ফাল্গুনের হিমেল বাতাসে মেয়েটার চুল উড়ছিল । ছেলেটা মাঝে মাঝেই জুনিয়রদের
সাথে আড্ডা দিতে আসে লাইব্রেরীর নিচে চায়ের টং দোকানে । অসাবধানে চুলের
ক্লিপটা পড়লোতো পড়লো ছেলেটার চায়ের কাপে ।
-
গল্প
একটি ইভ টিজিং'র রোম্যান্টিক গল্পরাজু N/A -
গল্প
সীমান্তে গাঁদা ফুলমনিরুজামান Maniruzzaman লিংকন“ এটা শিশু ইব্রাহিমের কবর।
যে বৃক্ষটিতে ফুল ফোঁটার
আগেই উপড়ে ফেলা হয়েছে।“ -
গল্প
কাশু খুনিএনামুল হক টগরএক ঝড়ের রাতে এই খানে আমি চিৎকার করছিলাম। পাশের বস্তি থেকে একজন রিক্সা চালক আমাকে তুলে নিয়ে আশ্রয় দিয়েছিল। তার কিছু দিন পর এক দূর্ঘটনার সেই রিক্সা চালক, মানে আমার পালিত পিতা মারা যায়।
-
গল্প
ঝড়া ফুলজসিম উদ্দিন জয়দিনটি ছিলো ১লা বৈশাখ । বাংলা নববর্ষ । সবাই গুনগুন করে গাইছে ‘‘ এসো হে বৈশাখ, এসো.. এসো..’’। আমরা সবাই একসাথে বলি “শুভ হোক নববর্ষ”। সবাই যখন একসাথে উচ্ছাস্ আর আনন্দ নিয়ে নববর্ষকে স্বাগত জানালো তখন চোখের বাধঁ ভেঙ্গে উতপ্ত জল গড়িয়ে পরছিলো অনন্যার। স্বাধীন এই উম্মুক্ত আকাশ আর প্রকৃতি মাঝে অসংখ্য মানুষ আজ এসেছে রমনা বটমূলে।
-
গল্প
শিরোনামহীনমিলন বনিকহয়তো অনেক কিছুই
নয়তো কিছুই নয়,
শিরোনামহীন ভালোবাসায়
কবিতার প্রয়োজনে গড়ে তুলি
আবেগের প্রাসাদ। -
গল্প
ফাগুনের দোলআলমগীর মাহমুদবৃদ্ধ ঈমান আলী নদী ভাঙ্গা মানুষ। ঢাকা শহরে এসে ঝালমুড়ি বিক্রি করে সংসার চালায়। সংসার বলতে তার ছোট্ট একটি নাতি আর তিনি। আর কেউ বেঁচে নেই তার। নদী তার সব কিছুই কেড়ে নিয়েছে।
-
গল্প
আছমাদের কাব্যমোঃ মোজাহারুল ইসলাম শাওননীল নয়না আছমাকে
সেই যে হাফ প্যান্ট পরা থেকে
মনে রেখেছি;
অর্ধ শতক পেরিয়ে আজ
কেউ যখন বলে মধ্য গগনে সুর্য
অথবা কারো কারো মতে
আমার দুই পা ঢুকেছে কব্বরে; -
গল্প
বসন্তের বাতাসফাহমিদা বারীএই পর্যন্ত বলে শাকিব থামলো। আমিও কিছু বুঝতে না পেরে ওর মুখের দিকে চাইলাম। মেয়েকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছে। এতে দোষের কী হয়েছে? শাকিব আমার হতবিহবল দশা প্রাণভরে উপভোগ করলো। যেন শেষ চাল দিচ্ছে এমনভাবে বললো,
-
গল্প
রোদন-ভরা এ বসন্তকেতন শেখসিফাতের মোবাইল চার্জের অভাবে রীতিমতো কান্নাকাটি করছে।
সারাদিনের ব্যস্ততায় মোবাইলে চার্জ দেয়া হয়নি। ঠিক এই মুহূর্তে যখন মোবাইলের খুব প্রয়োজন, তখনই মোবাইলটা চার্জের অভাবে টি টি করে আর্তনাদ করছে। টিএসসির প্রচন্ড ভিড় আর কোলাহলের মধ্যেও সিফাত সেই টি টি কান্না শুনতে পাচ্ছে। -
গল্প
ভালোবাসা’র রঙ্গিন ঘুড়ি অন্য আকাশে উড়েমোকাদ্দেস-এ- রাব্বীরুপা আমাদের বাসায় এসেছে। আমি নিয়ে আসতে চাইনি এত তাড়াতাড়ি। এত তাড়াতাড়ি না নিয়ে আসতে চাওয়ার দুই ধরনের ভয় ছিল। এক হলো মা আর অন্য ভয়টি হলো বড় ভাই রিপন। ও ছাড়বে না আসবেই।
ফেব্রুয়ারী ২০১৬ সংখ্যা
আগামী সংখ্যার বিষয়
লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৫ জুন,২০২৬
এ যাবত
