লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ২৬ নভেম্বর ১৯৬৭
গল্প/কবিতা: ৩২টি

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftঅসহায়ত্ব (আগস্ট ২০১৪)

লেজ
অসহায়ত্ব

সংখ্যা

মোঃ আক্তারুজ্জামান

comment ১০  favorite ১  import_contacts ১,০৪৪
-মাষ্টার, শেষ পর্যন্ত ওটা তোমারও গজিয়েছে নাকি?

ঠিক বুঝলাম না!- মোতালেব মাষ্টার চমকে উঠে তারা মেম্বারের মুখের দিকে গভীর দৃষ্টি মেলে তাঁকিয়ে থাকেন। তাঁর চেহারা রক্তহীন বিবর্ণ দেখায়।

লেজ!- তারা মেম্বার বেঞ্চিতে বসে হাঁটু দুলিয়ে হাসতে থাকে।

মোতালেব মাষ্টার খুব বিব্রত বোধ করেন। মেম্বার বরাবরই ওরকম, চটুল সস্তা রসিকতায় কাকে যে কখন নাস্তানাবুদ বানায় তা আগে থেকে কেউই বুঝতে পারে না।

সন্ধ্যার পর তোমার যে গ্লাস নিয়ে বসার অভ্যাস আছে তাতো সবারই জানা কিন্তু আজকাল যে দুপুরেও বসতে শুরু করেছো তাতো জানতাম না- বিরক্তি অস্বস্তি মোতালেব মাষ্টারের স্বরকে বেশ তাতিয়ে তোলে। চায়ের দোকানের কমবয়সী ছেলেটা হাঁ করে তাকিয়ে থেকে ঘটনা বুঝতে চেষ্টা করছে। মাষ্টারের সংকোচটা আরও বেড়ে যায়।

আহ্! মাষ্টার তুমি দেখি ক্ষেপে যাচ্ছ। লজ্জা পেয়েছ? আরে বাবা, এ লজ্জা পেয়ে পুষে রাখার মত রোগ নয়। হেলা ফেলা করেছ কি মরেছ! অর্শ্ব, গেজ জাতীয় রোগে চিকিৎসা না করিয়ে, অপচিকিৎসা করে কত লোক মরে তা তুমি শুধু একজন ভাল ডাক্তারের কাছে গেলেই জানতে পারবে। ঢাকা আমার একজন ভাল ডাক্তার জানা শোনা আছে যে শুধু এই রোগের চিকিৎসাই করে। ঠিকানা নিয়ে যাও, একবার তাকে দেখিয়ে এস। মনে রেখ এ রোগের সাথে ক্যান্সারেরও বেশ সম্পর্ক আছে কাজেই আগে থেকেই সাবধান হয়ে ভাল চিকিৎসা করা খুবই দরকার- এবার আর রসিকতা নয় তারা মেম্বার বেশ গুরুত্ব দিয়েই মোতালেব মাষ্টারকে কথাগুলি বলে।

মাষ্টার স্বল্পভাষী মানুষ। তিনি মেম্বারের কথার আর কোন উত্তর দেন না। উচ্চরক্তচাপের কারণে দুবার সাক্ষাত মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে এসেছেন, বার্ধক্যজনিত আরও দু’Õএকটা রোগ শরীরে বাসা বেঁধেছে সত্য তবে ওরকম লেজ জাতীয় কোন অসুখ বিসুখের অস্তিত্ব তাঁর দেহে নেই।

একটা বদঅভ্যাস বা মুদ্রাদোষ তাঁর আছে। বসা থেকে উঠলেই বা হাতে নিজের পশ্চাৎদেশে হাত বুলান। কাপড়ে ধুলোবালি বা ময়লা লেগে থাকার ধারণা থেকে তাঁর এখন যে অভ্যাসটা হয়ে গেছে তা আসলেই বেশ বিব্রতকর, লজ্জাজনক।

চায়ের দোকানের বেঞ্চিটা থেকে উঠে আজ যখন ওই কান্ডটাই করলেন তখনই তারা মেম্বারও রসিকতাটা করল। একই গ্রামের সমবয়সী মানুষ মাষ্টারের বদ্অভ্যাস বা মুদ্রাদোষ যা-ই হোক এবিষয়টা সম্পর্কে তারা মেম্বার অজ্ঞ না। সে মাষ্টারের অনুপস্থিতিতে এই দোকানে বসেই তাঁর ওই অভ্যাসটা নিয়ে মাঝে মধ্যেই বেশ রসিয়ে রসিয়ে মজাও করে। কিন্তু আজ সে মাষ্টারের লেজ গজিয়েছে কিনা জানতে চাইল কেন তা একমাত্র উপরওয়ালা আর সে নিজেই জানে।

