লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ২ জানুয়ারী ২০১৯
গল্প/কবিতা: ৩৩টি

সমন্বিত স্কোর

৬.৯

বিচারক স্কোরঃ ৪.৪৮ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ২.৪২ / ৩.০

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftগ্রাম-বাংলা (নভেম্বর ২০১১)

কোমল প্রতিধ্বনি
গ্রাম-বাংলা

সংখ্যা

মোট ভোট ১১৭ প্রাপ্ত পয়েন্ট ৬.৯

প্রজ্ঞা মৌসুমী

comment ৭৬  favorite ২১  import_contacts ২,০০৩
স্বপ্নের আদ্যোপান্তে নেমে ছিল ঘাস
মাঝে পালকি এক- দুলে দুলে চলে
থোকা থোকা বুনোফুল প্রতিধ্বনি তুলে
হুমহুমা আরে হুমহুমা...

লালরঙা ফড়িংয়ের অস্ফুট শ্বাস
ভাসায় সাম্পান ভেজা-জ্যোৎস্নার জলে।
প্রবল স্রোতে সে নদী রূপকথা বলে
ছপছপ ছপছপ...

জলে মিশে আদিবাসী, বিদেশীনি, কানে গোঁজা ফুল
ব্রহ্মপুত্রের গায়েও মিশে শীতল জ্যোৎস্না।
সহস্র ভাটিয়ালী নদীর ইতিহাসে, জারি-সুখের শব্দ ফেলে
ঝুপঝুপ ঝুপঝুপ...

ভেসে যায় নৌকাবাইচ, সারি গান, কর্ণফুলীর সেই টলমলে ফুল
দরদী বাঁশপাতি-বাউল টুপ করে ঠোঁটে ধরে জল-কান্না।
পার্বণের ডাঙায়, জীবনের ঐতিহ্য নাচে উৎসবের ঢোলে
টাকডুম টাকডুম...

পথে উঠে বলীখেলা, মাটির পুতুল, ভেঁপু আর বাঁশি
বাতাসের গভীরে মিশে নতুন ধানের ঘ্রাণ।
কাছেই কোন এক ভিটেয়, ঢেঁকিতে শব্দ পড়ে
ধুপধুপ ধুপধুপ...

উনুনের ধারে নূতন নোলক, আঙিনায় কচি কচি হাসি
কুচিকুচি নারিকেল, পিঠে-গুড়-পায়েস; জাফরানি অঘ্রান
বড় মায়াবতী, কাঁচের চুড়িতে নড়ে
রিনঝিন রিনঝিন...

পাগলা হাওয়া্র তোড়ে উছলে আসে ঘুড়ির বিকেল
সন্ধ্যার অন্তর্দেশে উঠে কীর্তন, নামে যাত্রা আবার
শীতল পাটিতে হাত পাখা যায়, আসে শব্দ থোকে থোকে
ঝিঁঝিঁ ঝিঁঝিঁ...

ঘুম ভেঙে দেখি, দমবন্ধ অন্ধকারে সাদা দেয়াল
বুকের উপর আজও সেই নকশি কাঁথা; স্বপ্ন নয় এবার।
ঠিক যেন শুনি! কোন এক পাখি বারবার ডাকে
কুটুম আয়...কুটুম আয়...

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement