জেনেছে বাদুর-রাতের অক্টোপাস-
অনেকটা রুদ্ধশ্বাস,
ম্যাজিশিয়ানের ঝুলি অথবা ছুমন্তরের ঝাঁক;
বেঁচে থাকা'র ডোরাকাটা ঠোঁটে এক আশ্চর্য মৌচাক।

কখনো জেনেছি মাছের থাবা, তুমুল চোরাবালি,
পাহাড়ি তরুণাস্থি কাছিম, কাছিমের খুলি;
বাতাসমুখী ছিপছিপে খোলে বিবশ বোতামঘর
জাদুকর থেকে ফুরোয় জাদুঘর...

জেনেছে কাকজ্যোৎস্নায় অক্টোপাস
আট-মুঠোতে দীর্ঘশ্বাস,
ক্যাশবাক্সের নাভিতে উছলায় জীবনের দুঃখী ইলিশ
আহা, মৃত্যু কিভাবে হয় নির্বিকার, আধিভৌতিক পাশবালিশ!

ঈশিতা, শুনেছো স্থলের জীবন?
কালপেঁচাদের নেয়াপাতি চোখ, মধ্যরাতের বনবিভাগ,
মৌথলিতে- নষ্ট চেরাগ,
লালচে বকের করাল ঠোকর আরশোলাদের উন্মুখতায়,
সর্ষেরঙা শিয়ালকাঁটা অন্ধকারের অভিজ্ঞতায়।

জেনেছি নক্ষত্রমুখী জীবন!

ঈশিতা,
এইসব রাতেও জন্ম হয় ক্রমাগত স্বাধীনতা...

অরুন্ধতী কিংবা ঈশপ পাঠে সাত-নোনা-ঢেউ অক্টোপাস
অগাধ সমাজ! এক কি দুটো বুকের ডাঙায় একটা ঝাপটা ফসফরাস।