দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে অতিক্রম করবে_'এ অঞ্চলের সামরিক ভারসাম্য অস্থিতিশীল করার মতো বিপদজনক।' আর রাশিয়া সম্পর্কে যা বলা হয়েছে : 'এটা বিশ্বের একমাত্র দেশ, যাদের স্ট্র্যাটেজিক পারমাণবিক ক্ষমতা আমেরিকার ক্ষমতার সঙ্গে তুলনীয়।' প্রসঙ্গত, যদি শেষ পর্যন্ত পাওয়া প্রতিরক্ষা খাতে বিনিয়োগের তুলনামূলক হিসাব দেখা যায়, তাহলে বিশ্বে প্রথম স্থান পাকাপাকিভাবেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ধরে রেখেছে, যা সারা বিশ্বের সম্মিলিত খরচের ৪০ শতাংশ। এরপর রাশিয়া বিশ্বে দ্বিতীয় এবং চীন তৃতীয়। কিন্তু নতুন অস্ত্রে বিনিয়োগ করার জন্য কোথাও থেকে সেই অর্থ পেতে হবে। সুতরাং মার্কিন কর্মকর্তাদের দুশ্চিন্তা হচ্ছে শুধু ব্রিক দেশগুলোর সামরিক ক্ষমতায়ই নয়, বরং অর্থনৈতিক ক্ষমতার জন্যও।

     

    কারণ, সেই বিশ্ব অর্থনৈতিক সংকটের সময়েই বিশেষজ্ঞরা এই নতুন ব্লকের দেশগুলোর অর্থনীতির দ্রুত উন্নতির কথা বলেছিল।পেন্টাগনপ্রধানের রিপোর্টকে মনে করা যেতে পারত ওয়াশিংটনের 'ঈগল ভগ্নাংশের' আরো একটি প্রচার হিসেবেই। তবে এর কিছু আগে হিলারি ক্লিন্টনের এক বক্তব্য থেকে স্পষ্ট হয়েছে, ওয়াশিংটন আমেরিকার বিশ্ব নেতৃত্বের ধারণা থেকে হটে যায়নি। হিলারির কথামতো, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সব ক্ষেত্রেই নেতৃস্থানীয়; এবং বাকিদের নিজের পেছনেই রেখেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এখন ওয়াশিংটনের রাজনীতিবিদদের বাস্তবের দিকে তাকাতেই হবে। বিশ্ব নতুন যুগে প্রবেশ করেছে, যাকে ইতিমধ্যেই নাম দেওয়া হয়েছে আমেরিকা-পরবর্তী যুগ। অন্যান্য ইউরোপীয় দেশও আরো বেশি করেই মার্কিন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। তাই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা আগের চেয়ে যথেষ্ট কমে যাবে। তারা অর্থনৈতিক ও সামরিক রাজনীতির ক্ষেত্রে মনোপলির অধিকার হারাবে।

     

    শীতল যুদ্ধ সমাপ্তির পর সবাই ধরে নিয়েছিল। মার্কিন নেতৃতে অন্তত এবার স্থিতিশীলতা আসবে, শান্তি প্রতিষ্ঠা হবে।কিন্তু সেই আশায় গুড়ে বালি। সারা বিশ্ব পুঁজিবাদের লোভের কাছে অসহায়; ক্ষমতা আর সম্পদই হয়ে দাঁড়িয়েছে মুখ্য। ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের সময়ে নতুন কলোনি জয় করার সময় স্লোগান ছিল_'সাদা চামড়ার মানুষদের সভ্যতা বিস্তারের প্রয়াস'। পরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের ক্ষমতাসীনরা আরো গভীর ও প্রসারিত করেছে এই ধারণাকে, নাম দিয়েছে 'গণতান্ত্রিকীকরণ'। গোটা বিশ্বকে সেই গণতন্ত্রের পাঠ দিতে গিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্র দেশগুলো একের পর এক সেনা আক্রমণ চালিয়ে গেছে ১৯৯৫ সালে বসনিয়ায় সার্বের বিরুদ্ধে, ১৯৯৯ সালে সার্বিয়ার বিরুদ্ধে। চালিয়েছে ন্যাটো বাহিনীর সম্প্রসারণের পাশাপাশি আফগানিস্তান ও ইরাকের ওপর অহেতুক আক্রমণ, পাকিস্তানে ড্রোন হামলা, লিবিয়ার ওপর আকাশপথে আক্রমণ করে বিদ্রোহীদের সহায়তা এবং পরিশেষে ইরানের ওপর কঠোর অর্থনৈতিক অবরোধ। আর এগুলোই চীন এবং রাশিয়া_এই দুটি ক্ষমতাসম্পন্ন দেশকে একজোটে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে বাধ্য করেছে। রাশিয়া-চীনের নতুন এই সমীকরণকে চীনের সংবাদ সংস্থা জিন হুয়া তাদের সম্পাদকীয়তে 'উজ্জ্বল পদক্ষেপ, যা নিজেদের স্বার্থের পাশাপাশি দেশের স্বার্থকেও রক্ষা করবে; এবং ব্যক্তিগতভাবে কারো ওপর আক্রমণ শানাবে না' বলে বর্ণনা করেছে।

