ভোর রাতের দিকে ঘুম ভেঙে গেল নাজিয়ার। অগ্রহায়ণ মাস পড়েছে। বাতাসে শীতের আমেজ অনুভূত হচ্ছে। গা শিরশির করতে লাগলো নাজিয়ার। বিছানা থেকে উঠে ফ্যান অফ করে দিল সে। আবার বিছানায় শুয়ে পড়তেই সকালের একটা আলসেমি ছড়িয়ে পড়লো শরীরে। শুয়ে থাকলো বিছানায়, খানিকক্ষণ এপাশ ওপাশ করলো। কিন্তু আর ঘুম আসলো না।
-
গল্প
নবান্নের অশ্রুমোঃ আব্দুল মুক্তাদির -
গল্প
তিনামোঃ মোখলেছুর রহমানসেদিন শুক্রবার, অফিস নেই; লেখালেখির ব্যারাম আছে বলে ডায়রিতে লাঙল চালাচ্ছিলাম। ব্যারামের সবিস্তার হল- স্ত্রীর শত বকাঝকা খেয়েও ব্যামোটা সারেনি। এমন সময় তিনা এল তার বাংলা বই নিয়ে। ‘আমার দেশ’ এর ষড় ঋতুর ‘হেমন্ত’ পড়ছিল- “ হেমন্তে নবান্ন উৎসব ঘরে ঘরে।” হটাৎ আমাকে প্রশ্ন করে নবান্ন উৎসব কি বাবা। আমি সংক্ষেপে বুঝালাম- ‘কৃষকের নতুন ধান ঘরে তোলার উৎসব।’
-
গল্প
জীবন তরীমাইনুল ইসলাম আলিফআমি হা করে তাকিয়ে ছিলাম।
উঠোনের ঠিক মাঝখানটা দিয়ে নিকষ কালো এলো চুলের এক পরী হেঁটে যাচ্ছিলো।
আধো রোদ আধো ছায়ায়,লাল জামা পড়া মেয়েটিকে কি যে মায়াবী লাগছিলো সেদিন! আহ চোখ জুড়িয়ে যাবার মতো। -
গল্প
হাসুশরীফ মুহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামানগ্রামের নাম অশান্তপুর।যদিও গ্রামের মানুষগুলো খুবই শান্ত।তবে হাসুর মনটা খুব অশান্ত।আর গ্রামের এমন অদ্ভুত নাম যে কারা রেখেছিল হাসুর তা জানা নেই।সে মাঝে মাঝে গ্রামের চায়ের দোকানে বসে চুপচাপ বিষয়টা নিয়ে ভাবে।তবে কি হাসুর এই অশান্ত মনটার কথা ভেবেই প্রাচীনকালে কেউ বা কারা রেখেছিল গ্রামের নাম অশান্তপুর।একাকী নীরবে মুচকি হাসি দিয়ে ভাবনা থেকে বেড়িয়ে আসে হাসু।
-
গল্প
পায়েস ইউএনওJamal Uddin Ahmedরক্ষণশীলতা নাকি নগরমুখী প্রবণতার জন্য এ অঞ্চলে বরাবরই ঐতিহ্যবাহী উৎসবের আমেজ কম। প্রাক-বিদ্যুতায়নের যুগে যা-ও জারী-সারি-পালা গানের কদর একটু ছিল, এখন তা-ও নেই। কদাচিৎ রথ-মেলা, ঘোড়দৌড়, নৌকা বাইচের কথা শোনা গেলেও নবান্ন নামের উৎসবের সাথে অধিকাংশ লোকের পরিচয় কেবল বইয়ের পাতায়ই।
-
গল্প
দিন যার শিশিরের সুতোয় বোনারঙ পেন্সিলপ্রায় মাসখানেক জ্বরে ভোগার পর আজ শরীরটা বেশ ঝরঝরে লাগছে। কারো সহায়তা ছাড়াই ঠিক আগের মত ছুটতে ছুটতে সিড়ির সবগুলো ধাপ টপকে ছাদে চলে এলাম। ছাদে ওঠার পর টের পেলাম একটু একটু মাথা ঘুরছে। তারমানে জ্বরের শেষ ধাক্কাটা এখনো শরীরের কোন এক কোণে রয়ে গেছে।
-
গল্প
নবান্নকপিলদেব সরকারআজ আমার ছন্দের উঠোনে
রিক্ত হেমন্তের গান,
ভেসে এলে মাধুকরী ক্ষণে
দু'মুঠো নবান্নের ধান, -
গল্প
কার্তিকের নবান্নের দেশেAhad Adnanআমাকে তখন নিশিতে পেয়েছে। অগ্রহায়ণের রাতটা কেমন ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা লাগছে। এটা ঢাকা নয়, এটা তপ্ত কোন শহর নয়। আমি এখন উত্তরের একটা গ্রামে। হেমন্ত এখনও এখানে বাংলার সেই দিনগুলোর কথা মনে করিয়ে দেয়।
বছরের এই সময়টায় সূর্য ক্লান্ত হতে থাকে। কমতে থাকে তেজ। আর আমরা যারা নাগরিক ‘ঘানি টানি’, ইচ্ছে করে গ্রামে যেতে, শিকড়ে ফিরে যেতে, উৎসব করতে, নবান্ন উৎসব পালন করতে। -
গল্প
আসবে নবান্নেBiday Belaতুমি বলেছিলে কানে কানে,
ধৈর্যহারা বাবু মশাই,
গভীর প্রেমের মুহে পরে খেয়েছো লাজ,
একটু ধৈর্য ধরো,
বাবার হাতে একটি কানাকড়ি ও নেই,
নবান্ন আসুক, গোলায় ধান উঠুক
তারপর... -
গল্প
দশ কাঁঠা জমিনাজমুল হুসাইনঘ্যাচ করে উল্টে গেল বাম তর্জনীর নখ শুদ্ধ গোটা কর অব্দি।ফিনকি দিয়ে ছিটকে বেরিয়ে এলো যুবা রক্তের তাজা উন্মাদনা।মুহুর্তেই করুন আর্তনাদে লহিতাভা ধারণ করলো কাঁদামাটি আর ঘাসের গালিচা।বাতাসের গন্ধে যেন ভেসে গেল আহ!
অক্টোবর ২০১৯ সংখ্যা
আগামী সংখ্যার বিষয়
গল্পের বিষয় "মাতৃভাষা”
কবিতার বিষয় "মাতৃভাষা”
লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৫ জানুয়ারী,২০২৬
এ যাবত
প্রতি মাসেই পুরস্কার
লেখা প্রতিযোগিতায় আপনিও লিখুন
-
প্রথম পুরস্কার ১৫০০ টাকার প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র। -
দ্বিতীয় পুরস্কার ১০০০ টাকার প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র। -
তৃতীয় পুরস্কার সনদপত্র।
