রিমোট কন্ট্রোল চিরদিন একজনের হাতে থাকে না। ছেলেকে এক সময়ে খেলার মাঠ থেকে টেনে প্রাইভেট টিচারের পাঠ নিতে বাধ্য করেছে যে বাবা, সেই বাবাকেই এখন ছেলের কথা মেনে শক্তিগড়ের ল্যাংচা ছেড়ে নিম-বেগুন বা উচ্ছের তরকারি খেতে হয়। নিজের শরীরের ভালোর জন্য সে নয় খাওয়া যায়, কিন্তু নিজের একমাত্র ছোটো-মেয়ের বিয়ে কখনই পঞ্জিকা না মেনে দেওয়া যায় না।
-
গল্প
বিবাহ উৎসবJaydip Chakraborty -
গল্প
অতিথি অন্দরেJamal Uddin Ahmedমির্জা মাইনুল হোসেন সখেদে পায়চারি করছেন লিভিংরুম টু বেডরুম, বেডরুম টু ব্যালকনি; হাত দুটি পিছনে, চোখে পুরু লেন্সের চশমা। চোখ-মুখ ফোঁসফোঁস করছে কিন্তু কোনো শব্দ বেরুচ্ছে না। কখনও রাগের মাত্রা বেড়ে গেলে ব্যালকনিতে লাগানো মানিপ্ল্যান্টের পাশে দণ্ডায়মান আকাশ পর্যবেক্ষণরত নাতনি শোভার দিকে চোখ বড় করে তাকিয়ে এক মহুর্ত থামছেনও।
-
গল্প
একটি অনাড়ম্বর বিয়ের গল্পজুলফিকার নোমাননানা ধরণের মজার মজার কথা বলে সোহানা যখন বিদায় নিল, তখন শুনলাম শ্রাবণীর কণ্ঠ, "আমি আপনার জন্য বোঝা হয়ে আসিনি তো?"
- বোঝা না, হৃদয়ের ওঝা ! আর 'আপনি' না, এখন থেকে 'তুমি' হবে। -
গল্প
একটি বিয়ের গল্পঅপরেশ চাকমাআজ আমার বিয়ে। বিয়ে উপলক্ষে সমস্ত আত্মীয়-স্বজন এসে উপস্থিত। কেউ হৈ-হুল্লোড় করছে, কেউ অকারণে চিৎকার করছে। ‘মাথা ধরেছে’ নাম করে দরজা বন্ধ করে শুয়ে আছি। বাইরে থেকে যে চিৎকার-চেঁচামেচির আওয়াজ আসছে, তাতে সত্যি সত্যি মাথা ধরেছে। ইচ্ছে করছে বাইরে গিয়ে বলি, ‘সবাই দয়া করে চুপ করুন। আজ এই বাড়িতে কোন বিয়ে হবে না।’ অনেক অসম্ভবের মতো এটাও সম্ভব নয়। যেমন অলীককে দেয়া ‘তুমি নিজের পায়ে না দাঁড়ানো পর্যন্ত তোমার জন্য অপেক্ষা করবো’ কথাটা রাখা সম্ভব হচ্ছেনা।
-
গল্প
একশতম ফাগুনপ্রজ্ঞা মৌসুমীমেয়ের উঠোনে বরপক্ষ চলে এসেছে ততক্ষণে। সুদর্শন তোরাজ আলীর সাথে আর কিছুক্ষণ পরেই মেয়ের বিয়ে। হঠাৎ শোরগোল শুরু করে দিল মেয়ের বাপজি যিনি নিজেকে কখনো কন্যাদায়গ্রস্ত পিতা মনে করেননি। এমন কি তিনি তাঁর বড়ো মেয়েকে পর্যন্ত শ্বশুরবাড়ি থেকে চুরি করে নিয়ে এসেছিলেন।
-
গল্প
বাল্য বিবাহ্ ও তার কুফলহারুন-অর-রশিদশিমুলতলা গ্রামে। তুই একদিন গিয়ে দেখে আয়।
জসিম কিছুতেই রাজি হচ্ছিলনা, কিন্তু মায়ের পিরাপিরেতে সে রাজি হয়ে গেল। জসিম মেয়ে দেখে এলে তার মা জিজ্ঞাস করে, বাবা জসিম কুসুম কে দেখেতে কেমন লাগল?
জসিম মার জব্বাবে বলে, মা! তোমার তো সেই পছন্দ। -
গল্প
অভাবের বিয়েMahbubur Rahmanকাশিপুর গ্রামের সবচেয়ে সুন্দরী মেয়ে পরী। শুধু নাম নয়, রুপ আর গুন সব দিক থেকেই সে পরী। গ্রামের যুবক ছেলেদের হৃদকম্পন, অন্য সকলের গায়ের জ্বালা ধরার কারন। সে যেখান থেকে হেটে যায় সেখানে হয়তো মুক্তা ঝড়ে, অমাবস্যার রাতও যেনো জ্যোৎস্নাশোভিত হয়ে যায় তার রুপের যাদুতে।
-
গল্প
প্রতীক্ষার অবসানবিশ্বরঞ্জন দত্তগুপ্ত
জায়গাটা কলকাতা শহর থেকে অনেকটাই দূরে । উড়িষ্যার কন্ধমাল জেলার আদিবাসী অধ্যুষিত একটি অতি মনোরম শৈলশহর । পূর্বঘাট পর্বতশ্রেনীর বিভিন্ন শৃঙ্গগুলি উঁচুনিচু ছন্দে ঘন সবুজে বেস্টিত এই শহরটিকে ঘিরে আছে । চারিদিকে চোখ মেলে তাকালে পাইন গাছের জঙ্গল , নিবিড় শালবন , -
গল্প
অধরা ও সমুদ্রের গল্পআদেল পারভেজশরৎ এসে চলে যায় কাশফুল গুলো অভিমানে ঝরে যায় এমন করে কয়টা শরৎ যে কেটে গেলো তুমি বিহীন, অধরা তোমারও কি আমার জন্য মন কাঁদে? আমার মতো তোমারও কি মনে পড়ে সেই শরতের কথা?
-
গল্প
সাক্ষী এই নীরবতার মুখোশমোঃ নুরেআলম সিদ্দিকীআজকাল সমুদ্রের ঢেউ আছড়ে পড়ে বুকের উপর। অনেকখানি অভিমান নিয়ে দিন অতিবাহিত করতে হয়। কিছু ভালো লাগে না। এই জমাট বাঁধা শহরে কোনকিছুর অভাব হয় না, তবুও নিজেকে কেমন যেন একা একা অনুভব হয়। যেন নিঃসঙ্গতার শহরে বড্ড হাবুডুবু খাচ্ছি। অতোটা ভাবনা আর কখনো গ্রাস করতে পারেনি আমাকে।
আগষ্ট ২০১৯ সংখ্যা
আগামী সংখ্যার বিষয়
লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৫ মে,২০২৬
এ যাবত
