লেখকের তথ্য

Photo
গল্প/কবিতা: ১টি

সমন্বিত স্কোর

২.৯৮

বিচারক স্কোরঃ ১.২৮ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ১.৭ / ৩.০

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftভৌতিক (নভেম্বর ২০১৪)

মানবজাতির ভৌতিক বিবর্তন
ভৌতিক

সংখ্যা

মোট ভোট ১৭ প্রাপ্ত পয়েন্ট ২.৯৮

প্রলয় সাহা

comment ১৫  favorite ১  import_contacts ৮৩৯
ইঁদুর প্রাণে ভয় জড়িয়ে খাচ্ছি, চলছি।
সমদৃষ্টি কাকে বলে? ভুলে তাও গিলে খেয়েছি সেই কবেই।
দিন রাত দু'টোই সমান, ফারাক শুধুই ফুরসতের -
চলমান বড্ড ভয়ানক - শুল্কের সীল বুকের বামে।
প্রাচীন অনার্য জাতি বসত গড়েছে ভিতরে বাহিরে,
"দিনের শেষ আড়াই ঘন্টা" বর্তমানে এই বাক্য ঠিক যায় না।
কিসের প্রয়োজন ছলা কলার? খাদকের যখন তখন ক্ষুধা।
প্রজাপতিগুলো বিলুপ্ত হচ্ছে, উড়ে না আর আগের মত
শূন্য বাগানে পড়ে আছে, ছিন্ন ভিন্ন সহস্র ডানা।
রাস্তা আগের মতই কুকুরের দখলে,
স্বভাবটা বদলে গেছে ভয়াবহ কয়েকটা পবিত্র বিড়ালকে
ডাস্টবিনে স্থান না দিতে পারলে, তাদের সম্মানে হানী হয়।
বিড়ালগুলো পচে, গলে মরে -
দেখাটা না দেখার মতই। পীচ ঢালা রাস্তা চোখে বেঁধে;
হেঁটে চলাটাই বোধগম্য মনে হয়। ওই দিকে আবার,
রাজকীয় বাঘের নৃশংস থাবা, ফুটন্ত ফুলে সব অদৃশ্য কালো ছায়া,
ময়লা ড্রেনে রক্তের বহমান হাহাকার -
খোঁজ পাওয়া যায়না; কি দিন -কি রাত তার সঠিক ঠিকানা!
নিথর অগনিত ফুল রুগ্নাবাসে,আতঙ্কের ঔষধ গিলে কাতরায়
মোমের আলো অল্পতেই তীর ছুঁড়ে ,ফুলগুলো জানান না দিয়েই ঘুমিয়ে পড়ে।
দেখিনি কিছুই, জন্মান্ধ। বলবোও না কিছু, বাকরুদ্ধ।
দীর্ঘশ্বাসে জমাট সকল প্রকাশ -
কিন্তু, সাহস জাগে না হৃদপিণ্ডে - যদি গলা চেপে ধরে অলৌকিক হাত।।

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement