কবিতার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতাঃ লেখক এখানে সে হারিয়ে যাওয়া দিনের কথা ভাবছেন, সে পাশে বসে কথা দেওয়া নেওয়ার কথা বলেছেন। কিছু প্রেম, কিছু ভালোবাসা যে সারাজীবন বুকে এসে বিঁধে থাকে, যত্ন করে লালিত হয় তার কথা তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। যা বিষয়ের সামঞ্জস্যতার সাথে মিল পাবে বলে আমি আশা করি।
-লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১২ মার্চ ১৯৯৭
গল্প/কবিতা: ৪০টি

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftকবিতা - ভ্যালেন্টাইন (ফেব্রুয়ারী ২০১৯)

যৌবনের ঋণ
ভ্যালেন্টাইন

সংখ্যা

মোঃ নুরেআলম সিদ্দিকী

comment ১২  favorite ০  import_contacts ২১৪
এখনো কি তুমি হাসো, এখনো কি কিছুটা প্রেম আমার জন্য আঁকো;
দ্যাখো নিবিড় নক্ষত্রের সাথে চলে আমার দ্রোহের কবিতা
মাঝরাতে আমার সাথে ছলনা দেখায় পূর্ণিমা;
নীলিমারা কত রঙে সাজে, অদ্ভুত রকমে খেলে
আমিও লুকিয়ে লুকিয়ে হাসি, প্রেম কলসির গান মুখে তুলি!

শরীরও বুঝে অন্তিম-আদি নেশা, মনও বুঝে আদিত্যপনার মায়াজালে স্বপ্ন কতখানি ভাসে
তুমিও জানো সভ্যতা দিয়ে যাচ্ছে লম্পট স্বার্থপরতা,
আমিও জানি মন ভেজা নীলের আকাশে উড়ছে শিশিরে ভেজা বেমালুম হাওয়া;
তবুও কেন মুঠোমুঠো কোলাহল, তবুও কেন নৈশব্দের রেখাপাত এঁকে যায় নিরেট আশা,
এক একটি গুমোট ভালোবাসা?
কখনো মেঘ, কখনো বৃষ্টি ছুঁয়ে যায় আমার বিশ্রি মনের দাগ
নিমজ্জিত বেদনা গুঁটিয়ে তুলে বিশ্বাসহীনতার অতীত,
এ আমার অভিজ্ঞতা ছিল না বন্ধু প্রতিদিনের অসুখ!

ইচ্ছেগুলো অদৃশ্য কালবৈশাখি ঝড়ে হারিয়ে যায় অচেনা শহরে,
নিশ্বাসের পারদ পোঁছে যায় চূড়ান্ত চূড়ায়; আমি অবাক হই, ভাঙনের দ্বিধাগ্রস্তে ব্যাকুল হই
তবুও মন, তবুও যৌবন আর একবার জেগে উঠে ধারণের অক্ষমতায়।
যদিও বর্ণনাতীত রাত বলে যেত সূর্যের অস্তমিত কথা,
যদিও বিষণ্ণতার স্মৃতি দিয়ে যেত জ্যান্ত পদ্মপাতার ব্যথা
তবুও আমি যত্ন করে সাজিয়ে নিতাম গীটারের ছন্দমিল, হারমনিয়ামের সুর;
অতঃপর... অতঃপর তাও একদিন সেই প্রতীক্ষার দরোজায় জেগে উঠতে চাইনি
অপেক্ষার চরাভূমীতে নিজেকে মিঠেল রোদে হাসার ইচ্ছে জাগাইয়নি!

পুরনো চিঠি, পুরনো চিরকুট প্রতিনিয়ত জুড়ে দেয় মাতলামি
আবৃত্তির ভাব ছুঁয়ে যায় আমার হাত, মুখ, পুরো শরীর;
আর আমি ভাবি ভালোবাসার স্বাদ, শস্যক্ষেত্র, আমার গল্পের পাড়াগাঁয়,
অথচ এই তৃষ্ণাত্ব আমাকে শুধু পোড়ায়নি, গোসল করাই, বেঁধে ফেলে যৌবনের ঋণ;
ধীরে ধীরে সর্বগ্রাসী ক্ষুধা আমায় ডাকে মনের আদালতে, চিকিৎসালয়, গোরস্তানে
অথচ কত দিন পেরিয়ে রাত,মাস পেরিয়ে বছর, কত ভ্যালেন্টাইন পেরিয়ে মহা উৎসব
তবুও তোমায় দেখার ইচ্ছে কমেনি, একটু কথা বলার স্বাদ হারায়নি,
কিন্তু মেয়ে সে তুমি আর এলে না, ভুল করেও আর সে পথ একবার চেয়ে দেখলে না!

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement