লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ২ এপ্রিল ২০১৯
গল্প/কবিতা: ৩২টি

সমন্বিত স্কোর

৪.০৭

বিচারক স্কোরঃ ২.১৫ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ১.৯২ / ৩.০

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftগভীরতা (সেপ্টেম্বর ২০১৫)

ব্রেকিং নিউজ
গভীরতা

সংখ্যা

মোট ভোট ১৬ প্রাপ্ত পয়েন্ট ৪.০৭

মোহাম্মদ সানাউল্লাহ্

comment ৫  favorite ০  import_contacts ৯২১
জাহিদের মুড টা আজ খুব ভাল । গত মাসের শেষেই অন্য একটা কোম্পানীর জয়েনিং লেটারটা ওর হাতে এসেছে কিন্তু বাসার সবাইকে সারপ্রাইজ দেবার জন্য অনেক কষ্ট করে এ রকম একটা সুখবরকে মনের গভীরে চাপা দিয়ে রেখেছে । সেই হিসেবেই বর্তমান কোম্পানীর চাকরীটা ছেড়ে দেবার সিদ্ধান্তটাও কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে দিয়েছে । আজ মাসের শেষ দিন । সে কারণেই জাহিদের দেনা-পাওনার চুড়ান্ত হিসাব-নিকাশ করার জন্য অফিস থেকে বের হতে একটু বিলম্ব হয়ে গেল ।
জাহিদ যখন বাসার দরজায় এসে দাঁড়াল, তখন ঘড়ির কাটায় রাত দশটা বেজে দশ ! একেতো নতুন কোম্পানীর ভাল চাকরীতে যোগ দেবার আনন্দ তার উপর হিসাব-নিকাশ শেষে বেশ কিছু বাড়তি টাকা হাতে পাওয়ায় জাহিদ অফিস থেকে বেড়িয়ে সোজা মার্কেটে গিয়ে সবার জন্য কিছু কাপড়-চোপড় ও অন্যান্য বেশ কিছু প্রয়োজনীয় কেনা কাটা সেরে বাসায় ফিরতে ফিরতে অনেক রাত হয়ে গেল । দরজায় টোকা দিতেই জাহিদের স্ত্রী রাশেদা বিধ্বস্ত চেহারায় দরজাটা খুলে দিল । এমনই একটা সময় ছিল সেটা যে, কেউ কখনও সেটা কল্পনাও করতে পারে নাই । রাশু অর্থাৎ জাহিদের স্ত্রী রাশেদা দেখল, দরজার সামনে এক হাতে অনেকগুলো শপিং ব্যাগ আর অন্য হাতে একটা ফুলের তোড়া নিয়ে হাস্যোজ্জল মুখে দাঁড়িয়ে আছে জাহিদ, অথচ জাহিদ দেখল অশ্রু ভরা দু’টি চোখে ক্রন্দন রত রাশুকে !
পলকহীন কয়েকটি মুহুর্ত্ত ! কেউ যেন কারও অনুভূতিকে ষ্পর্শই করতে পারছে না ! রাশু যেমন বুঝতে পারছে না জাহিদের আচমকা এতকিছু কেনা-কাটার রহস্য, তেমনি জাহিদও বুঝতে পারছে না রাশুর কান্নার কোন অর্থ ! তবে বাসায় যে কোন অঘন ঘটেছে, সেটা অনুমান করতে জাহিদের মোটেই বেগ পেতে হয়নি । তাইতো উৎকন্ঠিত জাহিদ ভয়ার্ত কন্ঠে প্রশ্ন করল, কী হয়েছে রাশু, কোন দূর্ঘটনা ? কান্না জড়িত কন্ঠে ভেতরে চল, বলেই দরজা লাগিয়ে দিয়ে শোবার ঘরের দিকে পা চালায় রাশেদা । পেছনে পেছনে উদ্বিগ্ন জাহিদ ঘরে গিয়ে দেখে, তার আদরের ধন রোহান কপালে ব্যান্ডেজ নিয়ে বিছানায় শুয়ে আছে, স্যালাইনের মাধ্যমে চলছে তার শরীরে ঔষধ প্রয়োগ । অন্য দিন হলে বাসায় ঢুকেই জাহিদ রাশুকে প্রশ্ন করতো, আমার ব্রেকিং নিউজ কই রে ? আর রোহানও ছুটে এসে বাবাকে জড়িয়ে ধরেই শুরু করে দিত, বাবা জানো, আজ না কাজল আইসক্রীম কিনে খেয়েছে, লাবু চিপস কিনে খেয়েছে আর রুম্পার আম্মা না রুম্পাকে অনেক গুলো খেলনা কিনে দিয়েছে !
নিজের অজান্তেই কখন যে ওর হাত থেকে শপিং ব্যাগগুলো আর ফুলের তোড়াটা মেঝেতে পড়ে গেছে জাহিদ বুঝতেও পারেনি ! বাবা-মা, চিন্তিত মনে রোহানের পাশে বসে আছেন । জাহিদের ঘরে ঢোকা দেখে জাহিদের ছোট ভাই মুহিতও নিঃশব্দে পেছনে এসে দাঁড়িয়েছে । জাহিদের কন্ঠ থেকে প্রশ্ন বের হয়ে আসার আগেই ওর বাবা তাকে ইশারায় পাশের ঘরে যাবার তাগিদ দিতেই রাশু ছাড়া সবাই নিরবে পাশের ঘরে চলে যাবার জন্য উঠে দাঁড়াল ।
