লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১৫ সেপ্টেম্বর ১৯৮৮
গল্প/কবিতা: ২৯টি

সমন্বিত স্কোর

২.৩৩

বিচারক স্কোরঃ ০ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ২.৩৩ / ৩.০

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftদেশপ্রেম (ডিসেম্বর ২০১১)

হারিয়ে যাবার গল্প
দেশপ্রেম

সংখ্যা

মোট ভোট ৬৬ প্রাপ্ত পয়েন্ট ২.৩৩

ওয়াছিম

comment ৩১  favorite ৪  import_contacts ১,৩৭৩
টুপ টুপ টুপ টুপ . .
খুবই বিরক্তিকর একটা বিষয়। আজও কল ঠিক মত বন্ধ করা হয় নাই। বেড রুমের সাথে বাথরুম থাকা এই এক সমস্যা। কোন কারণে কল একটু আগলা থাকলেই হল। মাঝ রাতে ঘুম ভেঙ্গে যাবে। ঘুম থেকে উঠতে ইচ্ছা করবে না। আবার পানি পড়ার শব্দে ঘুম ও আসবে না। এক প্রকার বিরক্ত নিয়ে বাথরুমে গেলাম কল বন্ধ করতে যদিও আমার বিরক্ত দেখার কেউ নাই। আমার বিরক্ত আমার নিজের উপরই। বাথরুমের কল বন্ধ। কোন পানি পড়ছে না। শব্দও হচ্ছে না। তাহলে কি আমি স্বপ্নে শব্দ শুনেছি। বিষয়টা আমার কাছে একটু হাসির মনে হল। যদিও আমি অনেক দিন যাবত হাসতে পারি না। নিজের মাথায় নিজে একটা চড় মেরে বিছানায় গা এলিয়ে দিলাম। তার কিছুক্ষণ পর থেকেই আবার পানি পড়ার টুপ টুপ শব্দ শুনতে শুরু করলাম। তার মানে শব্দটা পাশের ফ্লাট থেকে আসতেছে। বড়ই বিরক্তিকর একটা বিষয়। এর একটা বিহিত করতে হবে।

ঘুম থেকে উঠে ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখি দশটা বাজে। তৃপ্তির একটা নিঃশ্বাস ছেড়ে বড় মামাকে একটা ধন্যবাদ দিলাম। আজ মামা ছিল বলেই দশটায় ঘুম থেকে উঠতে পারি। সকালের সব কাজ করে আয়েশ করে নাস্তা করে কাজের ছেলে রাব্বি কে দুই একটি নিয়মিত রুটিন মাফিক ধমক দিয়ে অফিসের উদ্দেশ্যে রওনা দেই। সাড়ে এগারোটায় অফিসে গিয়ে প্রথমে এক কাপ চায়ের অর্ডার দেই। নিজেকে যেন রাজা রাজা মনে হয়।

ইদানীং ইবান্তির কথা খুব মনে পরে। কত ভালোই না ছিল। যাক। যে যাবার সে গেছে। এই নিয়ে আপসোস করে লাভ কি। যদিও ইবান্তির বিয়ে হয়ে যাবার পর আমার পুরা জীবনটাই পালটে গেছে। যে মামার সাথে আমাদের কোন যোগাযোগ ছিল না ছোট থেকে ভার্সিটি পড়া অব্দি। যে মামাকে কখনও দেখি নাই আমি সেই মামার কাছে গিয়ে বললাম - মামা আমি ওয়াছিম।
- বস, ভাল আছ?
- জী মামা। আপনি কেমন আছেন? মামি, রিফাত?
- থাক তাদের কথা। তোমার মা কেমন আছে? আর তোমার মুক্তিযোদ্ধা বাবা?
আমার কেমন জানি একটা খোঁচা লাগলো। বাবার সাথে মামার কি নিয়ে দ্বন্ধ তা আমি খুব ভাল করেই জানি। তাই কোন মতে খোচাটা হজম করে বললাম - আছে কোন রকম। ছোট বোনের বিয়ে হয়ে গেছে। বড় ভাই ছোট একটা চাকরি করে। বউ বাচ্চা নিয়ে আলাদা থাকে।
- ভাল। তোমার বাবা এখন কি করে?
- রিটায়ার্ড করছেন। পেনসন পায়। চলে যায় কোন মতে।
- তা হঠাৎ তুমি?
- মামা একটা চাকরি খুব দরকার।
- ঠিক আছে। যাও ভেতরে যাও। রিফাত আছে, পরিচয় হয়ে এসো আর আজকে তুমি থাকবে।
আমি মামার আপ্যায়নে খুবই পুলকিত হয়ে গেলাম। সব সময় শুনেছি বড় মামা আমার অন্য সকল মামাদের মত নয়। কিন্তু আমার কাছে মনে হল তাদের থেকেও ভালো।


৩'য় সেমিস্টারের পরীক্ষা শেষ হবার কিছু দিন পর উপকূলিয় অঞ্চল সিডরে বিধ্বস্ত হলো। আমরা তখন কয় একজন বন্ধু মিলে ক্যাম্পাসের গেটে দাড়িয়ে টাকা তুলছি। আস্তে আস্তে আমাদের সাথে যোগ দিলো আরো অনেকে। তখন ১'ম সেমিস্টারের একটি মেয়ে আমাদের সাথে যোগ দিলো। পরিচয় হলো ইবান্তির সাথে।
বাড়ি পিরোজপুর সদরে ।আমরা যখন ত্রাণ নিয়ে পিরোজপুরের গোয়ারেখা গিয়েছিলাম তখন ইবান্তিদের বাসায় এক রাত ছিলাম। সেই থেকে ইবান্তির সাথে আমার প্রণয়। জীবনে এক ভালো লাগার মোহ নিয়ে পাশে দাঁড়িয়েছিলাম সিডর বিধ্বস্তদের পাশে ইবান্তির হাত ধরে প্রতিজ্ঞা করেছিলাম দুজনে মিলে আমাদের সাধ্য মত এ দেশের দুঃখী মানুষের চোখের জল ঘোচাবো। এখন সে কথা ভাবলেই হাসি পায়। দুঃখী মানুষের পাশে কি দাঁড়াবে। আমার দু:খের সময় তোমাকে পেলাম না।বিয়ে হয়ে গেলো।তোমার বাবা-মা এই বেকার ছেলেকে পছন্দ করবো না।জানি তোমার কিছুই করার ছিলো না।আমারই বা কি করার ছিলো। যখন দশটি শূন্য পদের জন্য দশ হাজার জন পরীক্ষা দিয়ে ভাইবা বোর্ড থেকে শূন্য হাতে ফিরে আসতাম তখন নিজেকে এ দেশের একজন কৃতদাস মনে হত। বাবা বলতো ধৈর্য হারাইয়ো না।চাকরি হবে।দেশটা কি এমনে এমনেই স্বাধীন করেছি।আমি বাবার সাথে তর্কে যাই না। এক বার বলি - বাবা আমাকে তিন লক্ষ টাকা দিন তাহলে চাকরি টা হয়ে যায়।
_ টাকা দিয়ে চাকরি পাবার মানে বুঝিস!
আমি চুপ করে থাকি। বাবা বলেন
_ আজ যদি তুই তিন লক্ষ টাকা দিয়ে চাকরি করিস তাহলে তুই চাকরি পেয়ে ত্রিশ লক্ষ টাকা ঘুষ খাবি।
কথায় যুক্তি আছে। আমার বলার কিছুই থাকে না। চাকরি খুঁজতে থাকি। প্রতি দরখাস্তদের সাথে তিনশো টাকা করে ব্যাংক ড্রাফ দেই। পকেট ফাকা হতে থাকে। বাবা বলেন ধৈর্য ধর। ধৈর্য না ধরতে জানলে দেশ তোর কাজ থেকে কি আশা করতে পারে। এটা তো একটা অভাগা দেশ। দেশটা তো আমাদের কাছ থেকে কিছুই পেল না। আমি বলি আমারা দেশের কাছ থেকে কি পেয়েছি? সারা জীবন সরকারি চাকরি করে গেলে, কিছুই তো করতে পারলে না। এখনও টিনসেট ঘরে থাকতে হয়। বাবা বলেন - তোদের লেখা পড়া শিখিয়েছি, তোরা এই টিনের ঘর ভেঙ্গে বিল্ডিং দিবি। আমি আশায় বুক বাধি। চাকরি খুঁজতে খুঁজতে ইবান্তির বিয়ে হয়ে গেল।আমি সব আশার শিকড় কেটে ফেলি। এখনতো ভালোই আছি!


