লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
গল্প/কবিতা: ৯টি

সমন্বিত স্কোর

৫.১২

বিচারক স্কোরঃ ৩.০২ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ২.১ / ৩.০

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftভোর (মে ২০১৩)

সংসার
ভোর

সংখ্যা

মোট ভোট ২৮ প্রাপ্ত পয়েন্ট ৫.১২

স্বাধীন

comment ১৮  favorite ০  import_contacts ১,৩০০
“এই ব্যাটা ফাজিলের ফাজিল ট্যাকা কি গাছে ধরে? তর বাপ কামায়া থুইয়া গেছে? তর মনে অইল আর খরচ করলি? কপাল যদি ভালো চাস তবে হিসাব দে।”

কথাগুলো শুনে মনে হতে পারে একজন জাঁদরেল ব্যবসায়ী তার কর্মচারীকে জেরা করছেন। আসলে তা না। জাঁদরেল ব্যবসায়ীদের এভাবে হিসাব নেয়ার প্রয়োজনই হয় না। কারণ ক্যাশটা তাদের কাছেই গচ্ছিত থাকে সযত্নে, তাতে কর্মচারীদের হাতই পড়ে না, হিসাব তো অনেক দূরের পথ। আব্দুল মান্নান এমনিতে সুস্থ মানুষ হলেও সকাল সকাল কোন কাজে লাগা তার হয়ে ওঠে না। সকাল বেলায় তিনি বেশ অস্থির থাকেন। স্বাস্থ্য মোটামুটি ভালই বলা যায়, তাই এই অস্থিরতাকে সবাই আলসেমি খেতাব দিতেই পছন্দ করেন। আর ক্রমে ক্রমে তার নাম হয়ে যায় “আইলসা মন্না”।

বড় পাইকারি মুদির দোকানের মাসকাবারি হিসাব নিয়েই মন্না সন্তুষ্ট থাকেন। কিন্তু আজ তার বিশেষ কারণে টাকার খুবই দরকার ছিল। মাসের পনের দিন পার হয়েছে, মাসের অর্ধেক লাভ তো পাওয়াই যাবে। অথচ এই প্রয়োজনের সময় কেনা বেচার হিসাব মিলিয়ে লাভের কোন হদিস নেই। মানে দাড়ায় ক্যাশিয়ার সুযোগ পেয়ে ১৫দিনের লাভ দিয়েই তাকে বুঝ দিয়ে আসছে। একে তো টাকার দরকার তার উপর এই চুরি দেখে আইলসা মন্না অগ্নিমূর্তি ধরলেন। ক্যাশিয়ার কোন সদুত্তর করতে পারছে না। আশেপাশের দোকানদারও সুযোগ পেয়ে বললেন ক্ষেতে গরু ছাইড়া রাখলে তো সে গরু ক্তষে খাবেই”। হঠাৎ করেই তার মাথায় রক্ত চড়ে যায়। সামনে যা পেলেন তাই দিয়ে ক্যাশিয়ারকে পিটিয়ে বিদায় করলেন। যেহেতু চুরির ব্যাপার তাই অন্যরাও খুব একটা গা করলেন না। সারাটা দিন ঝিম মেরে দোকানে বসে থেকে যা আয় হল তাতেও তার প্রয়োজন মিটবে না। কথা ছিল বেশ উৎফুল্ল­ ভাবেই বাড়ি ফিরবেন। অথচ গোমড়া মুখে গজরাতে গজরাতে ফিরলেন।

-------
আজকে তার খুশি হওয়ার দিন। আছিয়া বেগম খুব আয়েশ করেই রান্না ঘরে ঢুকেছেন। দেশি মুরগীর রেজালা, কৈ মাছ ভুনা, জাফরান দেয়া পোলাও সাথে ঘন করে মুসুর ডাল রান্না করেছেন। প্রথম প্রথম যখন মান্নানকে ডাল দিয়ে পোলাও খেতে দেখতেন তাকে ক্ষেত ক্ষেত মনে হতো। কথায় আছে না “ব্যবহারে সয়ে যায়”। আছিয়ার শুধু সয়ে যায় নি ভালও লেগে গেছে। এখন ঘন মুসুরির ডাল দিয়ে পোলাও খেতে তারও বেশ ভাল লাগে। এত আয়োজনও আজ বিফলে গেল। দুপুর বেলায় স্বামীর অপেক্ষায় বসে থেকে থেকে প্রথমে মন খারাপ তার পর জেদ তাকে জড়িয়ে ধরে আছে। কিছুটা ঝাল অবশ্য ছয় বছরের ছেলে মইন এর উপর মিটিয়েছেন। কোত্থেকে যেন একটা চারাগাছ এনে বলছে “মা এটা কি গাছ?” উত্তরে সে দুটো গাল ভর্তি করে থাপ্পড় উপহার পেয়েছে। থাপ্পড় খেয়ে মইন গগণ বিদারি কান্না জুড়ে দিল সেই কান্না থামাতে আছিয়া আরো কষে মার লাগালেন। দুপুর গড়িয়ে বিকেল, সন্ধ্যা তারপর রাত নেমে এলো।

------
প্রত্যেক স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়াটা বোধ হয় শুরু হয় স্বামীর “আস্তে কথা বলো” অথবা স্ত্রীর এই কথায় “এই মুখ খারাপ করবা না।” এমনিতেই মন্নানের মন খুবই খারাপ। যতটা না টাকা জোগাড় হয়নি বলে তারচেয়ে বেশি কাল দোকান চালাবে কে সেই ভেবে। বাসায় ফিরতেই মইন বাবার কাছে মায়ের বিরুদ্ধে নালিশ জুড়ে দিল। স্বামীর চেহারা দেখে আছিয়া বুঝে গেছেন গলায় ঝোলানো হারখানা আর রাখা যাবে না। পাশের বাসার ছালমা ভাবি বিপদে পড়ে হারখানা বিক্রি করে দিবেন। বেশ কম দামেই নেয়া যাবে। স্বামীর কাছে বলার পর মান্নানও তাতে উৎফুল্ল­ হলেন। অনেক বছর বউকে কিছু কিনে দেয়া হয় নি। কম দামে বউয়ের নিজের পছন্দে যখন ভাল সোনা পাওয়া যাচ্ছে তাই তারও আগ্রহ বেড়ে গেল। আর এই হারের জন্যই এক লক্ষ টাকার খুব দরকার হয়ে পড়েছিল, যার ফলে আজকের তার সকাল সকাল দোকান যাত্রা।

ছেলের নালিশ দেয়া শুনে আছিয়া বেগম রান্না ঘর থেকে চিৎকার শুরু করলেন “গোলামের বাচ্ছা বাপেরে দেইখা আহ্লাদ জমাইছ? আইলে এক্কেবারে মাইরা ফালামু”। এমনিতেই মন্নানের মন খারাপ তার উপর এই রাতের বেলায় বউয়ের চিৎকার তার ভাল লাগছিল না। তিনি জোরের সাথেই বললেন
- আমার পোলাডা কি আসমানে বইয়া রইছে? আস্তে কইলেইতো হোনে। কতা আস্তে কইতে পারো না!
: আমার গলাই এমন, পসন্দ না হইলে চুপ কইরা থাক। আস্তে কইতে পারমু না।
- তা পারবি ক্যান! তর বাপ মায়তো শিখাইছে খালি গলা বাইড়াইতে...
: খবরদার আমার বাপ-মা তুইলা কিছু কইবানা...

আছিয়া বেগমের গলার জোর আরো বেড়ে যায়। খাবারগুলো গরম করে টেবিলে রাখছেন আর চিল্লাচ্ছেন। এদিকে মইনেরও আহ্লাদী কান্নার জোর বাড়তে থাকে। মান্নান খাবার ঘরে এসে টেবিলে বসলেন। তিনি আবারো চড়া গলায় বললেন-
- কুত্তার বাচ্চা তরে না কইতাছি আস্তে কতা ক। এই রাইত দুপুরে কি তুই মজমা জমাবি?
: খবরদার তোমারে না করতাছি বাপ-মা তুইলা গালি দিবা না। গালি দিলে বেশি ভাল হইব না। ই...হ একখান হার কিনা দেওনের মুরোদ নাই আবার গাইল পারে...


আজ দিনের মধ্যে মন্নানের মাথায় দ্বিতীয়বারের মতো রক্ত চড়ে যায়। টেবিলে সাজিয়ে রাখা তার প্রিয় জাফরানি পোলাও, ঘন মুসুরির ডাল সহ সব খাবার ছুড়ে ফেলে উঠে যান। জানালা দিয়ে আশেপাশে কিছু উৎসুক মুখও তার নজরে আসে। গলা পরিষ্কার করার আওয়াজ পাওয়া যায়, যার মানে হলো “ভাই কি করছেন এই রাতের বেলায়? আমাদের ঘুমাতে দেন।” এই সম¯— আওয়াজ আর গলা ঝাড়ার শব্দে মান্নান আরো বেশি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। দরজা জানালা সব বন্ধ করে দেন।

মইনের কান্নার জোর বেড়ে যায়, ক্ষিপ্ত আছিয়া মইনকে ধরে সারা শরীরে মেপে মেপে চটকাতে থাকেন। হঠাৎ করেই মান্নান আছিয়ার চুলের মুঠি ধরে কষিয়ে একটা থাপ্পড় লাগালেন।
- মাগী, তোরে যতই কইতাছি চুপ থাক তুই ততই গলা বাড়াইতাছস। পোলাডারে এমনে মারলি ক্যান? দেখ মাইর খাইতে কেমন লাগে।

বলতে বলতে চুলের মুঠি ধরে আরো দু-চার ঘা লাগিয়ে দিলেন। আছিয়াও আর চুপ করে থাকলেন না।
: আইলসা কুত্তার বাচ্চা তুই আমার গায়ে হাত তুলছস, ঐ মাগো কুত্তার বাচ্চায় আমারে মাইরা ফালাইলো গো...

গালি দিতে দিতে আছিয়া রাগে ক্ষোভে অথবা হয়তো প্রতিশোধ বাসনায় মন্নানের অণ্ডকোষ চেপে ধরলেন। হঠাৎ এই ঘটনায় মান্নানও প্রচণ্ড ক্ষিপ্ত হয়ে আছিয়ার গলা টিপে ধরলেন।
- আইজকা হয় তুই মরবি নাইলে আমি মরমু...

একসময় দুজনেই ক্লান্ত হলেন। আছিয়ার ঠোট ফেটে রক্ত বেরুচ্ছে। গলায়, গালে বিভিন্ন জায়গায় কালশিটে পড়ে গেছে। নখের আঁচড়ে মন্নানের শরীরের বিভিন্ন জায়গাও ছিলে গেছে। আছিয়া মইনকে জড়িয়ে ধরে বিছানায় পড়ে থাকলেন। মন্নানের পুরো চিন্তা চেতনা জুড়ে ভয়ে জর্জরিত হয়ে আছে। উনিও বিছানায় মা-ছেলের দিকে পিঠ দিয়ে শুয়ে থাকলেন। বারবার আতংক তাকে ঝাপটে ধরছে। তার মনে হচ্ছে আছিয়া যে কোন সময় একটা ছুরি দিয়ে তার গলা কেটে দিবে। উনি ঘুমাতে পারছেন না। বার বার তার গলা শুকিয়ে আসছে। জীবনে এই প্রথম মান্নান নিজেকে অসহায় হিসেবে আবিস্কার করলেন। নিজের ঘরেও সে নিরাপদ নয়। বিছানা থেকে উঠে সবগুলো জানালা খুলে দিলেন। অন্ধকার ঘরে পূর্ণিমার আলো ঢুকে গেল। তিনি আবার বিছানায় এসে শুয়ে পড়লেন। প্রথমে বিশাল রাগ তাকে কতক্ষন আড়ষ্ট করে রাখলো।

এমনিতেই মেজাজ ভালো ছিল না। আছিয়া কেন বুঝলো না। তাকে যখন আস্তে কথা বলতে বললো শুনলেইতো আর এমন হতো না। মেয়ে মানুষগুলো কি কিছুই বুঝে না! তার জন্যইতো আজ গিয়েছিল দোকানে। টাকার জোগাড় হলো না। ভাবতে ভাবতে অনেক সময় পেড়িয়ে যায়। কয়েকটা দোয়েল বাইরে শিস দিতে থাকে। কতক্ষণ পরেই আকাশ পরিস্কার হয়ে যাবে, একটা নতুন দিন শুর“ হবে। ভোরের ঝিরঝিরে ঠান্ডা হাওয়া জানালা গলে ভেতরে ঢুকে। বাইরে দোয়েলের শিস আর ঠান্ডা হাওয়ায় মন্নানের মনটা শাš— করে দেয়। আছিয়া তুমি কেন আমার কথা শুনলে না। যদি তুমি আ¯ে— কথা বলতে, কি হয়েছে জানতে চাইতে তাহলে কি এমন ঘটনা ঘটতো? নিজের কাছে নিজেকে অপরাধী মনে হতে থাকে মান্নানের।

খকখক করে কেশে ওঠেন আছিয়া বেগম। অস্পষ্ট গলায় বলতে থাকেন
: এই... এই শোনছ...

