বাড়ির সমুখে পুকুরটা আজ যেন,
খুব নিরবিচ্ছিন্ন একা একা, গাছে ঢাকা পার গুলো আজ বড়ই মলিন
গাছের গুড়ি দাড়িয়ে আছে, আর আত্মহনের মর্ম বেদনায়,
যেন আকাশে মুখ তুলে অভিশাপ দিচ্ছে।
বাড়ির উঠানে সেই সজনে গাছটা,
এখনও আছে বাকলে চির ধরেছে, তবুও শাখা প্রশাখার বিস্তারে
দক্ষিণা বাতাস গান গায় আজও, বসন্ত যৌবন সজনে ডালে বসে,
তিলা ঘুঘু জোড়ার খুনসুঁটি গলার মালা চিক চিক করে।

কালের ইতিহাস চুপি চুপি ছাপ আঁকে তাই বোধ হয়
গ্রাম এখন চেনা যায় না, মেঠোপথের বাঁক এখন অন্যদিকে
আগের রাস্তায় আগাছা ঘাসে ঢাকা,সেই খড়বিচালির ছাউনি ঘর নেই,
ইট সুরকির দালান উঠছে পাড়ায় পাড়ায়।
খালের মুখের রাস্তাটা বন্ধ খালে যেতে হয় ঐ পাড়াটা ঘুরে,
গৃহস্থের বাড়িতে এখন, গরু মহিষের বাতান চরে না মাঠে
উঠানজুড়ে পাওয়ার টিলার, সেচ মেশিনের তেল ড্রামের ভির,
জলডুবা শানে শেওলা ধরেছ কেউ আর পুকুরে গোসল করে না।

1419@13 ফাল্গুন, বসন্তকাল।