একই চাকরি সারাজীবন করার দরকার কী? বরং যত বার চাকরি পরিবর্তন, তত বেশি বেতন। তবে চাকরি বদলের আগে কয়েকটা বিষয় দেখে নেবেন। 

 

 

কখন চাকরি ছাড়বেন। 

 

অপছন্দের কাজ 

এমন হতেই পারে যখন চাকরিটা পেলেন, কাজ শুরু করলেন, প্রথম-প্রথম ভালোই লাগছিল। কিন্তু কিছুদিন পরেই বুঝতে পারেন এই কাজটা এবং আপনি একেবারেই কম্প্যাটিবল নন। শুধুমাত্র ভালো বেতন, সুযোগ-সুবিধে পাওয়ার জন্যে অপছন্দের কাজ করার মানে হয় না।

 

নতুন কোনও ভালো চাকরি 

ভালো কোনও সুযোগ পেলে সেটা সময়মতো নিয়ে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। পরবর্তীকালে এরকম ভালো সুযোগ আর নাও আসতে পারে। তাই শুধুমাত্র ঝুঁকি নেওয়ার ভয়ে একই জায়গায় থেকে যাবেন না।

 

অসুস্থতা 

অনেক সময় চাকরির সময় বা কাজের চাপের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া সম্ভব হয় না। ক্রমশ শরীর খারাপ হতে থাকে। সে ক্ষেত্রে চাকরি ছেড়ে দেওয়া বাঞ্ছনীয়। কারণ স্বাস্থ্যই তো আসল সম্পদ।

 

খারাপ কাজের পরিবেশ 

মনে রাখবেন অফিসে কাজ করাই আপনার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত। কিন্তু অফিস পলিটিক্স বা অন্যান্য কারণে কাজেই যদি মন দিতে না পারেন তাহলে সে চাকরি করে লাভ কী? অফিসের পরিবেশ ভালো না হলে, সহকর্মীদের সঙ্গে বনিবনা না হলে বরং নতুন চাকরি খুঁজে নেওয়াই ভালো।

 

জায়গা বদল 

হঠাৎ করে যদি আপনি বেস শিফট করেন তাহলে চাকরিও বদলাতে হবে। তবে সুযোগ থাকলে কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ট্রান্সফার চাইতে পারেন। তাহলে আর চাকরি ছাড়তে হয় না।

 

পার্মানেন্ট চাকরি 

এখন বেশিরভাগ চাকরিই কনট্র্যাক্টচুয়াল। তাই ভবিষ্যতের নিরাপত্তার কথা ভেবে স্থায়ী কাজ পেলে চাকরি বদল করতেই পারেন।

 

ব্যাক টু স্কুল 

আবার পড়াশোনা করতে চাইলে কিন্তু চাকরি ছাড়তেই পারেন। তবে কী পড়ছেন সেটা দেখে নিন। যদি দু-এক বছরের কোর্স হয় তাহলে ইন লিউ বা ওই সময়ের ছুটির জন্যে আবেদন করুন। কর্তৃপক্ষ রাজি না হলে চাকরি ছাড়ার কথা ভাবতে পারেন।

 

চাকরি ছাড়ার আগে

 

● চাকরি ছাড়ার সিদ্ধান্ত ভেবেচিন্তে নিন। সাময়িক রাগ থেকে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিলে ভুল করবেন। রেজিগনেশন দেওয়ার আগে অন্য অপশন খুঁজে নিন। যদি অনেকদিন ধরেই চাকরি ছাড়বেন মনস্থ করে থাকেন, তাহলে আগে থেকে চাকরির খোঁজ করতে থাকুন।

 

● অন্য চাকরি না পেলে এই সময়টা কোনও কোর্স করে নিন।

 

● যত সমস্যাই থাক না কেন কখনও সম্পর্ক খারাপ করে চাকরি ছাড়বেন না। কখন দরকার পড়ে বলা তো যায় না!