রাজপথের বাকে বাকে
ব্যস্ততার ফাকে ফাকে
কখনও আলোকিত
কখনও অন্ধকার
নগরের রাস্তার দু’পাশে দুইচিলতে-
পড়ে থাকি আমি একা ফুটপাত।
-
কবিতা
ফুটপাতম, ম শফিকুল ইসলাম প্রিয় -
গল্প
তৃতীয় লিঙ্গরওনক নূরমধ্য রাত, ঘুমহীন চোখ, মুগ্ধ হয়ে জানালা দিয়ে চেয়ে আছে তনিমা। বাহিরে ঝুম বৃষ্টি, মনে হচ্ছে ধোয়া উড়ছে। মাঝে মাঝে বিজলি আলো বৃষ্টির রুপকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। হালকা মিষ্টি বাতাস শিহোরিত করছে তনিমাকে। মনে হচ্ছে কোন এক আকাঙ্খিত অজানা স্পর্শ ছুয়ে দিচ্ছে তাকে।
-
গল্প
মায়াবী রাতের পথিকএস জামান হুসাইনমেঘমুক্ত আকাশে ঝলসানো রুটির মত চাঁদ না থাকলেও লক্ষ কোটি তারকা আলো জ্বেলে পথিকের রাস্তা দেখিয়ে দিচ্ছে। জোনাকীরা যেন নিজেদের সমস্ত কাজ বাদ দিয়ে দলবদ্ধভাবে প্রদীপ জ্বেলে অন্ধকার দূর করে পথিকের পথ চলার কাজে সাহায্য করছে। পথের দু’ধারে সারি সারি অসংখ্য গাছ নিরবে দাড়িয়ে আছে। আশে পাশে তেমন জনবসতি নেই।
-
কবিতা
আঁধারের উত্তরাধিকারজসীম উদ্দীন মুহম্মদচোখ মুঁদলেই রাহুগ্রস্ত হই--- শনি, মংগল লাগে না
চারপাশে এখনো নব্য প্রেতাত্মার সাথে খাবি খায়
আদিম আধাঁরের প্রাগৈতিহাসিক গডজিলা
এই আধকাঁচা আধাঁর দেখতে কোনো টিকেট লাগে না! -
কবিতা
পুলক হিরকে ক্ষনে ক্ষনেমোঃ মামুন আহম্মেদনদীর বুকে চাঁদের আলো
আঁকছে দেখ আল্পনা।
ঘুমের ঘরে, তাইতো এত
স্বপ্ন ছোয়ার কল্পনা। -
কবিতা
আলো ফোটে নাসূনৃত সুজনচেনাজানা পথ
বলাশোনা মুখ
সময়ের স্রোতে যেন কচুরীরপানা,
অচেনা শহর
অচেনা এ ঘর
হাহাকার বুকে পুষি একা একটানা।
-
গল্প
হরণSalma Siddikaখুব যন্ত্রনা করে এই ভূতগুলো আজকাল। সন্ধ্যা হলেই রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়ায়, এদের সামনে নিঃশব্দে চলাফেরা করতে হয়। মানুষ এদের আশেপাশে শব্দ করলেই- ব্যাস, একেবারে সামনে এসে হাজির হবে।
-
কবিতা
লুকোচুরিশরীফ মুহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামানআমরা দেই ফাইল আটকে,টাকা ছাড়া কোনো কাজ করি না
ভোগান্তির চূড়ান্ত কারখানা খুলেছি সরকারি সব কাজের স্তরে স্তরে
এক একজন শিক্ষিত অমানুষ বাস করি সরকারি ঘরে ঘরে মানবতা জানি না
ভোগান্তি দিয়ে টাকা নিয়ে করি কাজ আর কিছু জানি না ঘরে বাইরে। -
গল্প
নিশি নিঝুমARJUN SARMAকোন কোন চাঁদনী রাতে উঠে হুইলচেয়ারে চড়ে জানালায় বসে । খোলা জানালায় চাঁদ হাসে । চাঁদের আলোয় চারপাশ কেমন স্নিগ্ধ লাগে । শ্রীপতি চোখ ভরে দেখে শান্ত সমাহিত রাতকে । এর সঙ্গে কারো তুলনা হয়না ।
-
গল্প
অন্ধকারে আলোফেরদৌস আলমখাট থেকে অনতিদূরে কাঠের লম্বা টুল। তারই উপর টিমটিম করছে চার্জার লাইটটা। নিঃশব্দে। ঘরজুড়ে আলোর মৃদু আভা আর নিস্তব্ধতা ভেসে বেড়াচ্ছে জমাট মেঘের মত। নিচে অসার দেহ এলিয়ে আছে বিছানায়। জোছনা পারুলের। চেতনায় তার নানা ভাবনা চঞ্চলা শিশুর মত ছোটাছুটি করছে। দেখতে দেখতে পথ শেষ হয়ে এল জীবনের। প্রায় আশিটা গ্রীষ্ম-বসন্ত মিলে গেল হাওয়াই মিঠার মত। স্বাদ পেতে না পেতেই শূন্য হয়ে যাওয়া যেন !
সেপ্টেম্বর ২০১৮ সংখ্যা
বিজ্ঞপ্তি
“ ” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ , থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।
প্রতিযোগিতার নিয়মাবলীএ যাবত