এই পুরো সময়ে আছিয়া মরে গেছে না বেঁচে আছে সে খেয়াল মন্নানের ছিল না। আছিয়ার গলার আওয়াজে ভীত হয়ে পড়েন মান্নান। তার মনে হতে থাকে সে মরে যাবে নাতো! মরে গেলে মইনের কি হবে? এই ভাবনার মাঝেই আছিয়া আবার বলতে লাগলো
: শোন... আমার গলাটা অনেক বিষ করতাছে, নিশ্বাস নিতে পারতাছি না।

মান্নান ওপাশে গিয়ে আছিয়ার মাথাটা কাত করে দেখলো নাক মুখ দিয়ে অনবরত পানি ঝরছে। ওর মাথাটা কোলে তুলে নিলেন। গামছা দিয়ে নাক মুখ মুছে দিলেন। আছিয়া ব্যাথায় ককাচ্ছে উহ... আহ্...। মন্নানের সম¯— রাগ ¶োভ মমতায় পরিনত হলো। কান্না জড়িত কন্ঠে বলতে লাগলেন
-আছিয়ারে তোর হারের টাকার লাইগাইতো আমি সকাল সকাল দোকানে গেছিলাম। টাকার জোগাড় করতে পারি নাই। এমনিতেই আমার মনটা খারাপ আছিল। তুই আমার কষ্টটা ক্যান বুঝলি না। তরে কইলাম চুপ থাকতে তুই আরো চিল­াইতে লাগলি। তোর পসন্দের একটা জিনিস কিনা দিতে না পারলে আমার কষ্ট লাগে না ক।

অস্ফুট স্বরে আছিয়া বললো
: আমারে মাফ কইরা দিয়েন মইনের বাপ। আমার ভুল হইয়া গেছে।

মান্নান আছিয়ার মাথাটা উচু করে কপালে চুমু খেলেন। তার দুচোখ বেয়ে তপ্ত জল আছিয়ার মুখ ভরিয়ে দিল। মাথাটা নামাতে গিয়ে দেখলেন গলায় যে হারটা পড়েছিলো সে জায়গাটায় আঙ্গুলের দাগ কালো হয়ে বসে গেছে। যেন আছিয়া সে হারটাই পড়ে আছে। মান্নান গভীর করে আছিয়াকে জড়িয়ে ধরে রাখলেন। দুজনের চোখ ফুড়েই ঝরছে জল। দূরে কোন মসজিদে মুয়াজ্জিনের কন্ঠে ভেসে আসছে “হাইয়া লাল ফালাহ” কল্যাণের জন্য এসো...

একটু সময় পরেই আলো আসবে, আসবে নতুন একটা দিন। হয়তো সেদিন ওদের জন্য কোন কল্যাণই বয়ে আনবে

advertisement

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
  • লুতফুল বারি পান্না
    লুতফুল বারি পান্না এমন ঝগড়াঝাটি আমাদের সমাজে বেশীরভাগ মধ্যবিত্ত নিম্ন মধ্যবিত্ত আর নিম্নবিত্তদের ঘরে নিত্যদিনের ছবি বলা যায়। ছবিটা একেবারে ঝকঝকে পরিস্কার। গল্পে হাল্কা একটা রসবোধও ছিল। "ছোট প্রাণ, ছোট কথা, ছোট ছোট দুঃখব্যাথা নিতান্তই সহজ সরল। সহস্র বিস্মৃতিরাশী... &quo...  আরও দেখুন
    প্রত্যুত্তর . ১২ মে, ২০১৩
  • ঐশী
    ঐশী আঞ্চলিক শব্দ গুলোর ব্যবহার বেশ লাগলো ।
    প্রত্যুত্তর . ১৫ মে, ২০১৩
  • ওসমান সজীব
    ওসমান সজীব আমার কাছে মোটামুটি লেগেছে
    প্রত্যুত্তর . ১৬ মে, ২০১৩
  • এশরার লতিফ
    এশরার লতিফ পারিবারিক ঝগড়াঝাঁটির ব্যাপক গ্রাফিক বর্ণনা আছে লেখাটিতে। সম্পর্ক এই পর্যায়ে চলে গেলে কিভাবে আর উত্তরণ সম্ভব জানি না। তারপরও লেখকের সাথে আমারও কাম্য নতুন ভোর নতুন কল্যান বয়ে আনবে।ভালো লাগলো।
    প্রত্যুত্তর . ১৮ মে, ২০১৩
    • স্বাধীন কোন একটা কারনে কেন জানি আমাদের দেশে এইরকম পর্যায় পর্যন্ত গড়ানো সম্পর্কগুলোও টিকে থাকে। বেশিরভাগই এ গল্পের শেষটার মতো না, ক্রমাগত অসুখী থেকেই সম্পর্ক টেনে নিয়ে যায়। এতে একটা পরিবার হয়ত টিকে থাকে তবে তাতে সুখ থাকে না। চেষ্টা ছিল আছিয়া এবং মন্নান দুজনেই যেন তাদের দূর্বলতা বুঝতে পারে। অনেক অনেক ধন্যবাদ।
      প্রত্যুত্তর . ২০ মে, ২০১৩
  • মাহমুদা rahman
    মাহমুদা rahman সুন্দর....পরিছন্ন
    প্রত্যুত্তর . ২২ মে, ২০১৩
  • মিলন  বনিক
    মিলন বনিক একটি পরিবারের বাস্তব কাহিনী বিন্যাস...খুব ভালো লাগলো...শুভ কামনা....
    প্রত্যুত্তর . ২২ মে, ২০১৩
  • খন্দকার আনিসুর রহমান জ্যোতি
    খন্দকার আনিসুর রহমান জ্যোতি নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের প্রতিদিনকার সাধারণ ঘটনা......তবে বর্ণনশৈলীতে তা হয়ে উঠেছে অসাধারণ.....গল্পের শেষটা খুব সুন্দর ..........স্বাধীন আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ.............
    প্রত্যুত্তর . ২৫ মে, ২০১৩
  • সূর্য
    সূর্য সাংসারিক ভায়োলেন্সের সাধারণ গল্প। ভালোই
    প্রত্যুত্তর . ২৬ মে, ২০১৩
  • মোঃ আক্তারুজ্জামান
    মোঃ আক্তারুজ্জামান খুব জানা শোনা, চেনা- টেনে হেচড়ে চলা মধ্যবিত্ত, নিম্ন মধ্যবিত্ত সংসারের খন্ডচিত্র| সরল সুন্দর বর্ণনায় খুব আকর্ষনীয় হয়ে উঠেছে|
    প্রত্যুত্তর . ২৯ মে, ২০১৩
  • সোহেল মাহামুদ (অতি ক্ষুদ্র একজন)
    সোহেল মাহামুদ (অতি ক্ষুদ্র একজন) বিচারক স্কোরে অনেক এগিয়ে থেকেও,, বলতে গেলে বিচারক স্কোরে আপনি ২য় অবস্থানে থেকেও পাঠক ভোটের কারনে পিছিয়ে গেলেন। সত্যিই দুঃখজনক!
    প্রত্যুত্তর . ১৫ জুন, ২০১৩
    • স্বাধীন রেজাল্ট বা ফলাফল ঘোষণার আগে বা পরে গল্পটা আর খুলে দেখা হয়নি। আড্ডা পাতায় সাঈদ সুমন এর পোস্টটা দেখে গল্পটাতে ঢুকলাম। আসলেইতো বিচারকের কাছে যে নামটা পৌছেছে এটাই তো বড় পাও না। "ভোর মানে কী? চারিদিকের আঁধার কেটে একটি নতুন দিনের উন্মেষ। নতুন জীবন, আশা ও প্রত্যাশারও প্রতীক যেন ভোর। এমনই প্রতীক ব্যঞ্জনায় উদ্ভাসিত 'নবোদয়', 'শিউলী ফুলের মালা' 'সংসার' প্রভৃতি গল্প। এই সময়, চারপাশ মূর্ত হয়ে উঠেছে 'নিরাপদ! অনিরাপদ' গল্পে। "কাঁচ গুড়ো যেন কালো ঝড়, চারপাশে ইটের বৃষ্টি' এবং 'একটি অসমাপ্ত গল্প'-এ সাভারের রানা প্লাজার ট্রাজেডির ছায়া রয়েছে।" এখানে, সবখানে পাঠক যখন একাধিক হয় তাদের ভাল লাগাও ভিন্ন হবে। এটা স্বাভাবিক। আবার সবাই যে খোলা মনে ভোট দেয় সেটাও না। তাই জয় পরাজয়টা খুব একটা মূখ্য বিষয় হওয়া উচিতও না। লেখাটা যদি বোদ্ধা মহলে এবং পাঠকের কাছে ভাল লাগে সেটাই সত্যিকারের জয়। পাঠক না হয় ভোট নাই দিক, মন্তব্যে যদি ভাল বা মন্দ লাগাটা জানায় সেটাই ঢের।
      প্রত্যুত্তর . ২২ জুন, ২০১৩

advertisement