জাহিদ-মুহিত যেমন তাদের বাবা-মায়ের আদরের সন্তান, রোহানও তেমনি বাসার সবারই চোখের মনি । রোহান এ পরিবারের অনেক কষ্টের ফসল । কারণ রোহানের যখন জন্ম হয় তখন তাদের পরিবারে চলছিল প্রায় একটা অচলাবস্থা । তার মধ্যে রাশুর শরীরটাও অনেকটাই ভেঙ্গে পড়েছিল । অপুষ্টি ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক কিছু সমস্যার কারণে রোহানের জন্মের সময়ই সবাই জেনে যায় যে, রাশু আর মা হতে পারবে না । সে কারণেও রোহান পরিবারের সবার কাছেই খুবই আদরের । তাই সবারই চিন্তা, রোহানের যদি কিছু হয়ে যায়, সেটা হবে খুবই কষ্টের । জাহিদের বিয়েটাও তো স্বাভাবিক ছিল না । ওর বাবা ছিলেন স্বল্প বেতনের একজন ছোট চাকুরে । অভাবের সংসারটাকে একটু এগিয়ে নেবার আশায় কলেজ জীবন থেকেই পড়াশোনার পাশাপাশি টিউশনি করতো জাহিদ । এক সময় রাশেদাও তার ছাত্রী হয়ে যায় । বছর দুই পড়েছিল জাহিদের কাছে । এরই মধ্যে দু’জনাই দু’জনার হৃদয়ের গভীরে বাসা বেধে ফেলে । এইচ এস সি পরীক্ষার পরই রাশুর বাবা-মা মেয়েকে বিয়ে দেবার জন্য ভীষণ ব্যস্ত হয়ে ওঠে ।
জাহিদ তখন মাষ্টার্স পরীক্ষা দিয়ে রেজালল্টের আশায় বসে আছে । পরের মাসেই ওর বাবার চাকরী শেষ হয়ে যাবে । হন্যে হয়ে রাশুর বাবাও তখন মেয়ের জন্য বর খুঁজতে উঠে পড়ে লেগেছে । এমন অবস্থা যে, কেউ রাশুকে পছন্দ করলেই রাশুকে বসতে হবে বিয়ের পিড়িতে । অর্থাৎ যখন-তখন রাশুর বিয়ে হয়ে যেতে পারে, এমন পরিস্থিতি ! কোন পরিবারের কেউই জানে না তাদের সম্পর্কের কথা । তাতে কি ! কথায় বলে, সন্তানের কিছু হ’লে সবার আগে জানে মা ! রাশুর মা’র কাছেও বিষয়টি যেমন গোপন থাকলো না, তেমনি জাহিদের মা’ও জাহিদের মনের খবর জেনে গেল । সমস্যা তো সেখানে নয় । কারণ ছেলে হিসেবে জাহিদেরও যেমন সুনাম ছিল, মেয়ে হিসাবে রাশুও কম যায় না, কিন্তু প্রেমের জালে ফেঁসে গিয়ে সেই সুনাম আর ধরে রাখতে পারল কই ! যদিও ওদের প্রেম ছিল যেমন পবিত্র তেমনই গভীর । তবুও সমস্যাটা হ’লো আর্থিক টানাপোড়েন ! কোন পরিবার থেকেই কোন আপত্তি না থাকলেও রাশুর বাবা জাহিদের মাকে বিনা সঙ্কোচে মাত্র এক সপ্তাহের শর্তে রাজী হয়ে গেল । এই সময়ের মধ্যে তাদের বিয়ে না হলে দু’জনার অতৃপ্ত আত্মাই আজীবন বয়ে বেড়াবে তাদের নিন্দিত জীবনের বোঝা !
কিন্তু জাহিদদের পরিবারের হিসেব-নিকেশের কেউই যখন কোন কূল-কিনারা করতে পারছিল না, রাশুর বাবার বেধে দেয়া সপ্তাহের শেষ দিনের আগের রাতে মুহিতই তখন পারাপারের মাঝি হয়ে সামনে চলে এলো । সেই তার বাবা-মাকে হিসেব টা বুঝিয়ে দিল । “ভাইয়া টিউশনির সংখ্যা বাড়িয়ে দিবে, আর আমি দুইটা ছাত্র-ছাত্রী পেয়েছি, ওদের কে পড়াবো বলে কথাও দিয়েছি । আমাদের খাওয়ার জুটলে ভাবীর খাবারের ব্যবস্থাও আল্লাহ ঠিকই জুটিয়ে দেবেন । তা ছাড়া সামনের মাসেই তো ভাইয়ার রেজাল্ট, নিশ্চয়ই তার একটা চাকরী-বাকরী হয়ে যাবে ।” এমন চিন্তা জাহিদের মগজে যে কাজ করে নাই তা নয়, আসলে জাহিদের ভাবনা হ’লো, ভাবনার সাথে বাস্তবতার যদি মিল না হয় তখন ! বাবার পেনশনের কয়টা টাকা ছাড়া আয়-রোজগারের পথ বন্ধ ! তা ছাড়া সব বাবা-মা’ই তো আশা করে, সন্তানাদী হবে তাদের বুড়া-বুড়ির হাতের লাঠি, কিন্তু জাহিদের বাবা-মা বুঝি সেই সুখের মুখ আর দেখবে না ! তাই আর জাহিদ সাহস করে কিছু বলতে পারছিল না । কিন্তু সবে মাত্র অনার্সে ভর্তি হওয়া মুহিতের আত্মবিশ্বাসে সবাই সাহসী হয়ে উঠল । পরের দিনই জাহিদ-রাশুর বিয়ে হয়ে গেল । তার দেড় বছরের মাথায় তাদের অনটনের মাঝেও সংসারে আসে রোহান । অবশ্য তার অল্প কয়েকদিন আগেই জাহিদের এই চাকরী টা হয়ে যায়, যদিও চাকরীটা তেমন বলার মত নয়, তবু চাকরী করার এই তিন বছরের অভিজ্ঞতাটা ওর ভাল চাকরীটা পাবার জন্যে খুব সহায়ক ভূমিকা রেখেছিল ।

তাদের বাসার সামনের বারান্দায় রেলিং ধরে ধরে রাস্তায় কে কী করে, সেটা দেখার একটা বাতিক ছিল রোহানের । মাঝে মাঝে অবশ্য রোহান তার মায়ের কাছে এটা-সেটা কিনে দেবার জন্য বায়না ধরতো আর এটাই ছিল তার নিত্য দিনের চিত্র । মাত্র তিন বছরের রোহান টুলের উপর না দাঁড়ালে সে রাস্তার সব দৃশ্যাবলী দেখতে পায় না, সে জন্য জাহিদই তার জন্য একটা টুল কিনে দিয়েছিল । কিন্তু রাশু নানা বাহানায় তার আব্দার এড়িয়ে যেত ঠিকই, তারপরও মায়ের মন তো, ইচ্ছে করতো রোহানকে খুশি করতে । কিন্তু রাশু জানে তাদের সীমাবদ্ধতার কথা । তাই তার ইচ্ছেটাকে গলা টিপে হত্যা করা ছাড়া কিছুই করার ছিল না । আজও তার ব্যতিক্রম হয়নি ।
সেই রোহানের কথাই জাহিদের বাবা জাহিদকে বলতে লাগলো কি ভাবে রোহানের এই অবস্থা । প্রতিদিনের মতই আজও রোহান টুলের উপর দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে সব দেখছিল কিন্তু কোন এক ফাঁকে পা পিছলে রোহান টুলের উপর থেকে ছিটকে পড়ে গিয়ে কপালের বেশ খানিকটা কেটে যায় আর তাতেই সে অজ্ঞান হয়ে যায় । “ভাগ্যিস ! মুহিত তখন বাসায়ই ছিল আর আমিও আসছিলাম বাজার থেকে । আমার সামনেই তো ও পড়ে গেল । কিন্তু আমার কিছুই করার ছিল না । তবুও যাই হোক আমার চিল্লা-চিল্লিতে সবাই ঘর থেকে বেড়িয়ে এসে রোহানকে তোলার চেষ্টা করে । এই ফাঁকে আমি মেঝেরে উপর বাজারের ব্যাগটা রেখেই মুহিতকে সাথে করে রোহান কে হাসপাতালে নিয়ে যাই । আর কি ভাগ্য বল ! অমার বা মুহিতের কারও মোবাইলেই টাকা নেই যে, তোমাকে জানাব । রোহানের জন্য ডাক্তাররাও যথেষ্ট ভাল কাজ করেছে । তারা অবশ্য তোমাকে ফোন করার ব্যাপারে নিরুৎসাহিতই করেছিল । আর আমরা যখন রোহানকে নিয়ে বাসায় আসি, তখনও রাশু আর তোমার মাতো জায়নামাজেই ছিল । আল্লাহর রহমতে বড় কোন অঘটন যে ঘটেনি, সে জন্য আল্লাহর কাছে আমাদের শুকরিয়া আদায় করা উচিৎ ।” জাহিদের মা’ও তখন বললেন, “হ্যাঁ বাবা, ওরা রোহানকে নিয়ে বাসায় ফিরে না আসা পর্যন্ত আমরা শুধু চোখের পানিতে জাযনামাজ ভিজিয়েছি, হয়তো রাশুর চোখের পানিতে আল্লাহর ফেরেস্তার রাস্তাও পিচ্ছিল হয়ে গিয়েছিল, তাই হয়তো আল্লাহতা’লা তাঁর ফেরেস্তাকে ফিরিয়ে নিয়েছেন ।
