কষ্ট কর যতন অতি
কষ্ট সবারই আপন।
চারিদিকেতে কষ্ট দেখি।
কষ্টে ভরা সারা জীবন।
-
গল্প
কষ্টআশরাফুল আলম -
গল্প
গৃহদাহমাহমুদুল হাসানকিছুদিন পর জাকিরা কলেজ থেকে এসে হাসিমুখে মাকে বলল ‘আম্মা কাল দু’জন মহিলা আসবে। সন্তানের জীবনের প্রথম উপার্জন মায়ের হাতে দিলে মা যেমন প্রফুল্ল হয়- জোবেদা বেগমের মনটাও তেমনি প্রফুল্ল হয়ে উঠল, আনন্দে তার মুখটা চকচক করছে। সে বুঝতে পারছে এটা তার মেয়ের প্রথম কৃতিত্ব। তবুও জিজ্ঞেস করল ‘তোকে দেখতে? – হু। - ছেলে কি করে? - আনন্দমোহন কলেজ থেকে গণিতে মাষ্টার্স করেছে’ বলে লজ্জিত ও গৌরবময় ভঙ্গিতে সে চলে গেল।
-
গল্প
চারুনাজমুল হুসাইনতূর্য ইদানিং আমাকে ছাড়া কিছুই বোঝে না।আমার সংগ পেলেই যেন ও খুশি।তৃতীয় নাম্বার বন্ধুর জায়গাটা ওর জন্যই ফিক্সড হল।অবশ্য ওর মা চারুকেও ভালো লাগতে শুরু করেছে,যদিও ম্যাডাম চারুকে চরম ভাবে ঘৃণা করি।তাকে দেখার পর থেকে বুবলি আর ফাল্গুনি আপার কথা নির্দিধায় ভুলে গেছি।
-
গল্প
২৭ নম্বর পরীবাগমোজাম্মেল কবিরবিকেল পেরিয়ে সন্ধ্যা নেমে আসছে তখন। রাস্তার উল্টো দিকে একটা চায়ের দোকানে বসে চা খেয়ে একটা সিগারেট ধরিয়ে তাকিয়ে আছি দালান গুলোর দিকে। এখনো কি আশরাফ হোসেন এখানে বাস করেন? আমি কি কিছু জানতে চাইবো এই লোকটার বিষয়ে?
-
গল্প
হেড স্যারের আয়নাশৈলেন রায়আশ্চর্য, আয়নাটা এখনও আছে! আধ মানুষ সমান সেই আয়নাটা। আমরা বলতাম হেড স্যারের আয়না। হেড স্যারের ঠিক পিছনে একটু উঁচু করে টাঙানো ছিল দেওয়ালে। চার ধার সেগুন কাঠে বাঁধানো, ম্যাড়মেড়ে পালিশ। ওখানে আয়না কেন, কোথা থেকে এল জানি না।
-
গল্প
বিচারকবিশ্বরঞ্জন দত্তগুপ্তসকাল থেকেই আদালত চত্বরটা লোকে লোকারণ্য । বিচারক আজ সাজা ঘোষণা করবেন । এই মামলার সাজা শোনবার জন্য সবাই উদগ্রীব । দীর্ঘদিন ধরে এই মামলার শুনানির খবর বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম থেকে প্রত্যেকেই জানতে পেরেছে আর মোটামুটি এও অনুমান করেছে এই জঘন্য , নৃশংস হত্যার সাজা কি হতে পারে !! শুধু সিলমোহর সমেত বিচারকের মুখ থেকে শোনার অপেক্ষায় । বেলা যত বাড়ছে উদ্দীপনার পারদ ততই বাড়ছে ।
-
গল্প
রূপান্তরমোঃ মোখলেছুর রহমানমায়ের অবিকল যদি মেয়ে হয় তবে পড়শীরা মেয়েকে দেখে বলাবলি করে যে ‘মা একে বারে উগলে দিয়েছে’। সে অর্থে রুমি একশতে একশ।
তবে এখানে একটি কথা বলে রাখা ভাল মায়ের সাথে তিনবোন একত্র হলে মাকে খুঁজে পাওয়া দুষ্কর;বাইরের মানুষ মনে করতো তারা চার বোন। এ নিয়ে কলেজেও হাসাহাসি কম হতনা। এতো গেল মা বন্দনা। -
গল্প
বর্ণিল যাত্রাJamal Uddin Ahmedজাতপাতের খেলা এতদিনে এখনকার তরুণরা বুঝে গেছে। ইংরেজের তুলে দেয়া হিংসার কাঁটাতারের বেড়া ধুতিপরা দাদা আর লুঙ্গিপরা মিয়াভাইয়ের কোনো উপকারে আসেনি; বরং এই বিভাজনের ফায়দা ইংরেজের চেয়ে বেশি উঠিয়ে নিয়েছে স্বদেশী প্রভুগোষ্ঠী।
-
গল্প
উষ্ণতাএশরার লতিফঝুমার প্রসঙ্গ আসতেই রেশমির মনটা দ্রব হয়ে গেলো। মেয়েটা এখন ভেঙ্গে ভেঙ্গে কথা বলতে শিখেছে, কী যে মিষ্টি শোনায়। অভিমান করলে মাটিতে গড়াগড়ি খায়। রাতে মাকে না জড়িয়ে ঘুমুতে পারে না। এই বয়সের অন্য বাচ্চারা স্কুলে যাওয়া আরম্ভ করেছে। কিন্তু রেশমি ঝুমাকে কাছ ছাড়া করতে চায়নি।
-
গল্প
পৌষালিAhad Adnanকিছু বলার আগেই আবার আসাদের গায়ে চড় থাপ্পড় পড়তে থাকে। ওকে টেনে নিয়ে আসা হয় চেয়ারম্যান বাড়ির উঠোনে। রাতের না শুকানো ঘা গুলো আবার জেগে উঠে। দুর্বল শিরাগুলো টগবগ করতে থাকে। বিধ্বস্ত আসাদ অনেক কষ্টে মাথা তুলতে চায়।
জানুয়ারী ২০১৯ সংখ্যা
আগামী সংখ্যার বিষয়
লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৫ মে,২০২৬
এ যাবত