এখন আমি প্রায় প্রতিদিনই মামার বাসায় যাই। দ্বিতীয় বার যখন মামার বাসায় গিয়েছিলাম তখন মামা আমাকে সোনার হরিণের গল্প শোনায়।
- মামা কেমন আছেন?
- ভাল। তোমার খবর কি?
- এইতো ভালোই। মামা একটা চাকরির কথা বলেছিলাম।
- চাকরি? তোমার বাবা কি বলে?
- বাবা কিছুই বলে না।
এখানে আমি একটা মিথ্যা কথা বলি। আমার বাবাকে আমি কিছুই জানাই না। বাবা কখনই রাজি হবে না যে আমি মামার হাতে পায়ে ধরে চাকরি চাই।
- ঠিক আছে কাল আমার অফিসে আইসো।
আমার মুখে হাসি ভর করে। তাহলে হয়তো আমার চাকরি হতে যাচ্ছে। সারা দিন রিফাতের সাথে গল্প করে রাতে ম্যাচে ফিরি এক বুক আনন্দ নিয়ে। এই প্রথম টিউশনি করতে যাই না। যদিও সামনে প্রতিটি ছাত্রের পরীক্ষা। তবু আমার মনে কোন অপরাধ বোধ কাজ করে না।

পরদিন মামার সাথে দেখা করি। মামা পরিচয় করিয়ে দেন তার এক বন্ধুর সাথে। আমার সিভি জমা দেওয়া হয় কৃষি মন্ত্রণালয়ে। তারপর কোন টেনশন ছাড়া পরীক্ষা, ভাইবা অতঃপর সোনার হরিণ আমার গোদের নিচে। মানে আমি হরিণের পিঠে বসে চড়ে বেড়াই আর সবুজ তরতাজা ঘাস চিবাই। খারাপ লাগে না। সবুজ তরতাজা ঘাসের স্বাদ এমনই যে শুধু চিবাইতে ইচ্ছা করে। [ এখানে সবুজ ঘাস বলতে ঘুষ খাওয়াকে বোঝানো হয়েছে ]

আমাকে প্রতিদিন অফিস শেষ হবার আগেই অফিস থেকে বের হতে হয়। নতুন গাড়ি কিনেছি। চার টায় রিফাতের ক্লাস শেষ হয়। প্রাইভেট ভার্সিটিতে পড়ে। তাকে বাসায় দিয়ে আসতে হয়। তার নিজের গাড়ি আছে তবু আমার সাথে না গেলে নাকি তার ভালো লাগে না। আমার ও কেমন জানি একটু একটু ভালো লাগে।

অফিস থেকে যখন বেড় হব তখন আমার মোবাইল বেঝে ওঠে। মনে মনে বলি আসতেছি তো, এত ফোন দেওয়ার কি আছে। ফোন হাতে নিয়ে দেখি বাবার ফোন। বুকটা ধক করে ওঠে। হাত কাপতে থাকে।
- হ্যালো, আসসালামু আলাইকুম।
- অলাইকুম আসসালাম।
- কেমন আছেন বাবা।
- ভালো। তোমাকে না টাকা পাঠাইতে মানা করছি।
- বাবা এটা আপনি কি বলেন। আমি টাকা পাঠাবে না।
- না, তুমি টাকা পাঠাবো না। আমার বড় ছেলের এক হাজার টাকা তোমার দশ হাজার টাকার থেকে দশ হাজার গুন বড়। তুমি কি এখন ও বুঝতে পারো নাই?
- না মানে, আমার কথা একটু বুঝেন।
- কি বুঝবো। শুনলাম ঢাকায় নাকি একটা ফ্লাট কিনছ?
- জী।
- এত টাকা কোথায় পাইলা?
আমি এত টাকা কোথায় পাইলাম তা আমি বাবাকে বলতে পারি না। কিন্তু আমি জানি আমার বাবা সব বুঝতে পারেন। বাবা বলেছিলেন " মনে যদি দেশ প্রেম থাকে সে কখনও দেশের বিরুদ্ধে কাজ করতে পারে না" কিন্তু আমি কি দেশকে ভালবাসি না? সময়ের স্রোতে নিজেকে খাপ খায়াইতে হলে তো আমাকে কিছু করতে বাদ্ধ হতে হয়। আমি বাবাকে বুঝাতে পারি না। আমি কি করি? আমাকে করতে হয়। বাদ্ধ ছেলের মত। কিছু করার থাকে না আমার। বাবা টাকা ফেরত পাঠায়। আমি কিছুই বলি না। তারপর ও প্রতি মাসে টাকা পাঠাই। জানি ফেরত আসবে, তারপর ও।

এক বুক নীল বেদনা নিয়ে রিফাতের সাথে দেখা করি। কিন্তু কেন জানি কথা বলতে ইচ্ছা করে না। এমন হয় মাঝে মাঝে। নিজেকে এখনও পুরাপুরি বেচতে পারি নাই। রাতে বাসায় ফেরার পথে পাশের ফ্লাটের ভাইয়ের সাথে দেখা হয়। আমি রাতে তাদের বাথরুমের কল থেকে পানি পড়ার কথা জানাই। তিনি বলেন তাদের কল ঠিক আছে।

এক বেদনা মিশ্রিত কর্ম ব্যস্ত দিন শেষ করে বাসায় এসে নিজেকে খুব অসহায় মনে হয়।সব পেয়েও নিজেকে আর পাই না। আর একটি সুখ সন্ধানী দিনের আশায় ঘুমাতে যাই। ঘুম ভেঙ্গে যায়। আবারও সেই টুপ টুপ পানি পড়ার শব্দ। বিরক্তিকর। আধো ঘুম আর আধো জাগরণ অবস্থায় বাথরুমে যাই। না সব ঠিক আছে। তবে শব্দ কোথা থেকে আসে? ঘুম চলে যায়। আমি শব্দের উৎস খুঁজি। আমার খাটের তলা থেকে আসতেছে। আমি স্পষ্ট শুনতে পাই পানি পড়ার শব্দ খাটের তলা থেকে আসতেছে।আমি খাটের নিচে উকি দেই। চমকে উঠি। আমার গলা শুকিয়ে যায়। খাটের তলায় আমার বাবা বসে আছেন। তিনি কাঁদছেন। তার কান্না নদী হয়ে বয়ে যাচ্ছে সমুদ্রের দিকে। আর তার কন্নার জল টপ টপ করে পরছে সেই নদীতে।


[ শেষ অংশটুকু রূপক অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে, যে যার মত বুঝে নিবেন ]

advertisement

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
  • মোঃ আক্তারুজ্জামান
    মোঃ আক্তারুজ্জামান গল্প খুব ভাল লেগেছে। চমৎকার উপলব্ধি! [......] বন্দী কথাগুলি ভাল লাগল না। পাঠক কখনো কখনো লেখকের চেয়েও শক্তিশালী থাকেন সেই ক্ষেত্রে এরকম করাটা অনেকটা দৃষ্টি কটুই লাগে। (ভাইরে, আমার কথাটা আবার অন্যভাবে নিও না) অনেক অনেক শুভাশীষ রইল।
    প্রত্যুত্তর . ১৭ ডিসেম্বর, ২০১১
  • M.A.HALIM
    M.A.HALIM খুব সুন্দর ভালো লাগলো গল্প। বন্ধুর জন্য শুভ কামনা রইলো।
    প্রত্যুত্তর . ১৭ ডিসেম্বর, ২০১১
  • ওয়াছিম
    ওয়াছিম ছায়া আপু, আখতারুজ জামান ভাই ও হালিম ভাই আপনাদের সকলকে ধন্যবাদ,,,,,,,,,,,,,, আসলে নিচের {} আমি যে কেন ব্যবহার করলাম আমি নিজেও জানি না।
    প্রত্যুত্তর . ১৭ ডিসেম্বর, ২০১১
  • লুতফুল বারি পান্না
    লুতফুল বারি পান্না শর্তহীনভাবে আপনার ভক্ত হয়ে গেলাম ওয়াছিম ভাই। এত চমৎকার একটা গল্প, গল্প কবিতা কেন অন্য কোথাও শিগগীর শিগগীর পড়িনি। অসাধারণ। আর হ্যা থার্ড ব্রাকেটটুকু না দিলেও বোধ হয় চলত।
    প্রত্যুত্তর . ২০ ডিসেম্বর, ২০১১
  • সূর্য
    সূর্য একটা সময় ছিল যখন হঠাৎ এসেই হুটহাট কতগুলো লেখায় মন্তব্য করে হারিয়ে যেতে। ভাবতাম ছেলেটার কথার ধার আছে। এ গল্প পড়ার পর আমার সে ধারণা কতটা সত্য ছিল তা প্রমানের আর কিছু নেই। অসাধারণ লিখেছ।
    প্রত্যুত্তর . ২১ ডিসেম্বর, ২০১১
  • খন্দকার আনিসুর রহমান জ্যোতি
    খন্দকার আনিসুর রহমান জ্যোতি আপনার গল্প পড়ে ভালো লাগলো। হাত পাকা বোঝাই যায়। তবে আসতেছে এর ক্ষেতে আসছে দিলেও হোত। যাই হোক আনাকে ধন্যবাদ..........................
    প্রত্যুত্তর . ২২ ডিসেম্বর, ২০১১
  • তানি হক
    তানি হক খুব খুব ভালো লাগল .ওয়াসিম ভাই ..একেবারে রিদয়ে আঘাত করেছে তোমার লেখা ..৫ ভোট দিয়ে তৃপ্তি বোধ করছি ..ভালো থেক
    প্রত্যুত্তর . ২৪ ডিসেম্বর, ২০১১
  • সেলিনা ইসলাম
    সেলিনা ইসলাম অতঃপর সোনার হরিণ আমার গোদের নিচে। মানে আমি হরিণের পিঠে বসে চড়ে বেড়াই আর সবুজ তরতাজা ঘাস চিবাই। খারাপ লাগে না। সবুজ তরতাজা ঘাসের স্বাদ এমনই যে শুধু চিবাইতে ইচ্ছা করে। [ এখানে সবুজ ঘাস বলতে ঘুষ খাওয়াকে বোঝানো হয়েছে ] --এই প্যারাটি আর উপসংহার বলে দেয় গল্...  আরও দেখুন
    প্রত্যুত্তর . ২৬ ডিসেম্বর, ২০১১
  • প্রজাপতি মন
    প্রজাপতি মন অনেক ভাল লাগলো আপনার গল্প। আপনার বাবার অন্তর্নিহিত বেদনাটা হৃদয় ছুঁয়ে গেল। বাবা বলেছিলেন " মনে যদি দেশ প্রেম থাকে সে কখনও দেশের বিরুদ্ধে কাজ করতে পারে না" আপনি কেন তবে এমন হলেন?
    প্রত্যুত্তর . ২৭ ডিসেম্বর, ২০১১
  • আবু ওয়াফা মোঃ মুফতি
    আবু ওয়াফা মোঃ মুফতি অনেক ভাল লাগল|
    প্রত্যুত্তর . ২৯ ডিসেম্বর, ২০১১

advertisement