কিছুক্ষণ চুপ থেকে সে তার ছেলেকে বলল,কিন্তু বাবা রাকিব ,আমার হাতে তো এখন তোমাদের দেবার মতো কোনো টাকা নেই। আমি ব্যবসা চালিয়ে কোনোমতে দিন কাটিয়ে দিচ্ছি ।ঘুরতে যাওয়ার মতো অতিরিক্ত টাকা আমার হাতে নেই যা তোমাদের দিতে পারি।
-
গল্প
সবদর আলীশরীফ মুহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামান -
গল্প
দানকুণ্ঠবিশ্বরঞ্জন দত্তগুপ্তগ্রামের লোকজন সবাই জানে সনাতন হাজরা উত্তরাধিকার সূত্রে পূর্বপুরুষের থেকে পাওয়া এত সম্পত্তির মালিক হয়েও ভয়ংকর কঞ্জুস , কৃপণ আর ব্যয়কুণ্ঠ ব্যক্তি ।
-
গল্প
জ্যামিতিক দই-ওমলেটপ্রজ্ঞা মৌসুমীটিভির বিজ্ঞাপনের মতোন তারপর ট্ৰেনে করে বাড়ি ফেরা আসে। জানালার মাপের দূরবীনে চোখ রেখে অরণিও চেষ্টা করে রঙধনু ভাবার। ছিটকে আসা কোন ভিখেরীর মতো ভাবনায় তখন ছেলেবেলা দাঁড়ায়।
-
গল্প
কিপ্টে দুলালArshad Beegলাল পড়াশুনায় ততোটা ভালো নয়।যায় হোক বিদ্যালয়ের গন্ডি পেরিয়ে মহাবিদ্যালয়ে ভর্তি হলো দুলাল।এবার তাকে বাড়ি ছেড়ে মেসে থাকতে হলো।সেখানেও সে কিপ্টে শুরু করে।ঠিকমত মিলের টাকা দেয়না।
-
গল্প
অদ্ভুত এক কৃপণনাজমুল হুসাইনত্যাদোড় বুড়োটার বয়স যতই বেড়ে চলেছে তার বাক পটুতা,ততই যেন বাড়ছে।তার সাথে কথায় পেরে উঠা খুব মুসকিলের ব্যপার।যে যাই বলুক তার সোজা সাপ্টা কথা,আর যাই হোক টাকা খরচ করা চলবে না।
-
গল্প
শোকARJUN SARMAরমেশকে সবসময় সমবয়সী বন্ধুরা, বড়োরা ক্ষেপায় আর দুয়ো দেয় ,
কিপ্টে যুগলের চিমসে ব্যাটা,
তোদের, টাকা খাবে উইয়ের পোকা । -
গল্প
কৃপণের গল্পজাহাঙ্গীর মাসুদমজিবুর মিয়ার যে সম্পদ, জমিজমা আছে সবই তার পিতার কাছে থেকে পাওয়া। নিজেও কিছু করেছে তবে সেটা হাতে গোনা।
-
গল্প
শাপিত জিকিরAhad Adnanএকটা সিগারেট দেন, কইতাছি’।
‘তুই আলিফ লায়লা পাইছিস আমারে? গল্প বলার ব্ল্যাকমেইল করে সুবিধা নিবি। আমার গল্প শোনার কোন মুড বা ইচ্ছা নেই’।
‘স্যার, গুলি কি আপনি নিজে করবেন’?
‘কেন, আমি করলে সমস্যা আছে’? -
গল্প
গোরস্থানজসিম উদ্দিন আহমেদগোরস্থানের পাশের বড় খেজুরগাছটার আধাআধি উঠে দৌলত আলী ওরফে দৌলত কঞ্জুস কোন মতে লটকে রয়েছে। জঙ্গলি গাছটার অমসৃণ গা আকড়ে এভাবে তিন চার ঘন্টা ঝুলে থাকা সহজ কথা না। তবুও থাকতে হচ্ছে। না থেকে দৌলতের কোন উপায় নেই। নিচে মানুষ-খেকো শিয়াল গুলো এখনো মরা মানুষের দেহ নিয়ে কাড়াকাড়ি করছে।
-
গল্প
পিতা-কন্যা উপাখ্যানরঙ পেন্সিলবিদ্যুৎ আসার কোন ঠিক ঠিকানা নেই তাই হাতের কেরোসিন তেলের বাতিটা নেড়েচেড়ে দেখে নেয় তেল ভরা আছে কিনা।খাটের পাশের চাল ভরা টিনের বড় কৌটার উপর বাতিটা রাখতে রাখতে হঠাৎ পাশেই কাপড় ঝুলানো দড়ির ওপাশটাতে চোখ পড়াতে তীব্র আতংকে ওখানেই জমে যায় ও।মাতব্বরের ছেলে মন্টু আর তার সংগির লালসার হাসি ওর মাত্র তিন হাতের মধ্যে।
নভেম্বর ২০১৮ সংখ্যা
আগামী সংখ্যার বিষয়
লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৫ জুন,২০২৬
এ যাবত
