দুনিয়াটা বধির এখন
স্বামীহারা বিগত যৌবনার অসহায় ক্রন্দন
কিংবা পিতৃহারা-রা যতই আহাজারীতে তোলপাড় করুক
এ লোকালয়টা মানবতার ভাগাড় যেন।
ফেরাউনের রক্ত চোখের সামনেও
ফুটেছে অনেক ফুল,

অস্ত গেছে অনেক সুর্য্ পূবদিক থেকে অস্তাচলে্ এসে,
তবুও দাবি করা ‘এ সভ্য জামানায়
কেন জানি সেই প্রেতাত্মারা হানা দেয়
বর্ণজানা বুদ্ধিবৃত্তির এই সুসভ্য চরাচরে...।

চোখ মেললেই দেখতে পাই সবকিছুই আলোয় আলোয় ভরা
অথচ অন্তরের ব্যাপন প্রক্রিয়ায়
হৃদ কোঠরে শোষিত হয় এ কোন আঁধার?
বাক যন্ত্রে মড়ক লাগা বিবেক শুধু আঁতকে উঠে
বর্ষনহীন আচম্বিতে গর্জে উঠা দেয়ার ঝলকানিতে …?

সবগুলো আর্তচিৎকার নির্যাতিতের কোথায় যেন হারিয়ে যায়
ইহধাম ত্যাগ করে চলে যায় অনেকেই, যারা না যেতে পেরে
কেরোসিনের কুপি হাতে অন্ধগলিতে খোড়াতে খোড়াতে ভাবে- সব ডুবোচর একদিন জেগে উঠবে
সাজিয়ে দিতে ফুলেল বাগান, তার সবই যেন অলিক, আকাশ-কুসুম।
তবুও উপায় খুজে খোড়াতে থাকা সম্মুখপানে,
যদিবা উঁকি দেয় একবিন্দু আলো গুহাটার উল্টোদিখের মুখে…।