লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১৭ জানুয়ারী ১৯৮৫
গল্প/কবিতা: ২টি

প্রাপ্ত পয়েন্ট

২৪

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftমা (মে ২০১১)

শ্রেষ্ঠ মাতৃত্বের পুরস্কার দেবেন কী ?
মা

সংখ্যা

মোট ভোট ২৪

কামরুল ইসলাম শিমুল

comment ১১  favorite ০  import_contacts ৬৫৯
বাস্তবতা সবাইকে মেনে নিতে হয় এবং এটাই চরম সত্য। আমাকেও মেনে নিতে হয়েছে তেমনই একটি বাস্তবতা তথা আমার পঙ্গুত্বকে। একজন প্রতিবন্ধী হওয়া সত্ত্বেও নিজেকে সুন্দর ভাবে গড়ার স্বপ্ন যে কখনো দেখিনি যে তা নয়। আমারও স্বাধ জাগে অন্য সব অপ্রতিবন্ধী ব্যাক্তিদের মত সাভাwবক জীবন যাপণ করতে। কিন্ত আমার দেখা স্বপ্ন গুলো শুধু স্বপ্নই থেকে যায়। তাতে কিঞ্চিত পরিমান আশা আলো আজও দেখিনি। দেখ ব-ই বা কী করে আমি যে একজন প্রতিবন্ধী!

যখন আমার বয়স দু' বছর টাইফয়েডের কারণে আমাকে পঙ্গুত্বের শিকার হতে হয়। অন্য দশটা ছেলের মত আমি স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারি না। রাস্তায় যখন চলা ফেরা করি তখন অনেকে আমার পঙ্গুত্বকে নিয়ে উপহাস করে। অনেকে আবার করুণার দৃষ্টিতে তাকায়। শৈশবে যখন মাঠে খেলতে যেতাম তখন বন্ধুরা বলতো `তুই পারবি না'! আমাকে অনেক বার খেলার মাঠ থেকে কেঁদে কেঁদে বাড়ি ফিরতে হয়েছে।

বর্তমানে আমি এবং আমার ভবিষ্যত রচনার ক্ষেত্রে যার অবদান সব চেয়ে বেশি তিনি হলেন আমার মা। তার অবদানের ফেল আমি এখন সমাজে মর্যাদা সহকারে বসবাস করছি। বর্তমানে আমি বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার কাফিলা গ্রামের কাফিলা রামনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োজিত আছি। পাশাপাশি আমি বাংলাদেশ বেতার বরিশাল কেন্দ্রের একজন অনুষ্ঠান ঘোষক। এ সব কিছু সম্ভব হয়েছে আমার মায়ের কারণে। এ কথা চিরন্তন সত্য যে, পৃথিবীতে সব মায়েরা-ই তাদের সন্তানের জন্য নিজের জীবনের অনেক কিছুই ছাড় দেন। তবুও আমার মাকে এ ক্ষেত্রে আমি অন্যতম বলে দাবী করবো। কারণ আমার মা যদি তার নিজের জীবনের সুখ শান্তি বিসর্জন না দিতেন, তবে আমার মতো প্রতিবন্ধী ব্যক্তির পক্ষে এ পর্যন্ত আসা কোনোদিনই সম্ভব হতো না। আমার বয়স যখন তিন কী চার সে সময়ে আমার বাবা আমার মাকে এবং আমাকে ফেলে চলে যায়। অন্যত্র বিয়ে করে সOসার বাঁধে। আমার মা-ও পারতেন আমার বাবার মত আমাকে ফেলে চলে যেতে। কিন্ত তিনি তা না করে আমাকে বুকে আগলে ধরে নতুন এক জীবন শুরু করেন। জীবনের তাগিদে চাকরী নেন। আর আমাকে লেখাপড়া করাতে থাকেন। আমাকে কোনো কিছুর অভাব তিনি বুঝতে দেননি। জীবনযুদ্ধে আমার মাকে আমি এক অপরাজিতা সৈনিক মনে করি। তার মুখে হাসি ফোটানোই এখন আমার একান্ত চাওয়া।


হে সুশীল সমাজের মানুষেরা, সমাজের বিশেষ অবদানের জন্য আপনারাতো অনেককেই পুরস্কৃত করে থাকেন। আপনারা কি পারবেন আমার মার দুঃখিনী মায়ের হাতে একটি পুরস্কার তুলে দিতে? শ্রেষ্ঠ মাতৃত্বের পুরস্কার?

advertisement

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
  • দেবব্রত দত্ত
    দেবব্রত দত্ত valo sontan e hote pare ma ar puruskar... Shuvo kamona...
    প্রত্যুত্তর . ৫ মে, ২০১১
  • তৌহিদ উল্লাহ শাকিল
    তৌহিদ উল্লাহ শাকিল ভালো হয়েছে তবে আরো অনেক লিখতে হবে .
    প্রত্যুত্তর . ৮ মে, ২০১১
  • মামুন ম. আজিজ
    মামুন ম. আজিজ মায়েরা কি কখনো পুরষ্কারের আশা করে রে ভাই। ?
    প্রত্যুত্তর . ১৬ মে, ২০১১
  • মাহমুদা rahman
    মাহমুদা rahman ভালো হয়েছে তবে অনেকটা আত্মজীবনী ..ঠিক গল্প নয় মনে হয়েছে .....আরো ভালো লেখা পাব ভবিস্যতে ভালো থাকবেন
    প্রত্যুত্তর . ১৭ মে, ২০১১
  • সূর্য
    সূর্য সন্তান মায়ের আশা পুরন করতে পারলেই সেটা যেকোন মায়ের পুরস্কার। আর গল্পটা পরিপূর্ণ হয়ে উঠেনি অনেকটা ফিচার টাইপ হয়ে গেছে। শুভকামনা থাকলো। আগামী লেখা যেন পূর্ণতা পায়......
    প্রত্যুত্তর . ১৮ মে, ২০১১
  • সৌরভ শুভ (কৌশিক )
    সৌরভ শুভ (কৌশিক ) কামরুল ইসলাম শিমুল,তুমি করনাকো জীবনে ভুল /তোমার মাকে কখনো ,কষ্ট দিওনাকো /
    প্রত্যুত্তর . ১৮ মে, ২০১১
  • প্রজ্ঞা  মৌসুমী
    প্রজ্ঞা মৌসুমী প্রতিবন্ধী আসলে কোন মানুষের পরিচয় হতে পারেনা। প্রত্যেক মানুষেরই থাকে নিজস্ব প্রতিবন্ধকতা। হৃদয়ছোঁয়া লেখা। লেখা পড়তে পড়তে প্রিয় দাদার কথা মনে পড়ল। আগুনে পুড়ে গিয়েছিল তার হাত। লোকেরা তাকেও প্রতিবন্ধী বলত। কিন্তু আশ্চর্য হলেও সত্য তার জীবনে কোন প্রতিবন্ধকতা...  আরও দেখুন
    প্রত্যুত্তর . ২১ মে, ২০১১
  • শাহ্‌নাজ আক্তার
    শাহ্‌নাজ আক্তার মায়ের শ্রেষ্ঠ পুরুস্কার তো আপনি নিজেই .....
    প্রত্যুত্তর . ২২ মে, ২০১১
  • শিশির সিক্ত পল্লব
    শিশির সিক্ত পল্লব জীবনযুদ্ধে আমার মাকে আমি এক অপরাজিতা সৈনিক মনে করি.......অসাধারণ ভাইয়া
    প্রত্যুত্তর . ২৬ মে, ২০১১
  • বিন আরফান.
    বিন আরফান. নিজের আত্নকথা গল্প বলি আর প্রবন্ধ বলি তুলে ধরতে ও বুঝতে সক্ষম হয়েছেন. আপনার সার্বিক কল্যাণ কামনা করি. চালিয়ে যান, গল্প লিখুন ভালো করতে পারবেন. আর রাগ করবেন না পড়তে দেরী হওয়াতে. কেননা আমি মুখ নয় রেন্ডম অনুযায়ী পড়ি. শুভ কামনা রইল.
    প্রত্যুত্তর . ২৬ মে, ২০১১

advertisement