ফরিদা খালার সাথে যেদিন আমার প্রথম দেখা হয় সেদিনের কথা আমার স্পষ্ট মনে আছে। তখন কেবল ভার্সিটিতে ফার্স্ট ইয়ারে ভর্তি হয়েছি। হলে উঠেছি অল্প দিন হল। সারাদিন টো টো করে সারা শহরে ঘুরে বেড়ানো, আর সারারাত নতুন বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিয়েই দিন কেটে যায়।
-
গল্প
মেরুদণ্ডরিফাত হাসান -
গল্প
পলাশীর ছেলেসৌবর্ণ বাঁধনসেবার গরমকালটা ভালো যাচ্ছিলোনা। শুরু থেকেই ঝড় বৃষ্টির তোড়ে গ্রীষ্মকে বর্ষা থেকে আলাদা করাই মুশকিল হয়ে পরেছিলো। সহদেবের মন সকাল থেকেই খুব খারাপ! একেতো ঘোড়ার গাড়িটা নিয়ে বাহিরে বের হওয়া যাচ্ছেনা।
-
গল্প
স্বপ্ন হারা মাSaniul Alamছোট ঈশানকে কষ্ট দিতে চাইতো না। যখন যা আবদার করতো সবটুকুই পূরণ করার চেষ্টা করতো তারা। ঘরে ছিলোনা বিদ্যুৎ, তবুও রাতে ঘুমানোর সময় সারা রাত হাত পাখা দিয়ে বাতাস করে যেতো ঈশানের মা। ঈশানও ছিল তখন শান্ত ছেলে। কখনো কারো সাথে রাগ করতো না। এমনকি ঝগড়া করা থেকেও বিরত থাকতো। সমাজের মানুষদের কাছে সে ছিলো প্রশংসনী। স্কুলের শিক্ষকরাও তাকে আদর করতো।
-
গল্প
মাতৃত্বের সাতকাহনশৈলেন রায়ক্লিনিক থেকে যখন কল এলো, তখন প্রায় বিকেল তিনটা। একটু পরে আসছি বলে, মাত্রই বিছানায় এলিয়ে দেয়া শরীরটার ভেঙে চুরে আসা টায়ার্ডনেসের সাথে যুদ্ধ শেষ করতে উদ্যত হলাম।
- ম্যাডাম একটু তাড়াতাড়ি আসবেন? মেয়েটার অনেক ব্যথা। মাত্র পাঁচ মিনিট পরেই আবার ফোন... -
গল্প
মা ও মাতৃভূমিসাইফুল সজীবসকাল ১০ টা বাজে। প্রচন্ড জ্যামের মধ্যে গাড়িটা থেমে আছে। গাড়ির ভিতরে ড্রাইভার রফিক আর বৃদ্ধ আবু তাহের সরকার। তাহের সরকারের বয়স ৭০ হবে। বাহিরে ঝিরিঝিরি বৃষ্টি পড়ছে এবং হালকা বাতাস বইছে। আবু তাহের সরকার গাড়ির গ্লাসটা একটু নামালো, আর রফিককে অনুরোধ করে বললো, "বাবা, এসিটা কষ্ট করে একটু বন্ধ করে দিবেন"।
-
গল্প
দীপশিখাLubna Negarআমি মধ্যবিত্ত ঘরের একজন সাধারণ মেয়ে i কালিদাসের শকুন্তলা বা রবীন্দ্রনাথের লাবণ্য নই I অবশ্য এখন যুগ পাল্টে গেছে i সময়ের আবর্তনে রবি ঠাকুর বিস্মৃত একটি নাম I আমার শৈশব কেটেছে বিংশ শতাব্দির অন্তিম প্রান্তে i বাবা সরকারি চাকরি করতেন i ঢাকা শহরে মোহাম্মদপুরে তিন রুমের একটা কোয়ার্টারে আমরা থাকতাম i বাড়িটি তিন তলা i নিচের তলা আমাদের জন্য বরাদ্দi বাড়িতে মায়ের ঘরে একটা ক্যাসেট ছিল i
-
গল্প
রত্নগর্ভাফাহমিদা বারীসকাল থেকেই ব্যস্ততা আজ উপচে পড়ছে ভৈরব সরণীর ৬৫/এ নাম্বারের ‘বৈকুণ্ঠ’ নামের ছায়াঘেরা বাসাটিতে।
বাসাটির মালকিন রোকেয়া রহমানের দম ফেলার ফুরসত নেই আজ। অনুষ্ঠান শুরু হতে আর মাত্র তিন ঘণ্টা বাকি। অথচ তিনি এখনো তৈরি করে নিতে পারেননি নিজেকে। -
গল্প
আত্নত্যাগশরীফ মুহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামানসুমি রাগারাগি করে তার ছেলেকে সাথে নিয়ে বাবার বাড়িতে চলে এলো।তার স্বামীকে সে খুব ভালোবাসে কিন্তু তার স্বামী বদরাগী আর তার কোনো কথা সে শোনে না।সুমি কি করবে বুঝে উঠতে পারছে না।লোকটাকে এই পাচ বছর ধরে সে বুঝিয়ে যাচ্ছে কিন্তু কিছুতেই তাকে সুপথে ফিরিয়ে আনতে পারছে না ।
-
গল্প
শেষ চিঠিআমি হুমায়ুনচার ভাঁজ করা কাগজটা, পিছন দিয়ে সাদা পেইজটাই দেখা যাচ্ছে । কাগজটা যখন আমার হাতে এসে পৌঁছায়, তখন এটা নিতান্তই সাধারণ একটা কাগজ বলে মনে হয়েছিল । ভাঁজ খোলার প্রয়োজন বোধ করি নাই তখন, এত কাজের মধ্যে সময় বের করা বেশ কঠিন । এইতো আজ অফিসে কি ছোট বিষয় নিয়ে কি তুমুল কাণ্ডটাই না বাধাল শামিমা ।
-
গল্প
সুঁই সুতোর সম্পর্কজাহাঙ্গীর মাসুদখুব সকালে মোবাইল স্কিনে ভেসে আসা রিংটোনের শব্দে ঘুম ভেঙে যায়। ঘুমের মধ্যে তড়িঘড়ি করে কলটা রিসিভ করেই বলে উঠি পরে কথা হবে। এখন রাখছি। কিন্তু মনে হলো ওপাশ থেকে বারবার বলছে এই কথা শোন। ফোন কেটে দিস না। ইতিমধ্যে লাইনটি ডিসকানেকটেড হয়ে গেছে।
মে ২০১৯ সংখ্যা
বিজ্ঞপ্তি
“ ” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ , থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।
প্রতিযোগিতার নিয়মাবলীএ যাবত