     

    ন্যাটো বাহিনীর মোকাবিলা করতেই ১৯৯৬ সালের ২৬ এপ্রিল গঠিত হয় মিলিটারি গ্রুপ সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (Shanghai Cooperation Organisation)। চীন-রাশিয়া ছাড়া অনান্য সদস্য দেশ হল তৎকালীন সোভিয়েত বা মধ্য এশিয়ার কিরগিজস্তান, কাজাখিস্তান, তাজিকিস্তান ও উজবেকিস্তান। পর্যবেক্ষক সদস্য : ভারত, পাকিস্তান, ইরান ও মঙ্গোলিয়া।

     

    চীন এবং রাশিয়ার এই আনুগত্য যত না এনার্জি বা অন্যান্য অর্থনৈতিক চুক্তির জন্য, তার চেয়ে বেশি সেনাবাহিনী ক্ষেত্রে তাদের সমঝোতা। রাশিয়া তার কৌলীন্য হারায়নি, বরং চীনের সঙ্গে পার্টনারশিপে আবার প্রধান ক্ষমতাশালী দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে। দুই ক্ষমতাশালী দেশ হিসেবে উঠে আসা রাশিয়া ও চীনের মধ্যে এই সম্পর্ক আন্তর্জাতিক স্তরে তাদের বোঝাপড়া এবং রাজনৈতিক ও সামাজিক স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে সাহায্য করবে।এ পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে বিতর্কিত হওয়া সত্ত্বেও জাতীয় নিরাপত্তা এবং ভূ-রাজনৈতিক সীমানার মতো বিষয়ে তারা একে অপরকে সমর্থন জুগিয়েছে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, তাইওয়ান, তিব্বত, জিনজিয়াং, উইঘুর স্বশাসিত অঞ্চলের এবং চীনের কার্যকলাপে বিদেশি হস্তক্ষেপের মতো বিষয়ে রাশিয়া চীনের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে।

     

    এখানে একটি কথা বলে রাখতে হবে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্র দেশগুলোর ইরাক-লিবিয়ার স্বৈরশাসকদের উচ্ছেদে সহায়তার কারণ যেমন তেলসম্পদ, তেমনি রাশিয়া-চীনের সিরিয়ার স্বৈরশাসকদের পক্ষাবলম্বন করার পেছনে প্রধান কারণ সিরিয়ার তেলভাণ্ডার। এখানে গণতন্ত্র, মানবতা, আদর্শ কিংবা স্থিতিশীলতা স্রেফ ফাঁকা বুলি। নিজেদের স্বার্থের তাগিদে এই দুই দেশ যদি মার্কিন সাম্রাজ্যবাদীদের মতো তাদের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতাকে ব্যবহার করে, তাহলে বিশ্ব আবার মুখোমুখি হতে পারে স্নায়ুযুদ্ধের চেয়ে খারাপ পরিস্থিতিতে। স্বল্পমেয়াদি সম্পদ আর ক্ষমতার লোভে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যেতে পারে অসংখ্য গণতান্ত্রিক ও সামাজিক আন্দোলন! বিশ্বের মেরুকরণ হবে অশুভর বিপরীতে অশুভ।

advertisement

  • লুতফুল বারি পান্না
    লুতফুল বারি পান্না আপনার লেখাটা দারুণ রিচ। অনেক কিছু জানা গেল। এরকম লেখা সব সময় চাই। অবশ্য আপনার প্রতিটা লেখাই দারুণ তথ্যসমৃদ্ধ। একটা অংশ পড়ে অনেক আগের লেখা একটা কবিতার কথা মনে পড়ায় স্মৃতি থেকে উদ্ধার করে নিয়ে এলাম।
    প্রত্যুত্তর . ৭ মার্চ, ২০১২
  • কামরুল হাছান মাসুক
    কামরুল হাছান মাসুক অামাদের দেশের দুদলের মত । এক দল ভাল বললে অারেক দল এটাকে অবশ্যই খারাপ বলবে। পৃথিবীতে মনে হচ্ছে ক্ষমতাটাই অাসল। চীন রাশিয়া যদি অামেরিকার সুরেই কথা বলে তাহলে তারা মনে করে নিজেদের সম্মান হানি হচ্ছে। একটা বিষয় অবশ্য সবাই বলে চীন রাশিয়া যতই অামেরিকার বিরুদ্ধে ক...  আরও দেখুন
    প্রত্যুত্তর . ১৫ এপ্রিল, ২০১২
  • জিয়াউল হক
    জিয়াউল হক স্নায়ু যুদ্ধোত্তর পৃথিবীতে চীন রাশিয়ার এই কাছে আসা" এখন সময়ের দাবী । অন্তত তৃতীয় বিশ্বের গরীব দেশ গুলোর জন্য এটা আনন্দের বার্তা না হলেও কিছুটা সবস্থি এনে দেবে ।আর যা হোক যুক্ত রাষ্ট্রের একক মোড়ল গিরি টা আমরা কেউ কোনদিন পছন্দ করিনি ।
    প্রত্যুত্তর . ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১২