মা, এমন একটি শব্দ।শব্দটি মুখে উচ্চারণ হতে দেরি হয় ভেতরে অশ্রু প্রবাহে দেরি হয় না।ভেতরের এই অশ্রু যেমন দেখা যায় না তেমনি চোখের কোণে জমতে থাকা অশ্রু ফোঁটা লোক চক্ষুর আড়ালেই থাকে বটে কিন্তু নিজের থেকে লুকানো যায় না।মায়ের কষ্টের বিবরণ দিতে থাকলে পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা শেষ হবে কিন্তু মায়ের দুঃখগাথা শেষ হবার নয়।যে মা এত কষ্ট নিরবে নিভৃতে সয়ে যায় তাকেই কিনা আমরা খেয়াল করি না।অযত্নে অবহেলায় ফেলে রাখি।আদর ভালবাসা দেবার সময় মেলে না।হায় কি হতভাগা আমরা।এক সাহাবী নবীজী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) এর কাছে জানতে চাইলেন কার খেদমত আগে করবো? উত্তরে নবীজী বললেন তোমার মায়ের।সাহাবী আবার একই প্রশ্ন করলেন ।উত্তরে নবীজী বললেন মায়ের ।সাহাবী তৃতীয় বার একই প্রশ্ন করলেন ।উত্তরে নবীজী বললেন মায়ের।সর্বশেষ একই প্রশ্ন করলে নবীজী (সাঃ) বললেন তোমার বাবার খেদমত করবে। সুতরাং মাকে কষ্ট না দিয়ে বরং তার সেবা করে আল্লাহর কাছে জান্নাত হাসিল করার তাওফিক কামনা করা উচিত।আল্লাহ সবাই কে সেই তাওফিক দান করুন ।আমিন।
-লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ২ জানুয়ারী ১৯৮৩
গল্প/কবিতা: ২২টি

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftকবিতা - মা (মে ২০১৯)

কত নদী কেঁদেছো ?
মা

সংখ্যা

মাইনুল ইসলাম আলিফ

comment ১১  favorite ৩  import_contacts ৯২
কবির কবিতায় হয়না লেখা শেষ
কি তোমার স্নেহের আবেশ।
স্পর্শের সুভাস মেখে দুহাতে তোমার
দাওনি পেতে যন্ত্রনার লেশ।

শিল্পীর তুলিতে হয়না আঁকা
তোমার মমতার পুরোটা ছবি
নিজের জন্যে রাখোনি কিছু
উজার করে দিয়েছো সবই।

কত রাত জেগেছো তার
কে রেখেছে খবর ?
কে জানে কত ভোর জলাঞ্জলি দিয়ে
কতটা তুমি করেছো সবর ?

কতটা কষ্টের নীলে তুমি
এঁকেছো দূর নীলিমা ?
কে জানে কত পথ দিয়েছো পাড়ি
ছড়িয়ে ত্যাগের মহিমা।

কত জ্বালা সয়ে গেছো
নিরবে নিভৃতে অভিমানে
নখের আঁচড়ে আঁচড়ে কতটা ক্ষত
কে তার কতটা জানে ?

অশ্রু আড়াল করে তুমি
কত নদী কেঁদেছো ?
কে জানে কত প্যারা দুঃখ তুমি
নিজের মলাটেই বেঁধেছো ?

দশটি মাস ধরে পেটে মা তুমি
আমায় করেছো ধারণ
তিল তিল করে বড় করেছো
দুঃখ দিয়েছি তবু অকারণ।

রাখিনি খোজ তোমার, ডাকিনি
কাছে তোমায় কোনদিন।
অবহেলায় বারবার আড়াল করেছি
অগনিত তারার মতো তোমার যত ঋণ।

তোমার কাছেই প্রভূ চাই তাওফিক
ঈমানে আমায় করো চির সজীব।
মায়ের সেবায় শক্তি দিয়ে,
জান্নাত আমায় করো নসীব।

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement