সম্ভবত রাত জেগে কাজ করার ফলে ঘুম আসছিল না একটুও।
ভোর ৪টা,
ঝুমঝুম আওয়াজে হাজির হল সে।
কেন যেন ধরে রাখতে পারলাম না নিজেকে,
ঝুমের তালে ইচ্ছেমত নাচলাম পাখা মেলে,
হারিয়ে গেলাম তার কোলাহলে।
ক্ষানিক বাদেই,
বজ্রপাত।
কেন যেন হৃদয়ে আঘাত হেনে দিল,
বৃষ্টির ঝুমঝুম ধ্বনি আর বজ্রের হুংকার,
আমাকে কেন যেন নিথর করে দিল।
কোন এক চাপা আর্তনাদে
মুখ ফসকে বেরিয়ে গেল।
যাহ্‌,

ঘরে ফিরে এসে ঘুমন্ত বাবাকে জড়িয়ে ধরলাম,
বাবাও আমার মাথায় হাতটা বুলিয়ে দিলেন ঘুমের পরশেই।
সারারাত ধরে রাখা এক সমুদ্র জলবিন্দু
বাবার বুকের উপরে ঢেউরে ঢেউরে পরছিল।
এখন চেয়ে আছি দুরভিসন্ধির দিকে,
ঋনখেলাপী এ জীবনের মাঝপথে এসে যদি অংক হিসেব পাল্টে যায়!
তবে আমার আমিকে অচেতন করে এ উপন্যাসটাও মুচকি হেঁসে কড়া নাড়াবে আমার দরজায়।
অভিলাষী এ মন,
মন দিয়ে কি হবে যদি মন যমুনায় ঝড়ের বেগে ঘূর্ণি হয়?
সেই ঘূর্ণিতে একদিন না একদিন আমাকে উড়তেই হবে।