তিনি সৌভাগ্যশালিনী, সুদর্শনা এবং কৃষ্ণ আয়তচক্ষুক্তা। তিনি শ্যামাঙ্গী, পদ্মপলাশলোচনা, কুঞ্চিত কাল কেশবতী, তাম্র বর্ণের নখ, সুন্দর ভুরু আর স্তনযুক্তা।
এই সুলক্ষণা কন্যা মানুষ তো বটেই এমন কী দেবতা, দানব ও যক্ষদের আকাঙ্খিতা। আর অর্জুনকে জামাই করবেন বলে কী ছকটাই না কষেছিলেন রাজা দ্রুপদ – শূণ্যে ঘুরন্ত মাছের চোখে,
-
গল্প
অথ বিবাহ কথাসুপ্রিয় ঘোষাল -
গল্প
বাল্য বিবাহ্ ও তার কুফলহারুন-অর-রশিদশিমুলতলা গ্রামে। তুই একদিন গিয়ে দেখে আয়।
জসিম কিছুতেই রাজি হচ্ছিলনা, কিন্তু মায়ের পিরাপিরেতে সে রাজি হয়ে গেল। জসিম মেয়ে দেখে এলে তার মা জিজ্ঞাস করে, বাবা জসিম কুসুম কে দেখেতে কেমন লাগল?
জসিম মার জব্বাবে বলে, মা! তোমার তো সেই পছন্দ। -
গল্প
বিয়ের দিনজাকির মোল্লাএকদিন হঠাৎ দেখি খুব চেঁচামেচি হইতেছে । মা বলল, কি হয়েছে এত সব চিল্লাই কেন রে ? আমি ছুটলাম গন্তব্যস্থানে । আমি গিয়ে দেখি ক্লাবে একটা ছেলে আর একটা মেয়ে দু দিকে দুজন বসে আছে । আর কতকগুলি গ্রামের লোক তাহাদের জিজ্ঞাসা করে যাইতেছে, তোদের বাড়ি কোথায় ? ছেলেটা বলল, আমার বাড়ি কামারশাল । আর মেয়েটি বলল, আমার বাড়ি চাইপাট । কেউ একজন বলে উঠলো, কতদিন ধরে তোদের চলছে ?
-
গল্প
একশতম ফাগুনপ্রজ্ঞা মৌসুমীমেয়ের উঠোনে বরপক্ষ চলে এসেছে ততক্ষণে। সুদর্শন তোরাজ আলীর সাথে আর কিছুক্ষণ পরেই মেয়ের বিয়ে। হঠাৎ শোরগোল শুরু করে দিল মেয়ের বাপজি যিনি নিজেকে কখনো কন্যাদায়গ্রস্ত পিতা মনে করেননি। এমন কি তিনি তাঁর বড়ো মেয়েকে পর্যন্ত শ্বশুরবাড়ি থেকে চুরি করে নিয়ে এসেছিলেন।
-
গল্প
তারালাপনির বিয়েশাহ আজিজআমায় তিনি আমার নাম , পিতার নাম , ঠিকানা বললেন এবং আরও বললেন আমি অমুক এই বিবাহের কাজী অমুকের সহিত এত দেনমোহরানায় বিবাহে রাজি আছি কিনা ? মনে মনে বলি ব্যাটা কাজী এত আয়োজন কইরা এখন জিগাও আমি রাজি কিনা । আমি হ্যা করে দিলাম ।
-
গল্প
একটি বিয়েAbdullahil Kafiচৌধুরী সাহেবের একমাত্র নাতনী নাবিলা। সবে মাত্র আঠারো তে পা দিয়েছে সে। দেখতে মাশাআল্লাহ পরীর মতন। তাকে দেখে ক্ষণিকের জন্য হলেও ভিনজগতে হারিয়ে যায়নি এমন পুরুষের সংখা শান্তিপুর গ্রামে নেই বললেই চলে।
-
গল্প
প্রতীক্ষার অবসানবিশ্বরঞ্জন দত্তগুপ্ত
জায়গাটা কলকাতা শহর থেকে অনেকটাই দূরে । উড়িষ্যার কন্ধমাল জেলার আদিবাসী অধ্যুষিত একটি অতি মনোরম শৈলশহর । পূর্বঘাট পর্বতশ্রেনীর বিভিন্ন শৃঙ্গগুলি উঁচুনিচু ছন্দে ঘন সবুজে বেস্টিত এই শহরটিকে ঘিরে আছে । চারিদিকে চোখ মেলে তাকালে পাইন গাছের জঙ্গল , নিবিড় শালবন , -
গল্প
২২ বছর পরেজাহাঙ্গীর মাসুদআজ ১৪ এপ্রিল। এই দিনেই শুরু হয়েছিলো কিছু রাগ অনুরাগের রহস্য, মান অভিমানের পর্ব, চোখাচোখি চাতক পাখির মতো চেয়ে থাকা দৃশ্য। পিছনে পিছনে হাঁটা আর চুলের খোঁপা থেকে পরে যাওয়া ফুলগুলো হাতের মুঠোয় তুলে রাখার দৃশ্যটা আজও ভাসে চোখের পর্দায়। সেদিন কৌতূহলী ভেবেছিলাম - ছেলেটি কেন ফুলগুলো কুড়াচ্ছে। কিন্তু আজ অন্য রকম একটি গল্পের সূচনা হচ্ছে।
-
গল্প
অধরা ও সমুদ্রের গল্পআদেল পারভেজশরৎ এসে চলে যায় কাশফুল গুলো অভিমানে ঝরে যায় এমন করে কয়টা শরৎ যে কেটে গেলো তুমি বিহীন, অধরা তোমারও কি আমার জন্য মন কাঁদে? আমার মতো তোমারও কি মনে পড়ে সেই শরতের কথা?
-
গল্প
জীবনে সুখ ও ভালোবাসা সংসারমোঃ অনিক দেওয়ানবিয়ে মানে একটা সংসার
বিয়ে মানে একটা বাঁধন
বিয়ে মানে একটা নতুন জীবন
বিয়ে মানে একটা সারাজীবনের বাঁধন
বিয়ে মানে সাজানো সংসার
বিয়ে মানে পুরিপূর্ণ জীবন
আগষ্ট ২০১৯ সংখ্যা
বিজ্ঞপ্তি
“ ” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ , থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।
প্রতিযোগিতার নিয়মাবলীএ যাবত