গ্রাম বা মফস্বল শহরের প্রাথমিক স্কুলের অবসরে যাওয়া অনেক শিক্ষক আর শেষ বয়সের দিনমজুরের চেহারায় তেমন কোন পার্থক্য থাকে না। মোতলেব মাষ্টারও ভেঙ্গে চুড়ে ফুরিয়ে গেছেন। শিক্ষকতা থেকে অবসরে গেছেন তাও বছর পনের হবে। সাত আট বছর আগে তাঁর স্ত্রীও গত হয়েছেন। ছেলেমেয়েদেরকে খুব কষ্ট করে মানুষ করেছেন। ওরা এখন বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বাবাকে দেখে। বাবার খাওয়া, বাবার পরা, বাবার শরীর সব কিছুতে তাদের এখন আলাদা, অন্যরকম বিশেষ ভাবনা।

রক্তচাপটা একবার যখন খুব করে মাষ্টারকে নাকানি চুবানি খাওয়াচ্ছে তখন জেলা শহরের একটা ক্লিনিকে তাঁকে দিন পাঁচেক থাকতে হয়েছিল। ক্লিনিকটার কাছেই মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কীভাবে যেন সেখানে খবরটা গেল। মুক্তিযোদ্ধা সংসদের এক নেতা এসে হাজির হলেন। মাষ্টারের বড় ছেলে তাঁর সাথে কথা বলল। নেতা যত মুক্তিযোদ্ধা মোতালেব মাষ্টারের খোঁজ খবর নিলেন, কাজের কথা বললেন তার চেয়ে বেশি বললেন একটা বিশেষ কথা। মাষ্টার চোখ বন্ধ করে বেডে শুয়ে শুয়ে শুনলেন নেতা কেবিন থেকে বের হতে হতেও তাঁর বড় ছেলেকে বলছেন- একজন মুক্তিযোদ্ধার ওটা প্রাপ্ত সম্মান! কিছু হলেই আমাদেরকে খবর দিতে ভূল করবে না। প্রশাসন প্রত্যেকটা মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুর পর তাকে সম্মান দিতে বাধ্য! এব্যাপারে কোনভাবেই ভূল করা যাবে না!

বিশেষ গুরুত্ব তাকে যেন সবকিছু থেকে আলাদা করে ফেলেছে। সবার এই আলাদা চোখে বিশেষভাবে দেখাটা মাষ্টারকে বেশি বেশি করে মনে করে দেয়-আর কয়েকটা দিনইতো! এই দিনগুলি খুব হিসেব নিকেষ করে চলতে পারলেই ভাল। নিজের, ছেলেমেয়েদের, সবার জন্যই তা ভাল।

পরিপাটি জীবনযাত্রার যবনিকাপাত ঘটে গেছে এখন শুধুই উপরওয়ালার একটা নির্ধারিত দিন আর অবধারিত একটা ঘটনার প্রতীক্ষা মাত্র। তাঁর পাঞ্জাবী এখন আর ইস্ত্রি করা হয় না। ওসব নিয়ে ভাবেনও না। ছেলেমেয়েরাও ভাবে না। সব ছেলেমেয়ের মতই তারাও চায় তাদের বাবা বেঁচে থাকুক। কিন্তু তারা জানে তাদের বাবা আর বেশিদিন বাঁচবে না। তাই খুব খেয়াল করে, বিশেষ ভাবে বাবার দিকে নজর থাকা চাই।

মাষ্টার এখন অবশ্য পাঞ্জাবী আর খুব একটা গায়ে দেন না, গুটিয়ে ঘাড়ের উপর ফেলে রাখেন। একসময় লুঙ্গি পরায়ও একটা শিল্পের ছোঁয়া ছিল। এখন লুঙ্গির একমাথা হাটুঁর উপর উঠে থাকে তো আর এক মাথা মাটি দিয়ে গড়ায়।

ছাত্রছাত্রীদের অনেকেই বড় হয়েছে। অনেকে বড় হতে হতে খুব ছোট হয়ে গেছে, পথে ঘাটে দেখা হলে নানা বাহানায় না দেখার ভান করে এড়িয়ে যায়। কেউ কেউ আবার দু’চারটা ছেলেমেয়ের বাবা-মা হয়েও এখনও শিশুই রয়ে গেছে! সামনে এলে ওরা এখনও মাথা তুলে সোজা হয়ে দাঁড়াতেই পারে না।



