অর্ধেক ঝাঁপি বন্ধ করে
ভাবি
আরেকটু থেকে যাই,
আরও দু এক প্রহর।
-
কবিতা
রেশ রয়ে যায়এশরার লতিফ -
কবিতা
আহবানMd. Shahnawaj Kamalএকদিন কেটে যাবে সহসাই এই ক্রান্তির ঘোর,
অমানিশা কেটে আসবেই জানি রাঙা অরুণের ভোর।
ধুয়ে-মুছে সাফ হয়ে যাবে সব শতকের জঞ্জাল,
দুঃখের তিমির ভেদ করে ফুটে উঠবে সুখের কাল। -
কবিতা
প্রত্যাশাsohanaমনে মনে করি কত যে আশা ,
করি কত প্রত্যাশা !
আশা করি যেটা হয়না সেটা পূরণ ,
তখন মনে লাগে কষ্ট ভীষণ । -
কবিতা
নিকুচি করেছে কবিতা – ২Bikash Dasহে ঈশ্বর
কি চাইবো এ পৃথিবীর কাছ থেকে
যে দেয় ভুখাদের পেট ভরে খেতে
ধনীদের ধনদৌলৎ, হত্যাকারিদের অস্ত্র
রুগীদের রোগ , দুর্বলদের নির্বলতা আর অন্যায়ীদের হাতে সত্তার ভার । -
কবিতা
অভ্র কাঁদছো কেন তুমিHelaliঅভ্র! আজি এতো করে কাঁদছো কেন
কি হল তোমার?
কতটা বছর গত হল তোমার এমন কান্না শুনিনি,
সেই কবে কেঁদেছিলে শেষবারের মতন
আবার সেই কান্না তোমার, সেই আগের মতোই গর্জন।
এমন কী হল যে, তোমায় এমন করে কাঁদতে হবে! -
কবিতা
প্রত্যাশার শিহরণসাকিব জামালজোছনা রাত । একলা আকাশে একলা চাঁদ,
ছোঁয়া অসম্ভব জেনেও আমি উঁচু করি শির
গাছের মতো নীরবে । উপেক্ষা করি সম্ভাব্য
পরাজয়ের কোলাহলপূর্ণ ভ্রুকুটি! -
গল্প
নার্গিসমোঃ আব্দুল মুক্তাদিরমাহমুদ বলল, 'আমার সঙ্গে দেখবেন। ঘুম ধরবেনা। আপনি চাইলে আপনাকে রাজ কাপুর, নার্গিস, দিলিপ কুমার, বিজয়ন্তীমালার ছবি দেখাতে পারি।'
তারেক বলল, 'কাজ সারছে...'
মাহমুদ বলল, 'তবে আমি ভাবছি মানুষের চেহারার এত মিল হয় কিভাবে? -
গল্প
মেঘের কোলে রোদ হেসেছেJamal Uddin Ahmed‘শেষ কর; চা-তো পানি হইয়া গেছে।’ রিপন তাড়া দেয়।
মিলন কাপের দিকে তাকায়। এখনও অর্ধেক কাপ চা বাকি আছে। সে সিগ্রেটে টান দিয়ে আরেক চুমুক চা খায়।
সদর রাস্তা থেকে রসুলপুর, পিছনতলা, পরীরবিলগামী স্থানীয় সরকারের রাস্তার মোড়ে নিদান আলীর চা-মনোহারী-মুদির ককটেল দোকানে গ্রামের লোকের জলসার মোক্ষম সময় বিকেল থেকে মধ্যরাত অবধি। -
গল্প
একদিন একসময়পুলক আরাফাতযার মা নেই তার যেন একটা চোখ নেই। বাবা বেঁচে থাকলে বাবার মাঝেও যেন মায়ের ছায়া খুঁজে ফিরে মানুষ। কারও কাছে বাবা প্রিয়। কারও কাছে মা প্রিয়। এমনটা লাগে ছোটবেলায়।
-
গল্প
প্রত্যাশার সিঁড়ি ভাঙা অঙ্কদীপঙ্কর বেরাঅনিন্দ্য রেজাল্ট নিতে স্কুলে যাছে। রাস্তায় গ্রামের মৃদুল ডাক্তারের সঙ্গে দেখা। বলল - তোর রেজাল্ট নিতে গিয়ে কাজ নেই। তুই তো ফার্স্ট হবি সবাই জানে। লাজুক হেসেছিল অষ্টম শ্রেণিতে পড়া অনিন্দ্য।
তারপর বাদবাকী রাস্তা শুধু মনে দূরু দুরু ভাব। যদি ফার্স্ট না হই। যদি মোহন ফার্স্ট হয়ে যায়। অর বাবা স্কুলের প্রেসিডেণ্ট। যদি অধীর ফার্স্ট হয়। ওর বাবা মৃণালবাবু আমাদের শিক্ষক।
আগষ্ট ২০২০ সংখ্যা
বিজ্ঞপ্তি
“ ” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ , থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।
প্রতিযোগিতার নিয়মাবলীএ যাবত
