কোথায় ভীমের জন্মদাতা পবন কথায় কথায় রচিয়ে দাও বঙ্গ জননীর দামাল সন্তানদের জয়োধ্ধনী, অচিরেই একদিন দুরদিগন্তে জানবে সকলে মায়ের ভাষায় কথা বলাতে বায়ান্নতে মাতৃ ভাষা আন্দোলন করেই বাংলা রক্ষার হয়েছিল লোমরহর্ষক কাহিনী।
ছাত্র জনতা কৃষক শ্রমিক মানেনি কোন রাজ-রাজা আইন মৃত্যুর ভয়াবহতা জেনেও ১৪৪ ধারা করল ভঙ্গ মিছিল মিটিং গোলাবারুদে পুলিশের গুলিতে হারালেন তাদের শরীরের অঙ্গ।
বিকশিত কাঞ্চনে মুকুলের ছড়াছড়িতে উদ্ভাশীত ভরা প্রকৃতিতে আনমনা রাখাল চলে ফিরে স্বাধীন ভাব ছুড়ি, ফাগুনের অষ্টদিবসে পাকিস্থানি শাসক-পুলিশের ছোঁড়া গুলি ছেয়েছিল দমন করিতে মায়ের মুখের বুলি।
কৃষ্ণচুড়ার লালেঢাকা প্রকৃতিকেও হারিয়ে ঘুমড়ে কাঁদায় আর্তনাদের করুন সুর হাজার মায়ের করে বুক খালি শহিদের রক্তে রঞ্জিত করল রাজপথের বালি।
হাজার মায়ের বীর সেনানী নিজেদের ঝড়িয়ে ঝড়াল রক্ত অত্যাচারীর তক্ত ভাঙ্গিয়ে বাজাল জয়ের তুর্য বাংলা মায়ের মাতৃ ভাষা পড়ল বরমাল্য।
ছিল স্বপ্ন সকলের যাবে কেটে সুন্দর রজনী, খাল বিল নদনদী আর দরিয়া কোল ঘেষে ঘাটে বসা কলসি কাঁকনে দিবসকে আলিঙ্গন জানাবে গ্রাম্য বধুর কথার ফুলঝুরি, দস্যূর কপটতায় করতে পারেনি বন্ধি তপস্যা ছিল যা জয়ভেরি ।
একটি গোলাপের পাপড়ি বাঁছাতে ক্ষুধা তৃষ্ণার ছিলনা পরোয়া, নিয়ে হাজার স্বপ্ন কাটিয়ে কাটায় রাত্রিদিবা ।
পায়ের তলায় থেকে থেকে জানান দেয় উপদ্রব গরম পিচের রাস্তাতে বঙ্গসন্তান অনড়-অটল দাঁড়ায় রুখিতে জীবন রাখে বাজি কামান গোলার সম্মুক্ষে।
উদয় করাতে হবে এক রাঙ্গা প্রভাত ছিলনা কোন ঢাল তলোয়ার ছুটেছিল তারা শুধুই নিয়ে মা-জননীর আশির্বাদ, বদলে দিল সভ্য দেশে অসভ্যতার নির্লজ্জতার রেশ আছর গিয়েছে লুটেরাদের মহোৎসব পাপের সমাধিতে ।
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
বিজ্ঞপ্তি
“ ” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ , থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।