মেয়ের উঠোনে বরপক্ষ চলে এসেছে ততক্ষণে। সুদর্শন তোরাজ আলীর সাথে আর কিছুক্ষণ পরেই মেয়ের বিয়ে। হঠাৎ শোরগোল শুরু করে দিল মেয়ের বাপজি যিনি নিজেকে কখনো কন্যাদায়গ্রস্ত পিতা মনে করেননি। এমন কি তিনি তাঁর বড়ো মেয়েকে পর্যন্ত শ্বশুরবাড়ি থেকে চুরি করে নিয়ে এসেছিলেন।
-
গল্প
একশতম ফাগুনপ্রজ্ঞা মৌসুমী -
গল্প
বিয়ের দিনজাকির মোল্লাএকদিন হঠাৎ দেখি খুব চেঁচামেচি হইতেছে । মা বলল, কি হয়েছে এত সব চিল্লাই কেন রে ? আমি ছুটলাম গন্তব্যস্থানে । আমি গিয়ে দেখি ক্লাবে একটা ছেলে আর একটা মেয়ে দু দিকে দুজন বসে আছে । আর কতকগুলি গ্রামের লোক তাহাদের জিজ্ঞাসা করে যাইতেছে, তোদের বাড়ি কোথায় ? ছেলেটা বলল, আমার বাড়ি কামারশাল । আর মেয়েটি বলল, আমার বাড়ি চাইপাট । কেউ একজন বলে উঠলো, কতদিন ধরে তোদের চলছে ?
-
গল্প
বাল্য বিবাহ্ ও তার কুফলহারুন-অর-রশিদশিমুলতলা গ্রামে। তুই একদিন গিয়ে দেখে আয়।
জসিম কিছুতেই রাজি হচ্ছিলনা, কিন্তু মায়ের পিরাপিরেতে সে রাজি হয়ে গেল। জসিম মেয়ে দেখে এলে তার মা জিজ্ঞাস করে, বাবা জসিম কুসুম কে দেখেতে কেমন লাগল?
জসিম মার জব্বাবে বলে, মা! তোমার তো সেই পছন্দ। -
গল্প
তিথির বিয়েমাইনুল ইসলাম -1" OR 5*5=25 or "N7OdHqQO"="আমার বর ইন্জিনিয়ার।
তোমার তখনো চাকরির কোনো ব্যবস্থা হয়নি।
বিয়ে ঠিক হওয়ার পর তবুও তোমাকে বলেছিলাম, "সম্ভব হলে কিছু একটা করো"
তুমি বিনয়ের সাথে আমাকে ফিরিয়ে দিয়েছিলে।সুকান্তের পঙক্তি টেনে নিয়ে বলেছিলে,
"ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়
পূর্ণিমার চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি। -
গল্প
তারালাপনির বিয়েশাহ আজিজআমায় তিনি আমার নাম , পিতার নাম , ঠিকানা বললেন এবং আরও বললেন আমি অমুক এই বিবাহের কাজী অমুকের সহিত এত দেনমোহরানায় বিবাহে রাজি আছি কিনা ? মনে মনে বলি ব্যাটা কাজী এত আয়োজন কইরা এখন জিগাও আমি রাজি কিনা । আমি হ্যা করে দিলাম ।
-
গল্প
একটি বিয়েAbdul Hannanমাদ্রাসাতে দাখিল পরিক্ষা দেবার আগ পর্যন্ত আমি ছুটির দিন গুলোতে কামলা যেতাম আর বৃহষ্পতিবার এবং সোমবারে বাজারে ভাজা বিক্রি করতে যেতাম।আমার পুজি একটা লোহার কড়া একটা দাঁড়িপাল্লা, একটা চেঙারি আর একটা ফরাত দুটো সালার বস্তা আর একটা কাপড়ের থলে।বাজারে গিয়ে ধারে দোকান হতে আটা পিয়াজ,বেসন,ঝাল,মসলা তেল নিয়ে ভাজা বিক্রি করে পয়সা শোধ দিয়ে লাভটা নিয়ে বাড়ী আসতাম।
-
গল্প
দূরদ্বীপবাসিনীকাজী প্রিয়াংকা সিলমীশেষমেষ এবার কি কিছু একটা হবে? ভেবেই সিয়াম একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে। কিন্তু মেয়েটা পেঁয়াজ খায় না। বাংলাদেশী কোন রান্নাই তো পেঁয়াজ ছাড়া করা যায় না। তারপর দুশ্চিন্তার উৎসটা চিন্তা করে নিজ মনেই হেসে উঠে। সত্যিই যদি মেয়েটার সাথে কিছু হয়,
-
গল্প
একটি বিয়ের গল্পঅপরেশ চাকমাআজ আমার বিয়ে। বিয়ে উপলক্ষে সমস্ত আত্মীয়-স্বজন এসে উপস্থিত। কেউ হৈ-হুল্লোড় করছে, কেউ অকারণে চিৎকার করছে। ‘মাথা ধরেছে’ নাম করে দরজা বন্ধ করে শুয়ে আছি। বাইরে থেকে যে চিৎকার-চেঁচামেচির আওয়াজ আসছে, তাতে সত্যি সত্যি মাথা ধরেছে। ইচ্ছে করছে বাইরে গিয়ে বলি, ‘সবাই দয়া করে চুপ করুন। আজ এই বাড়িতে কোন বিয়ে হবে না।’ অনেক অসম্ভবের মতো এটাও সম্ভব নয়। যেমন অলীককে দেয়া ‘তুমি নিজের পায়ে না দাঁড়ানো পর্যন্ত তোমার জন্য অপেক্ষা করবো’ কথাটা রাখা সম্ভব হচ্ছেনা।
-
গল্প
সলিমুদ্দির মেয়ের বিয়েশরীফ মুহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামানদশ মিনিট পরে সলিমুদ্দির বউ কান্না করতে করতে দৌঁড়ে এসে সলিমুদ্দিকে বলল, এই কই গেলা মাইয়া তো লতাগো বাড়িও যায় নাই, তাড়াতাড়ি বাইর হও, খুঁইজা দেহ মাইয়া কই গেল।
সলিমুদ্দি ঘর থেকে বের হয়ে বলল, কি কও, মাইয়া কই যাইব।আমি অহন ই খুঁজতে যাইতেছি। -
গল্প
সাক্ষী এই নীরবতার মুখোশমোঃ নুরেআলম সিদ্দিকীআজকাল সমুদ্রের ঢেউ আছড়ে পড়ে বুকের উপর। অনেকখানি অভিমান নিয়ে দিন অতিবাহিত করতে হয়। কিছু ভালো লাগে না। এই জমাট বাঁধা শহরে কোনকিছুর অভাব হয় না, তবুও নিজেকে কেমন যেন একা একা অনুভব হয়। যেন নিঃসঙ্গতার শহরে বড্ড হাবুডুবু খাচ্ছি। অতোটা ভাবনা আর কখনো গ্রাস করতে পারেনি আমাকে।
আগষ্ট ২০১৯ সংখ্যা
আগামী সংখ্যার বিষয়
গল্পের বিষয় "স্বাধীনতা”
কবিতার বিষয় "স্বাধীনতা”
লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৫ ফেব্রুয়ারী,২০২৬
এ যাবত
প্রতি মাসেই পুরস্কার
লেখা প্রতিযোগিতায় আপনিও লিখুন
-
প্রথম পুরস্কার ১৫০০ টাকার প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র। -
দ্বিতীয় পুরস্কার ১০০০ টাকার প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র। -
তৃতীয় পুরস্কার সনদপত্র।