দোকান থেকে ফিরে মাষ্টার নিজের ঘরে বিছানায় একটু কাত হয়ে শুয়ে পড়েন। প্রতিদিন অবশ্য এরকমই করেন। এসময়টা প্রতিদিনই বিছানায় শুয়ে শুয়ে জীবনের পিছনটাকে উল্টে পাল্টে দেখেন নয়ত পত্রিকার বা টেলিভিশনে দেখা খবর নিয়ে ভাবেন। ফেলে আসা দিন ঘাঁটাঘাঁটি করায় যদিও কোন নতুনত্ব পান না তবে পত্রিকার পাতায় বা টেলিভিশনের খবরে সত্যি সত্যি নতুন নতুন অনেক কিছুই জানতে পান। দেশটা এগুনো দেখে আনন্দিত হন পিছানো দেখে কষ্ট পান। এসব যদিও তাঁর জন্য আর জরুরি কিছু না।

কয়েকটা দিনইতো, তিন নম্বর ষ্ট্রোকটা যে কোন সময়ই হতে পারে। তবু মাষ্টার দেশটা নিয়ে না ভেবে পারেন না। এই মাটির সাথে যে কী অদ্ভূত রহস্যময় এক সম্পর্ক!

রোজা শুরু হয়েছে। গ্রামের চায়ের দোকানটায় বেঁচাবিক্রি কিন্তু মন্দ হচ্ছে না। কাজী বাড়ির ছেলেটা দোকানটা বেশ জমিয়েছে। ব্যবসার কৌশলটা ছেলেটা বেশ ভালই বুঝে গেছে। রোজা শুরুর দিনই কেমন কায়দা করে পুরাতন একটা চাঁদর টাঙিয়ে দোকানটায় একটা আড়াল তৈরি করে দিয়েছে।

মাষ্টার জীবনে কোনদিনই রোজা ভেঙ্গেছেন বলে তাঁর মনে পড়ে না। তবু দোকানটায় তিনি একবার যানই পত্রিকা পড়া, একটু টিভি দেখা আর যাওয়া আসায় একটু সময় কাটিয়ে আসায় যেন একটু হাঁফ ছেড়ে বাঁচেন!

মোতালেব মাষ্টার বাম পাশ থেকে ডান পাশে কাত হতে গিয়ে পিঠে বেশ একটা টান অনুভব করেন। মনে হয় মাংসপেশীটা ছিঁড়ে যাবে। না পাশ ফিরলেই মনে হয় ভাল হত কিন্তু যে অবস্থা পর্যন্ত মোচড় দিয়ে আছেন তাতে আর আগের অবস্থায় ফিরে যাবার কোন উপায় খুঁজে পান না। নিজের শ্বাসটুকু বন্ধ করে খুব সাবধানে নিজেকে আস্তে আস্তে ডান পাশে এলিয়ে দেন।

আজ সকালে একটা টিভি চ্যানেলে আট টাকা উৎপাদন খরচের বেগুন রোজায় একশত বিশ থেকে একশত চল্লিশ টাকায় বিক্রি হওয়া নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল। কী অদ্ভূত ব্যাপার! দেশে আইন আছে আদালত আছে তবু এতবড় প্রতারণা কীভাবে সম্ভব মাষ্টার ভেবে পান না।

আজব দেশের যত গজব! দিন কয়েক আগে পত্রিকার একটা খবরে মাষ্টারের যেন দম বন্ধ হয়ে আসতে চাইছিল। বরেন্দ্র সেচ প্রকল্পের সেচ সুবিধা পেতে কর্তৃপক্ষ কৃষকদের প্রি-পেইড কার্ড ব্যবহারের ব্যবস্থা করেছে। কিন্তু এই প্রি-পেইড কার্ড কোন কোন কৃষকের সাথে নাকি রীতিমত প্রতারণা করছে। অর্থাৎ কৃষকদের টাকা খেয়ে ফেলছে কিন্তু পানি দিচ্ছে না। কোন কোন কৃষককে পানি দিলেও পাওনার চেয়ে কম দিচ্ছে।

বিজ্ঞানের এই যুগে লক্ষ কোটি মানুষের কেনাকাটা বা যাবতীয় প্রকার লেনদেন প্রি-পেইড কার্ডে দিব্যি চলছে। অথচ দেশের কৃষকের কাজ চলছে না। জমিতে পানি আসবে ফসল ফলবে এই আশা নিয়ে তারা মিটারে কার্ড ঢুকাচ্ছে অথচ প্রি-পেইড কার্ড খল নায়কের মত নাকি নিজের ইচ্ছা মাফিক আচরণ করছে। প্রি-পেইড কার্ড অন্যায়ভাবে টাকা গিলে ফেলছে, কর্তৃপক্ষ সেই টাকা কৃষককে ফেরত দিতে অযৌক্তিকভাবে টালবাহানা করছে।

গরীব কৃষক নিয়ে নাটক বানানো যায়। সিনেমা বানিয়ে দেশি বিদেশী পুরস্কার জিততে গরীব কৃষকদের জীবনচিত্রের মত নিয়ামক দ্বিতীয় কিছু আছে বলে মোতালেব মাষ্টার মনে করেন না। কৃষক নিয়ে সভা সেমিনারে কথা বলার মত সহজ বিষয়ও দেশে আর কিছু নেই।

মোতালেব মাষ্টার নিজেকে আবার ডান থেকে বাম দিকে কাত করে নেন। তারা মেম্বারের কথা মনে পড়ে। দিন কয়েক আগে সে চায়ের দোকানটার সামনে দাঁড়িয়ে লাফাচ্ছিল। ছেলের লেখাপড়া লাটে উঠেছে। তাই সে ছেলেকে মালেশিয়া পাঠানোর চেষ্টা করছে। পাসপোর্ট অফিস থেকে নিজে একটা ফরম এনে ছেলেকে দিয়েছে তা পূরণ করতে কিন্তু ছেলে পাসপোর্টের ফরমে ভূল লিখে নাকি তা বাতিল করে ফেলেছে। মেম্বার মাথা গরম করে চিৎকার করে বলছিল-আরে হারামজাদা, আমি যে পাঁচবার মেট্রিক পরীক্ষা দিয়ে পাশ করি নাই তাতেও যদি আমি ফরমটা লিখতাম তা নষ্ট হত না!

এই ছেলেটারই খুব ভাল ফল করে এস. এস. সি পাশ করার পর তারা মেম্বার ধূমধাম করে বাড়িতে শ’দুয়েক লোককে পোলাও মাংস খাইয়ে আনন্দ করেছিল। খুব ঠাট বাটের সাথেই জেলা শহরের ভাল কলেজে ছেলেকে ভর্তিও করিয়েছিল। ছেলেটাও প্রথম প্রথম দাঁপিয়ে ঝাপিয়ে কিছুদিন কলেজে যেত। তারপর মাস কয়েক যেতে না যেতেই দেখা গেল গ্রামেই সারাণ আড্ডাবাজি করে ছেলেটা দিন কাটায়। মেম্বার আর ছেলেকে কলেজ মুখোই করতে পারল না। পাঁড়ার অনেকেই বলাবলি করে- ওর মাথা বোঝাই শুধু গোবর!

আজকাল সব পরীক্ষার ফলই খুব ভাল হচ্ছে। পাশের হার প্রায়ই শতভাগে পৌঁছে গেছে। পাশ করে শিক্ষিতের সার্টিফিকেট নিয়েও তারা মেম্বারের ছেলেটা কেন অশিক্ষিত আর মুর্খ রয়ে গেল তাও মোতালেব মাষ্টার খুব করে ভাবেন।

রাজনীতির ভন্ডামি, চারপাশের নিষ্ঠুর হত্যা, ধর্ষণ, প্রতারণা, ফরমালিণ নিয়ে ভাবতে ভাবতে মোতালেব মাষ্টার ব্যাকূল হয়ে উঠেন। তাঁর খুব কষ্ট হয়। যদিও তাঁর ঘোলা চোখের তারায় জোর খাটিয়ে এসব খবর দেখে দেখে না ভাবলেও চলে তবু তিনি শুয়ে শুয়ে অসহায়ভাবে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়ার কথা ভাবেন। ভাবতে ভাবতে মনে হয় তাঁর খুব যন্ত্রণা হচ্ছে। পাইলস্ বা অর্শরোগের যন্ত্রনার চেয়েও কঠিন অন্যরকম যন্ত্রনা। তাঁর মনে মনে হয় তারা মেম্বার সত্যি বলেছে তাঁর লেজ গজিয়েছে! একটা নয়- অসংখ্য, অদৃশ্য যন্ত্রণাদায়ক লেজ!

