আমি যদি বটগাছ হতাম
অথবা আমি কি কলাগাছ
কেউ পারতো না বুঝতে
কোন সূত্রে ভাসে জড়ায়ু
কত কষ্ট তারা বয়ে বেড়ায়।
রস আর কষে কী যে রং
অথবা রক্তের কোনো বিবর্তণ।
কোন পাতলা বিষের পাত্র থেকে
ধূসর সূত্র ভাসে আকাশের গায়
কার ভুলে, কার অবকাশ আনন্দে।
আমি যদি কচুগাছ হতাম!
নিজের কষ্টকে ঢাকতাম
মেঘের কষ্ট গায়ে মেখে
কেউ বুঝে না আমার
শিঁকড় আর শিখরের ফারাক।
বুঝে না গাছের হৃদপিন্ড কোথায়
কোথায় তাদের বিষাদঘর
কী করে বুঝবে মেঘের কষ্ট
কোথায় মেঘের চোখ।
তাই আমি মেঘ হতে চাই
গাছ হতে চাই। কারণ-
মানুষ বুঝেও মানুষে
কষ্ট আর বিষাদে ভরে
কষ্টের মজা পেতে চায়।


আমি যদি বটগাছ হতাম
অথবা আমি কি কলাগাছ
কেউ পারতো না বুঝতে
কোন সূত্রে ভাসে জড়ায়ু
কত কষ্ট তারা বয়ে বেড়ায়।
রস আর কষে কী যে রং
অথবা রক্তের কোনো বিবর্তণ।
কোন পাতলা বিষের পাত্র থেকে
ধূসর সূত্র ভাসে আকাশের গায়
কার ভুলে, কার অবকাশ আনন্দে।
আমি যদি কচুগাছ হতাম!
নিজের কষ্টকে ঢাকতাম
মেঘের কষ্ট গায়ে মেখে
কেউ বুঝে না আমার
শিঁকড় আর শিখরের ফারাক।
বুঝে না গাছের হৃদপিন্ড কোথায়
কোথায় তাদের বিষাদঘর
কী করে বুঝবে মেঘের কষ্ট
কোথায় মেঘের চোখ।
তাই আমি মেঘ হতে চাই
গাছ হতে চাই। কারণ-
মানুষ বুঝেও মানুষে
কষ্ট আর বিষাদে ভরে
কষ্টের মজা পেতে চায়।


আমার হাতে বিষাদের কলম
সামনে তবুও সাদা কাগজের স্তুপ
আঙ্গুলের ফাঁকে সিগারেট জ্বলে
পুড়ে হয় শেষ, তবুও
কষ্টতো হয় না শেষ!