তখনই রাশু রোহানের ঘুম থেকে জেগে ওঠার খবরটা সবাইকে এসে জানাল । সাথে সাথেই জাহিদ চোখ মুছতে মুছতে রোহানের পাশে গিয়ে বসে প্রশ্ন করলো, ‘আব্বু, এখনও কী ব্যাথা করছে ?’ ‘না বাবা,’ বলে রোহান সবাইকে আশ্বস্ত করলো । এতক্ষণে সবাই হাঁফ ছেড়ে বাঁচল । রাশুও আমতা আমতা করে বলতে থাকলো, ‘আজ সারা দিন আমাদের বাসায় কোন রান্না-বান্নাও নেই, কারও খাওয়াও হয়নি !’ ‘তাতে কোন সমস্যা নেই’ বলেই জাহিদ তার সারপ্রাইজের ব্যাপারটা সবার সামনে তুলে ধরেই তার বাবার হাতে নতুন কোম্পানীর জয়েনিং লেটারটা দিল এবং সেই সাথে তাঁর জন্যে কেনা পাঞ্জাবী, মায়ের হাতে শাড়ী, মুহিতের হাতে টি শার্ট এবং রাশুর হাতেও ধরিয়ে দিল সুন্দর একটা শাড়ী । এবার সে সবাইকে খাওয়ার জন্য তৈরী হতে বলল । কারণ সে আসার সময় সবার জন্য খাবারও নিয়ে এসেছে ।
এবার সে রোহানকে ফুলের তোড়াটা দিয়ে বলে উঠল, আমার ব্রেকিং নিউজের জন্য কী এনেছি ! বলেই তার জন্য নিয়ে আসা নানান রকম খাবার, খেলনা, কাপড়-চোপড় তার সামনে মেলে ধরল । তখন রোহান তার বাবাকে বলল, ‘আচ্ছা বাবা, তুমি আমাকে ব্রেকিং নিউজ বলো কেন ?’ প্রতিদিন আমি বাসায় ফেরার সাথে সাথে তুমি আমাকে অনেকগুলো খবর শুনাও তো তাই, বলেই জাহিদ হাসতে লাগল । আবারও রোহানের প্রশ্ন, ব্রেকিং নিউজ কী বাবা ? আমতা আমতা করে জাহিদ বলল, ব্রেকিং নিউজ হচ্ছে, অনাকাঙ্খিত ভাবে ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনার খবর, যার মধ্যে আনন্দের চেয়ে দুঃখের খবরই থাকে বেশী ! দুঃখ কী বাবা ? আবারও তার প্রশ্ন ! রোহানের এ প্রশ্নটির উত্তর অবশ্য জাহিদের বাবা ঘরে ঢুকতে ঢুকতে দিতে থাকল, দুঃখ মানে হ’লো কষ্ট ! এই যে তোমাকে আমরা আইসক্রীম, লজেন্স, চিপস কিনে দিতে পারিনা, এতে তুমি যেমন মনে কষ্ট পাও, তার চেয়ে ঢেড় বেশী কষ্ট পাই আমরা সবাই ! এবার কিছুক্ষণ চুপ থেকে রোহান বলল, তাহলে কাল থেকে আমি আর বাবাকে একটাও ব্রেকিং নিউজ বলবো না ! রোহানের এ কথায় সবার চোখ দিয়ে গড়িয়ে পড়ল কয়েক ফোটা করে গভীর আবেগ ভরা অশ্রু ! সেই সাথে জাহিদের মায়ের হৃদয়ের গভীর থেকে বেড়িয়ে এলো একটা গভীরতর দীর্ঘশ্বাস ! আল্লাহর দরবারে তিনি হাত তুলে দো’য়া করলেন, হে আল্লাহ, আমৃত্যু আমি যেন সবাইকে এভাবে বুকে জড়িয়ে থাকতে পারি, আর সারা জীবন সহি সালামতে রেখ আমার জাহিদ, মুহিত, রোহান, রাশুকে !

advertisement

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement