বর্তমান আমরা কঠোর সময় পার করিতেছি। আমাদের স্ত্রীগণ সোসাল ওর্য়াক এর নামে শর্ট বোরখা পরিহিত করে স্বামী বেচারার বিনা অনুমতিতে বাইরে যায়। চোখ, ঠোট ইত্যাদি প্রসাধনিতে রাঙ্গিয়ে। মেয়েরা বাবা মায়ের কথা শোনে না। ছেলে বন্ধুদের সাথে আড্ডাবজি করে। ছেলেরা নিজেদের ইচ্ছামত চলাফেরা করে। এই কঠোর সেময়ের কথা অবলম্বনে রচিত হয়েছে “ অসুস্থ প্রতিযোগিতা”। অতএব ’গল্প কবিতা’র ”কঠোরতা” বিষয়ের সাথে ”অসুস্থ প্রতিযোগিতা” কবিতা পুরাপুরিই সামন্জষ্যশীল।
-লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১৩ অক্টোবর ১৯৭৫
গল্প/কবিতা: ১০টি

প্রাপ্ত পয়েন্ট

১৩

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftকবিতা - কঠোরতা (মে ২০১৮)

অসুস্থ প্রতিযোগিতা
কঠোরতা

সংখ্যা

মোট ভোট ১৩

ম, ম শফিকুল ইসলাম প্রিয়

comment ১২  favorite ০  import_contacts ৫৭৩
স্ত্রী মোর সুন্দরী বেজায়
শর্ট বোরখা পরেন
চোখের ভুরু তুলে তিনি
সুন্দরী বেশ ধরেন।

স্কার্ফটিও শর্ট যে তাহার
কপালে লাল টিপ
ঠোট পলিশ আর চোখের রং
ম্যাচ করানো ঠিক।

ফেস্ পাউডারের রঙে তাহার
মুখ চেনা না যায়
এসব কথা বললে তিনি
রেগে চোখ রাঙিয়ে চায়।

মেয়ে আমার নম্র-ভদ্র
পরে টাইট টাইস্
সেন্ডু গেন্জি পরে মেয়ে
বোঝায় বক্ষের ডাইস।

বিশ্ববিদ্যালয় আর
লাইব্রেরী ওর্য়াকের নামে
ঘর ছাড়ে নিয়মিত
মোবাইল আর নেট ব্যবহারে সে
খুবই অপরিমিত।

পুত্র আমার সুপুত্র খুবই স্মার্ট
মুখে তাহার শোভা পায় ফেন্ঞকাট।
পুত্রের নিকট সীম কয়খানি
তাহার হিসাব আমি নজানি।

ফ্রেন্ড লিস্টে আছে
কয়েক শত গার্লফ্রেন্ড
এসব নাকি এযুগেরেই ট্রেন্ড(?)
মা, মেয়ে আর ছেলে
এসব নিয়েই মেতে আছে
নাওয়া খাওয়া ফেলে।

এগুলোতে বাড়ায় নাকি
এযুগের উপযোগিতা
আমার কাছে যা শুধুই
অসুস্থ প্রতিযোগিতা।

advertisement

ট্যাগগুচ্ছ

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement