অবশেষে তবুও আখিঁ তুললে না।
কেঁপে কেঁপে জেগে উঠে ধীবর রাগিনী সেতারে
ঘষে ঘষে সুর চকমকির মতো আগুন জ্বলে,
প্রত্যুষে পুড়ে অন্ধকারে হয় আলিঙ্গন;
নিজেকে পুড়ে পুড়ে অদ্বৈত অনলে।

কোন কালেও কি চাঁদ-সদাগর হেসেছিল!
ইন্দ্র-রাজ্যের সব চাপাবাজির গল্প জানে বেহুলা,
তবুও কী মুখ-তুলবেনা !সলজ অনিন্দিতা;
পায়ে পায়ে লেগে থাকে বেনুনীর মত পথ,
সে পথে সৌখিন সীমন্ত; অনেক প্রচলিত-
যৌবনের পরম ক্ষুধা ঈর্ষার ভিতরে
বেঁচে থাকে তাই লাজুকতার প্রথম শপথ।

বেদনার নীল রং বুঝে কী ফণী!
প্রহর গুনে গুনে ভেসে চলে রাত্রির ¯স্রোতে ,
শতাব্দীর পর শতাব্দী নয়,
এক জীবনের কালিদহ কতটা উত্তাল জান কী!

আযৌবন যে ব্যুহে বুক ঘষে ঘষে তক্ষক
রঞ্জিত করে অক্ষমতার দেয়াল-
কোন কালেও শার্সি চুইয়ে পড়েছিল
বিগলিত লাজুক প্রভা!

ছেদনে শ্লোক শাণিত হল বার বার
অনূঢ়া সম্পাদিকা ছাপলো না সে কবিতা
অশ্রুত পান্ডুলিপির মৌলিক কাহিনী।

শরতের শান্ত নদী বয়ে চলে সযতনে;
নামের পেছনে লেজুড় কৌম পদবী
হয়ে উঠা উঠলনা সলজ দরদী
কখনো কাঁদে কখনো হাসে সে পদবী
কখনো কেউ কেউ হয়ে পড়ি পদবীর লোক
ছেদন করে চলে অহোনিশি তক্ষক-শ্লোক।

হয়তোবা এমন হতনা!
ভয়ংকর সূচিতার কালো সাদা খেই
জড়াল দেহমন সলজ উল্লাসে,
মোহ বলি, দ্রোহ বলি একই মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ
অচল মুদ্রা বলে চলেনি তোমার কাছে।

পুড়ে পুড়ে সুখ সেও তুমি জানো
মৃদু হাসি হাসো ক্ষণেক আনত নয়নে
কাঁটার আঁচড় ভুলে তুলে সে ফুল
সচকিত চেয়ে দেখি-
সলজ বদনে ফোটে আছে তখনো
অনিন্দ আকূল।