ছোটো ছেলেটির বেড় ওঠা,বাবার দিনরাত্রি রিকশা টানার পরিশ্রমে। ছেলেটি এখনও যুবকের বয়স সীমায় পোছোয়নি। সুযোগটা জন্মগত আর বুদ্ধিটা কুনড়ই। ঐ বয়সে ঐ ছেলেটির জন্য, শিক্ষার চেয়ে টাকার প্রয়োজনটাই ছিল বেশী।
কাজ নিয়েছে, পরিচিত একটি হোটেলে। দুবেলার খাবারটা ওখানেই হয়ে যায়। এতদিন প্রয়োজনে সামান্য দু-পাচ টাকার জন্যও, সেই বাবা ছাড়আ কোনো উপায় ছিল না। কখনো কখনো প্রয়োজনের পরিমান খুব বেশী হলে, প্রয়োজনটা, প্রয়োজনের তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে।
আজ সে প্রথম মাসে টাকা পেয়েছে, আটশো টাকা। তার ভাবতেই যেন অবাক লাগছে, যে পুরোটাই তার নিজের উপার্জনের টাকা। মনের ভেতর একটা উচ্ছ্বাস, চাপা স্ফূর্তি। কোনো বাধা যা এতদিন দেওয়ালের মতো স্থির ছিল, তাকে যেন টপকে ফেলেছে সে।
দেশের নানা কোনে,অনেকে যখন লক্ষ ,কোটি টাকার হিসেব নিয়ে চিন্তিত। তখন এই ছেলেটি ভাবছে,আজ সে তার আটশো টাকায়, বাবার জামা,মায়ের শাড়ই আর মিষ্টি নিয়ে,তবেই বাড়ই ফিরবে। আজ তার বাধভাঙা উচ্চ্বাস।।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
Abdul Mannan
আপনার কবিতায় ছোট ছেলেটির আবেগের যে প্রকাশ ঘটিয়েছেন তা অন্যন্য । কবির জন্য শুভকামনা রইল…সময় করে আমার পাতায় এলে খুশি হবো..…
ক্যায়স
দেশের নানা কোনে,অনেকে যখন লক্ষ ,কোটি টাকার হিসেব নিয়ে চিন্তিত।
তখন এই ছেলেটি ভাবছে,আজ সে তার আটশো টাকায়,
বাবার জামা,মায়ের শাড়ই আর মিষ্টি নিয়ে,তবেই বাড়ই ফিরবে।
আজ তার বাধভাঙা উচ্চ্বাস। ভালো লেগেছে কবিতাটা... ভালো থাকবেন....
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।