advertisement

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
  • আরমান হায়দার
    আরমান হায়দার যদি বলি আপনার লেজটা চমৎকার হয়েছে তাহলে ভাববেন না আমি তারা মেম্বার। ///// আসলেই সাধারন কাহিনী নিয়ে এক অসাধারন গল্প তৈরী করেছেন আপনি। শুভকামনা আপনার জন্য।
    প্রত্যুত্তর . ৪ আগস্ট, ২০১৪
  • শামীম খান
    শামীম খান সুন্দর লেখা । ভাআল লাগলো । শুভেচ্ছা ।
    প্রত্যুত্তর . ৪ আগস্ট, ২০১৪
  • এস, এম, ইমদাদুল  ইসলাম
    এস, এম, ইমদাদুল ইসলাম হ্যা , বাস্তব । আরো বাস্তব দেখতে হলে ঘরে ঘরে যেতে হবে । পরিচয় দিতে চাননা এমন এক ৯২ বছর বয়সী অন্ধ মুক্তিযোদ্ধার নাতি তার দাদার অনিচ্ছা স্বত্তেও মুক্তিযোদ্ধা ভাতার ব্যবস্থা করেছে । বেকার এই নাতি সেই টাকায় ফুর্তি করে । দাদাকে সোনার ডিম বানিয়ে ঘরে আটকে ...  আরও দেখুন
    প্রত্যুত্তর . ৪ আগস্ট, ২০১৪
  • সাদিয়া সুলতানা
    সাদিয়া সুলতানা গুণী লেখকের গল্পের অপেক্ষায় থাকি। পড়ে ঠকিনি। শুভকামনা।
    প্রত্যুত্তর . ৪ আগস্ট, ২০১৪
  • আফরান মোল্লা
    আফরান মোল্লা বাহ্!দারুন!ভালো লাগা রেখে এলাম।সাথে মুগ্দতাও।শুভকামনা রইল অনেক।আমার পাতায় আমন্ত্রন রইল।
    প্রত্যুত্তর . ৫ আগস্ট, ২০১৪
  • জোহরা  উম্মে হাসান
    জোহরা উম্মে হাসান 'একটা নয়- অসংখ্য, অদৃশ্য যন্ত্রণাদায়ক লেজ! ' অসম্ভব সুন্দর এক জীবন আর যুগ যন্ত্রণার গল্প লিখেছেন , মন ভরে গেল !
    প্রত্যুত্তর . ৬ আগস্ট, ২০১৪
  • রনীল
    রনীল অসঙ্গতিগুলোকে এমন সুচারুভাবে তুলে ধরেছেন যে স্তব্ধ হয়ে গেলাম। পুরো দেশটাই আজ মতালেব মাস্টারের মত বাকহীন হয়ে গেছে, আর গুটিকয়েক মানুষ সবকিছু ছিবড়ে করে দিচ্ছে। শৈশবে পাঠ্যবইয়ে আদর্শ, নীতি এসবের উপর অনেক কিছু পড়তাম। আমার তো মনে হয়না পৃথিবীর আর কোন দেশে আমাদের...  আরও দেখুন
    প্রত্যুত্তর . ৯ আগস্ট, ২০১৪
  • এশরার লতিফ
    এশরার লতিফ প্রতিবারের মতই সাবলীল ভাষায় ব্যক্তি ও সমাজ জীবনের ক্ষয়গুলো উঠে এসেছে. খুব স্পর্শ করলো.
    প্রত্যুত্তর . ৯ আগস্ট, ২০১৪
  • ওয়াহিদ  মামুন লাভলু
    ওয়াহিদ মামুন লাভলু মূল্যবান লেখা। খুব ভাল লাগল। শ্রদ্ধা জানবেন।
    প্রত্যুত্তর . ১৩ আগস্ট, ২০১৪
  • আখতারুজ্জামান সোহাগ
    আখতারুজ্জামান সোহাগ ‘একটা নয়- অসংখ্য, অদৃশ্য যন্ত্রণাদায়ক লেজ!’
    শেষ লাইনটাতে এসে দারুণ একটা স্যাটায়ার পেলাম।
    শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এক দমেই গল্পটা পড়লাম। একজন মুক্তিয়োদ্ধা এবং একই সাথে শিক্ষকের জীবনের শেষ দিনগুলো, তাঁর চিন্তা-ভাবনা, তার সাথে সমসায়িক দিনগুলোতে চলমান ঘটনা প্রবা...  আরও দেখুন
    প্রত্যুত্তর . ১৩ আগস্ট, ২০১৪

advertisement